jugantor
পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে ঢাকা-দিল্লি চুক্তি হচ্ছে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩০ এপ্রিল ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

কম সময় ও খরচে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্ট সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। ইতিমধ্যে দু’দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠকে খসড়া চুক্তিপত্রে অনুস্বাক্ষর হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে এলেই এ চুক্তিপত্র চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত নৌসচিব পর্যায়ে বৈঠকের বিষয়ে বুধবার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। ২০ থেকে ২২ এপ্রিল নৌসচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্টের কারণে দু’দেশের পণ্য পরিবহনে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। বর্তমানে কলম্বো, সিঙ্গাপুর পোর্ট হয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ও ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আনা-নেয়া করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে এক দেশ থেকে আরেক দেশের দূরত্ব সাড়ে ৩ হাজার নটিক্যাল মাইল। কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্টের পর এ দূরত্ব কমে হবে ৬২০ নটিক্যাল মাইল। কোনো পণ্য পরিবহনে আগে যেখানে ৯০ ডলার খরচ হতো এখন সেখানে ৩৫ ডলার খরচ হবে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, দিল্লিতে সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিক আলম মেহেদী ও ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন নৌসচিব রাজিব কুমার।

শাজাহান খান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অনুসরণে নৌ-প্রটোকল ৫ বছরের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে। ১ এপ্রিল থেকে এটি কার্যকর হবে। নৌ-প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ৩১ মার্চ। নবায়নের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ‘লেটার অব এক্সচেঞ্জ’-এর মাধ্যমে পিআইডব্লিউটিটির মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। নৌ-প্রটোকল ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো সই হয়। নবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা অব্যাহত রয়েছে।



সাবমিট

পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে ঢাকা-দিল্লি চুক্তি হচ্ছে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩০ এপ্রিল ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
কম সময় ও খরচে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলের জন্য কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্ট সই করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। ইতিমধ্যে দু’দেশের সচিব পর্যায়ের বৈঠকে খসড়া চুক্তিপত্রে অনুস্বাক্ষর হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে এলেই এ চুক্তিপত্র চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।

নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত নৌসচিব পর্যায়ে বৈঠকের বিষয়ে বুধবার মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। ২০ থেকে ২২ এপ্রিল নৌসচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী বলেন, কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্টের কারণে দু’দেশের পণ্য পরিবহনে সময় ও অর্থের সাশ্রয় হবে। বর্তমানে কলম্বো, সিঙ্গাপুর পোর্ট হয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ও ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আনা-নেয়া করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে এক দেশ থেকে আরেক দেশের দূরত্ব সাড়ে ৩ হাজার নটিক্যাল মাইল। কোস্টাল শিপিং এগ্রিমেন্টের পর এ দূরত্ব কমে হবে ৬২০ নটিক্যাল মাইল। কোনো পণ্য পরিবহনে আগে যেখানে ৯০ ডলার খরচ হতো এখন সেখানে ৩৫ ডলার খরচ হবে।

নৌপরিবহনমন্ত্রী জানান, দিল্লিতে সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব শফিক আলম মেহেদী ও ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন নৌসচিব রাজিব কুমার।

শাজাহান খান বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির অনুসরণে নৌ-প্রটোকল ৫ বছরের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে। ১ এপ্রিল থেকে এটি কার্যকর হবে। নৌ-প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হয় ৩১ মার্চ। নবায়নের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ‘লেটার অব এক্সচেঞ্জ’-এর মাধ্যমে পিআইডব্লিউটিটির মেয়াদ ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। নৌ-প্রটোকল ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো সই হয়। নবায়নের মাধ্যমে এর কার্যকারিতা অব্যাহত রয়েছে।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র