¦
নোয়াখালীতে পৃথক মামলায় ৭ জনের যাবজ্জীবন

বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি | প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

নোয়াখালীতে পৃথক দুটি মামলার রায়ে ৭ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে নোয়াখালীর বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শিরিন কবিতা আক্তার এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুল কুদ্দুছ মিয়া এ রায় দেন। বেগমগঞ্জের ব্যবসায়ী ফজলুল হক গুম হওয়ার মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হল জামাল উদ্দিন ও আবুল হাসেম। সেনবাগের ইয়াকুব হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি হল বেলায়েত হোসেন, সাহাব উদ্দিন, শাহাজাহান মিরাজ হিরণ, জাহাঙ্গীর আলম ও নুরুল ইসলাম।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৭ সালের ৬ ফেব্র“য়ারি বেগমগঞ্জের চৌমুহনী বাজারের স্টেশন রোডে ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠান হক লাইব্রেরি থেকে ফজলুল হককে নগদ সাড়ে ১২ লাখ টাকাসহ তুলে নেয় তার ব্যবসায়িক অংশীদার জামাল ও হাসেম। এর পর থেকে তিনি নিখোঁজ। এ ঘটনায় ফজলুল হকের বাবাা সামছুল হক বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় জামাল ও হাসেমকে আসামি করে একটি মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সিআইডি পরিদর্শক সন্তোষ কুমার কুণ্ডু ১৯৯৭ সালের ৭ মার্চ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ ১৮ বছর পর বুধবার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন আদালত। আসামি জামাল ও হাসেম বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের ছাদু মিয়ার ছেলে। মামলা দায়েরের পর থেকে জামাল উদ্দিন পলাতক রয়েছে।
অপরদিকে সেনবাগে ইয়াকুব নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হল সোনাইমুড়ীর দৌলতপুর গ্রামের আবদুল মোতালেবের ছেলে বেলায়েত ও সাহাব উদ্দিন, একই গ্রামের আলমগীর মাস্টারের ছেলে শাহাজাহান মিরাজ, প্রয়াত বুস সিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও আবদুল ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে নুরুল ইসলাম নূরনবী। এদের মধ্যে জাহাঙ্গীর ও নুরনবী পালতক।
দ্বিতীয় সংস্করণ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close