jugantor
কালীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ গাছতলায় পাঠদান

  কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

৩০ এপ্রিল ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালীয়া ছিদ্দিক মিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কালবৈশাখী ঝড় ও ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের খোলা আকাশের নিচে গাছতলায় পাঠদান চলছে। জানা গেছে, ১৯৫২ সালে মাদ্রাসাটি স্থাপিত হয়ে ৬২ বছর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত মাদ্রাসায় সরকারিভাবে কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি। ১৯৯০ সালে শিল্পপতি মনিরুল হক খান নিজস্ব অর্থায়নে একটি দ্বিতল মাদ্রাসা ভবন তৈরি করে দেয়ায় কোনো রকম ক্লাস নিয়ে যাচ্ছিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ২৫ এপ্রিল কালবৈশাখী ঝড় ও তিন-তিনবার ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ভবনটি পাঠদানে অযোগ্য হয়ে পড়ে। যে কোনো সময় এটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে আতংকে রয়েছে স্থানীয় নেতৃবর্গসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের এখনও পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচেই চলছে পাঠদান। এ অবস্থায় ৫ম-ফাজিল পর্যন্ত ৮টি ক্লাশে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়েই ক্লাস করতে হচ্ছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশিদ দেওয়ান ও সহযোগী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জানান, ভবনটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ হয়ে আছে। এ অবস্থায় একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই আমাদের চরম বিপাকে পড়তে হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, মাদ্রাসাটি সংস্কারসহ ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। ভবনটি নির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নুরুল ইসলাম জানান, আমরা ব্যাপারটা শুনেছি ও দেখেছি। এখন জরুরি ভিত্তিতে টিন দিয়ে ঘড় তৈরি করে দিচ্ছি যাতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে কোনো অসুবিধা না হয়। তবে ভবনটি নির্মাণের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।



সাবমিট

কালীগঞ্জে মাদ্রাসা ভবন ঝুঁকিপূর্ণ গাছতলায় পাঠদান

 কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
৩০ এপ্রিল ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালীয়া ছিদ্দিক মিয়া ফাজিল মাদ্রাসা কালবৈশাখী ঝড় ও ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের খোলা আকাশের নিচে গাছতলায় পাঠদান চলছে। জানা গেছে, ১৯৫২ সালে মাদ্রাসাটি স্থাপিত হয়ে ৬২ বছর অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত মাদ্রাসায় সরকারিভাবে কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি। ১৯৯০ সালে শিল্পপতি মনিরুল হক খান নিজস্ব অর্থায়নে একটি দ্বিতল মাদ্রাসা ভবন তৈরি করে দেয়ায় কোনো রকম ক্লাস নিয়ে যাচ্ছিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ২৫ এপ্রিল কালবৈশাখী ঝড় ও তিন-তিনবার ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ভবনটি পাঠদানে অযোগ্য হয়ে পড়ে। যে কোনো সময় এটি ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন নিয়ে আতংকে রয়েছে স্থানীয় নেতৃবর্গসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় শিক্ষার্থীদের এখনও পর্যন্ত খোলা আকাশের নিচেই চলছে পাঠদান। এ অবস্থায় ৫ম-ফাজিল পর্যন্ত ৮টি ক্লাশে প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে রোদ-বৃষ্টি-ঝড় মাথায় নিয়েই ক্লাস করতে হচ্ছে। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আবদুর রশিদ দেওয়ান ও সহযোগী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জানান, ভবনটি দীর্ঘ দিন ধরে জরাজীর্ণ হয়ে আছে। এ অবস্থায় একটু ঝড়-বৃষ্টি হলেই আমাদের চরম বিপাকে পড়তে হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, মাদ্রাসাটি সংস্কারসহ ভবন নির্মাণের জন্য ঊর্ধ্বতন মহলকে জানানো হয়েছে। ভবনটি নির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো. নুরুল ইসলাম জানান, আমরা ব্যাপারটা শুনেছি ও দেখেছি। এখন জরুরি ভিত্তিতে টিন দিয়ে ঘড় তৈরি করে দিচ্ছি যাতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে কোনো অসুবিধা না হয়। তবে ভবনটি নির্মাণের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র