¦
নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানিতে বেহাল শিমরাইল-নারায়ণগঞ্জ সড়ক

হোসেন চিশতী সিপলু, সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে | প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশে বেসরকারিভাবে নতুন করে নির্মাণাধীন ৩৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানিতে বেহালদশা সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল-ইপিজেড-নারায়ণগঞ্জ সড়কের। ছোট-বড় গর্তের কারণে সিদ্ধিরগঞ্জবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে ব্যস্ততম এ সড়কটি। ক্রমশই অনুপযোগী হয়ে পড়ছে চলাচলের। প্রকৌশলীদের ভাষ্যমতে পিচের শত্র“ পানি। পানি নির্গত বন্ধের বিষয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে সড়ক ও জনপথ বিভাগ একাধিকবার চিঠি দিলেও তারা কোনো কর্ণপাত করেনি বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রায় ৬০০ মিটার রাস্তাটি পুরোপুরি অচল হয়ে গেছে, যা পুনরায় নির্মাণ করতে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছে সওজ। নারায়ণগঞ্জ শহর থেকে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়, কাঁচপুর, রূপগঞ্জ ও আড়াইহাজার যাতায়াতের অন্যতম ব্যস্ততম রুট হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ-শিমরাইল মোড় সড়কটি। এই সড়কের এক পাশে রয়েছে আদমজী ইপিজেড, সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, সাইলো, পদ্মা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের ডিপোসহ অসংখ্য ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এছাড়া রয়েছে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই রুট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করে থাকে। এ রুট দিয়েই আদমজী ইপিজেডের দেশ-বিদেশী বায়ারদের আনাগোনা থাকে নিয়মিত। প্রত্যহ বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে যাতায়াত করে থাকে। তবে সড়কটিতে যানবাহনের চাপ বাড়লেও সড়কটি প্রয়োজনের তুলনায় প্রশস্ত হয়নি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন সংলগ্ন বেসরকারিভাবে নির্মাণাধীন সিদ্ধিরগঞ্জ ৩৩৫ এম ডব্লিউ কম্পাউন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ প্লান্টের নির্গত পানি বেশ কয়েক মাস ধরেই সড়কের উপর ফেলা হচ্ছে। এতে করে বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বটতলা পর্যন্ত সড়কে অসংখ্য ছোট-বড় আকারে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। ফলে প্রায়শই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা।অনেক সময়ই উল্টে যাচ্ছে হালকা যানবাহন। নদীতে বড় আকারের ঢেউ এলে নৌকায় থাকা যাত্রীদের যে অবস্থা হয় ওই এলাকা দিয়ে যে কোনো গাড়ি যাওয়ার সময়ে যাত্রীদেরও একই অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। গর্তগুলো দিন দিন বড় আকার ধারণ করছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমের পূর্বে সড়কটি সংস্কার করা না হলে প্রত্যহ সড়ক দুর্ঘটনাসহ প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটতে পারে বলে আশংকা ওই রুটে চলাচলরত যাত্রীদের। নারায়ণগঞ্জ সড়ক উপ-বিভাগ-২ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী জাফরুজ্জামান মিয়া জানান, নির্মাণাধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পানি নির্গত বন্ধ না হলে রাস্তা সংস্কার করেও কোনো লাভ হবে না। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার চিঠি দেয়া হলেও তারা কোনো কর্ণপাত করেনি। সর্বশেষ জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছি। প্রায় ৬০০ মিটার রাস্তাটি পুরোপুরি ড্যামেজ হয়ে গেছে, যা পুনরায় নির্মাণ করতে প্রায় ৬০ লাখ টাকা ব্যয় হবে।
দ্বিতীয় সংস্করণ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close