jugantor
সরেজমিন পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী
ইডেন কলেজের ফাটল ধরা হোস্টেলে ছাত্রী বসবাস নয়

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ এপ্রিল ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

২৫ ও ২৬ এপ্রিলের ভূমিকম্পে ফাটল ধরা ইডেন কলেজের হোস্টেলে এখনই ছাত্রীদের তোলা হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের মতামত পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত হোস্টেল পরিদর্শনকালে এমন কথাই জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ফাটল ধরা এ হোস্টেল সোমবার বন্ধ ঘোষণা করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এরপর ওইদিন ছাত্রীদের কেউ অন্য হোস্টেলে আবার কেউ ঢাকায় বাসাবাড়িতে চলে যান। ১০০০ আসনবিশিষ্ট এই হোস্টেলের নাম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। মাত্র দু’বছর আগে নির্মিত এ হোস্টেল নির্মাণকালেই নিুমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। নানা নির্মাণ ত্র“টি, ত্র“টিপূর্ণ নকশা এবং ভবনস্থলে কোনো ডোবা না থাকলেও তা ভরাটের নামে বাড়তি অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার পেছনে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি) একশ্রেণীর প্রকৌশলী এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েক কর্মকর্তা জড়িত আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে কখনোই কোনো তদন্ত হয়নি। কিন্তু নিুমানের কাজের প্রমাণ বের করে দিল ভূমিকম্প- এমন বক্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী হলের ১১তম তলা ও ১০ম তলার একাধিক কক্ষ ও করিডোরের দেয়াল-ফ্লোর খুঁটিয়ে দেখেন। তিনি উপস্থিত প্রধান প্রকৌশলীসহ অন্য প্রকৌশলীদের মতামত নেন। প্রকৌশলীদের প্রাথমিক মতামত হল- ভবনের বিম বা মূল কাঠামোতে কোনো ফাটল দেখা দেয়নি বা ক্ষতি হয়নি। দেয়ালে দেখা দেয়া ফাটল ভবনের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়। শিক্ষামন্ত্রী প্রধান প্রকৌশলীকে ফাটলের গভীরতা, প্রকৌশলগত গুরুত্ব, পরবর্তী প্রভাবসহ আনুষঙ্গিক দিকগুলো আরও খতিয়ে দেখে একটি প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেন। তিনি সারা দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকলে তারও একটি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেন। উপস্থিত ছাত্রীরা জরুরি ভিত্তিতে হলে ওঠার দাবি জানালেও তাদের নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে প্রকৌশলীদের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন। আজকের মধ্যেই এ প্রতিবেদন প্রদান করবেন বলে জানিয়েছে প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা। হোস্টেল পরিদর্শনকালে প্রধান প্রকৌশলী ছাড়াও ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ হোসনে আরাসহ কলেজের শিক্ষক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



সাবমিট
সরেজমিন পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী

ইডেন কলেজের ফাটল ধরা হোস্টেলে ছাত্রী বসবাস নয়

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ এপ্রিল ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
২৫ ও ২৬ এপ্রিলের ভূমিকম্পে ফাটল ধরা ইডেন কলেজের হোস্টেলে এখনই ছাত্রীদের তোলা হচ্ছে না। এ বিষয়ে প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের মতামত পাওয়ার পরই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত হোস্টেল পরিদর্শনকালে এমন কথাই জানান শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ফাটল ধরা এ হোস্টেল সোমবার বন্ধ ঘোষণা করেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এরপর ওইদিন ছাত্রীদের কেউ অন্য হোস্টেলে আবার কেউ ঢাকায় বাসাবাড়িতে চলে যান। ১০০০ আসনবিশিষ্ট এই হোস্টেলের নাম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। মাত্র দু’বছর আগে নির্মিত এ হোস্টেল নির্মাণকালেই নিুমানের সামগ্রী ব্যবহারসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। নানা নির্মাণ ত্র“টি, ত্র“টিপূর্ণ নকশা এবং ভবনস্থলে কোনো ডোবা না থাকলেও তা ভরাটের নামে বাড়তি অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব ঘটনার পেছনে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি) একশ্রেণীর প্রকৌশলী এবং মন্ত্রণালয়ের কয়েক কর্মকর্তা জড়িত আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের ব্যাপারে কখনোই কোনো তদন্ত হয়নি। কিন্তু নিুমানের কাজের প্রমাণ বের করে দিল ভূমিকম্প- এমন বক্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

সরেজমিন পরিদর্শনকালে শিক্ষামন্ত্রী হলের ১১তম তলা ও ১০ম তলার একাধিক কক্ষ ও করিডোরের দেয়াল-ফ্লোর খুঁটিয়ে দেখেন। তিনি উপস্থিত প্রধান প্রকৌশলীসহ অন্য প্রকৌশলীদের মতামত নেন। প্রকৌশলীদের প্রাথমিক মতামত হল- ভবনের বিম বা মূল কাঠামোতে কোনো ফাটল দেখা দেয়নি বা ক্ষতি হয়নি। দেয়ালে দেখা দেয়া ফাটল ভবনের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়। শিক্ষামন্ত্রী প্রধান প্রকৌশলীকে ফাটলের গভীরতা, প্রকৌশলগত গুরুত্ব, পরবর্তী প্রভাবসহ আনুষঙ্গিক দিকগুলো আরও খতিয়ে দেখে একটি প্রতিবেদন প্রদানের নির্দেশ দেন। তিনি সারা দেশে শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভূমিকম্পের কারণে ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকলে তারও একটি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেন। উপস্থিত ছাত্রীরা জরুরি ভিত্তিতে হলে ওঠার দাবি জানালেও তাদের নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে প্রকৌশলীদের প্রতিবেদন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন। আজকের মধ্যেই এ প্রতিবেদন প্রদান করবেন বলে জানিয়েছে প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা। হোস্টেল পরিদর্শনকালে প্রধান প্রকৌশলী ছাড়াও ইডেন কলেজের অধ্যক্ষ হোসনে আরাসহ কলেজের শিক্ষক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র