jugantor
খুলনায় চার কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

  খুলনা ব্যুরো  

৩০ এপ্রিল ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

টিএসপি সারের বস্তাপ্রতি অর্ধশত টাকা অতিরিক্ত আদায়, ওজনে কম দেয়া এবং সরকারি সার বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যুগ্ম-পরিচালক, সহকারী পরিচালক এবং অতিরিক্ত সহকারী পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কর্পোরেশনের যুগ্মসচিব সনৎ কুমার রায় বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ডিলাররা। মামলার আসামিরা হলেন খুলনার য্গ্মু-পরিচালক (সার) মো. মোস্তাক আহমেদ, সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন মোল্লা, অতিরিক্ত সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান এবং গুদাম রক্ষক নাসির হোসেন।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে খুলনার এই সিন্ডিকেট সার বিপণনের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং দুর্নীতি করে আসছে। এই সিন্ডিকেটটি তিউনেশিয়ার সার সরবরাহ করার জন্য ডিলারদের কাছ থেকে বস্তাপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। যারা অতিরিক্ত টাকা না দিয়েছেন তাদের মরক্কোর সার নিতে বাধ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সার নিলেও প্রতি বস্তায় এক থেকে দেড় কেজি সার কম পেয়েছেন ডিলাররা। অতিরিক্ত আদায় করা অর্থ সপ্তাহে অথবা দিনের শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। প্রতিদিন এই সিন্ডিকেটের আয় ছিল অর্ধলক্ষ টাকার বেশি।



সাবমিট

খুলনায় চার কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা

 খুলনা ব্যুরো 
৩০ এপ্রিল ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
টিএসপি সারের বস্তাপ্রতি অর্ধশত টাকা অতিরিক্ত আদায়, ওজনে কম দেয়া এবং সরকারি সার বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যুগ্ম-পরিচালক, সহকারী পরিচালক এবং অতিরিক্ত সহকারী পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কর্পোরেশনের যুগ্মসচিব সনৎ কুমার রায় বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। চার কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হওয়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ডিলাররা। মামলার আসামিরা হলেন খুলনার য্গ্মু-পরিচালক (সার) মো. মোস্তাক আহমেদ, সহকারী পরিচালক কামাল হোসেন মোল্লা, অতিরিক্ত সহকারী পরিচালক মাহবুবুর রহমান এবং গুদাম রক্ষক নাসির হোসেন।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে খুলনার এই সিন্ডিকেট সার বিপণনের ক্ষেত্রে অনিয়ম এবং দুর্নীতি করে আসছে। এই সিন্ডিকেটটি তিউনেশিয়ার সার সরবরাহ করার জন্য ডিলারদের কাছ থেকে বস্তাপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অবৈধ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন। যারা অতিরিক্ত টাকা না দিয়েছেন তাদের মরক্কোর সার নিতে বাধ্য করা হয়েছে। অন্যদিকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে সার নিলেও প্রতি বস্তায় এক থেকে দেড় কেজি সার কম পেয়েছেন ডিলাররা। অতিরিক্ত আদায় করা অর্থ সপ্তাহে অথবা দিনের শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। প্রতিদিন এই সিন্ডিকেটের আয় ছিল অর্ধলক্ষ টাকার বেশি।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র