¦
দোহারে খাল উদ্ধারে স্বজনপ্রীতির ঘটনায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া

স্টাফ রিপোর্টার, নবাবগঞ্জ | প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের মৈনট এলাকায় খাল এবং রাস্তা দখল করে দোকান ও বাড়িঘর নির্মাণ করায় উপজেলা প্রশাসন দোকানিকে আটক করে। তবে প্রভাবশালীরা রাস্তা দখল করে দোকানপাট গড়ে তুললেও তাদের বহাল তবিয়তে রাখায় এলাকায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম আরা নিপা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। এ সময় নদী ভাঙনকবলিত ৮ দরিদ্র দোকানিকে আটক করে। পরে ৭ দিনের সময় দিয়ে দোকান সরিয়ে নেয়ার অঙ্গীকারে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু একই এলাকায় রাস্তার ওপর দোকান গড়ে তুলেছে কিছু প্রভাবশালী। তাদের দোকানঘর উচ্ছেদে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন। ফলে এলাকার মানুষের মনে প্রশ্ন জেগেছে প্রভাবশালীদের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে গরিব মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে প্রশাসন।
দোকানদার রফিক মোল্লা বলেন, তাদের নিজস্ব জমির সঙ্গে ২৫-৩০ বছর আগে খাল ছিল এখন ভরাট হয়ে গেছে। ফলে অনেকেই ঘরবাড়ি করেছে। কেউ কেউ জীবিকার স্বার্থে দোকান করেছে। প্রশাসন অন্যদের কিছু না বলে তাদের আটক করছে।
একই অভিযোগ করেন মনোয়ারা বেগম। তার ভাইকেও আটক করা হয়।
তাদের দাবি আইন সবার জন্য সমান। আমাদের উচ্ছেদ করলে অন্যদেরও করা উচিত। তাছাড়া এখানে এখন খালের কোনো অস্তিত্ব নেই।
দোহার উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসিল্যান্ড শামীম আরা নিপা বলেন, সরকারি খাল দখল করে যারাই স্থাপনা গড়েছে সবাইকেই তুলে দেয়া হবে। তবে তিনি রাস্তায় যারা ঘর তুলেছে তাদের বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, অনেকেই বন্দোবস্ত নিয়েছে। কিন্তু খাল বা জলাশয় বন্দোবস্ত দেয়া যায় কিনা এ প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার তাদের বরাদ্দ দিলে তা বাতিল না করে উচ্ছেদ করা যাবে না।
দ্বিতীয় সংস্করণ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close