¦
ঢাকা সিটি নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত ইসি

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশন প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জাবেদ আলী। সোমবার ইসি সচিবালয়ে তিনি বলেন, ডিসিসি নির্বাচনের জন্য সব সময় আমরা প্রস্তুত আছি। সরকারের পক্ষ থেকে সীমানাসংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করে দিলেই আমরা নির্বাচন করে ফেলব। রাজধানীবাসীও এ নির্বাচনের জন্য দীর্ঘদিন থেকে অপেক্ষা করছেন। আমরাও অপেক্ষায় আছি।
জাবেদ আলী আরও বলেন, দুই সিটি কর্পোরেশনের সীমানাসংক্রান্ত বাধা দূর হলেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জটিলতা নিরসনের চিঠি পেলেই নির্বাচনের কাজ শুরু করা হবে। কারণ কমিশন চায় অনেক দিন থেকে আটকে থাকা এ নির্বাচন দ্রুততম সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হোক।
সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে আলোচনার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জাবেদ আলী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সীমানা নির্ধারণ না করে দিলে নির্বাচনের জন্য অগ্রসর হওয়া খুব দুষ্কর। আইন অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন ছাড়া অন্য সব নির্বাচনে সীমানা নির্ধারণ করে থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তারা যদি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে তাহলে খুবই ভালো। সীমানা জটিলতার সমাধান হলে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে নির্বাচন কমিশনের কোনো সমস্যা হবে না। স্থানীয় সরকার সীমানা নির্ধারণ করে দিলে সে অনুযায়ী ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানান এ কমিশনার।
সর্বশেষ ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ডিসিসি নির্বাচন হয়েছিল। সে নির্বাচনের পর প্রথম বৈঠকের তারিখ ধরে ২০০৭ সালের ১৪ মে এ সিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়। মেয়াদ পার হওয়ার আট বছর পার হয়ে গেলেও এ নির্বাচন হয়নি। অনেকের মতে, বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাকে নির্বাচন ছাড়া বিদায় দেয়ার কৌশল হিসেবেই ২০১১ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকাকে দুটি সিটি কর্পোরেশনে বিভক্ত করা হয়। আর এ কারণেই পদ হারান খোকা। এরপর থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে চলে যায় সিটি কর্পোরেশন। আইন অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে ঢাকার এ দুটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও নির্বাচন হয়নি।
২০১২ সালের ২৪ মে তফসিল ঘোষণার পরও আদালতের নির্দেশে আটকে যায় নির্বাচন। এরপর ২০১৩ সালের ১৩ মে আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করলেও সীমানাসংক্রান্ত জটিলতার অজুহাত দেখিয়ে আটকে রাখে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
দ্বিতীয় সংস্করণ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close