¦
আমলাতান্ত্রিক বাধায় বাস্তবায়ন হচ্ছে না অর্পিত সম্পত্তি আইন

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ২০ মে ২০১৫

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন বাস্তবায়নে স্বার্থান্বেষী আমলাতান্ত্রিক মহলবিশেষের নানাবিধ চক্রান্তই প্রধান বাধা হিসেবে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে অবিলম্বে এ আইন বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত। তিনি বলেন, ২০০১ সালের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন ২০১১ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ছয়বার সংশোধন করা হয়েছে। সর্বশেষ আইনটি সংসদে গৃহীত হওয়ার পর বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আইনটি কার্যকর হচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, গত দুই বছরের মধ্যে আমরা যেখানে আশা করেছিলাম ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠী ছয় দশকের অব্যাহত যন্ত্রণা থেকে চিরতরে মুক্তি পাবে, অর্পিত সম্পত্তির মালিকানা ফিরে পাবে, সে ক্ষেত্রে তা এখন সোনার হরিণে পরিণত হয়েছে। স্বার্থান্বেষী আমলাতান্ত্রিক মহলবিশেষের নানাবিধ চক্রান্ত্রে এ মুক্তি আজ এ মুহূর্তে সোনার হরিণ বলেই মনে হয়। আইনটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সদিচ্ছা থাকলেও গণবিরোধী আমলা চক্র তা নস্যাতের জন্য কুটিল ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে তিনি কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। সেগুলো হল- দ্রুত আইনটি যথাযথ বাস্তবায়ন করে ভুক্তভোগী জনগোষ্ঠীকে পরিত্রাণ দেয়া, আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাবতীয় চক্রান্ত নস্যাৎ করে উদ্ভূত সমস্যাগুলো দ্রুত নিরসন করা, ২০১৪ সালের ১৪ জুলাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা পরিপত্রে উল্লিখিত ভোগদখলকারীদের মালিকানার সমর্থনে বৈধ প্রমাণপত্র উপস্থাপনের সময় এক বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা, তফসিলভুক্ত জমির খাজনা আদায় ও নামজারির ক্ষেত্রে প্রশাসনের হয়রানি ও টালবাহানা বন্ধ করা, ভূমি অফিসসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট নানা স্তরে অব্যাহত ঘুষ-বাণিজ্য ও দুর্নীতি বন্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করা, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আবেদন নিষ্পত্তির জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালগুলো আরও সক্রিয় ও সচল করা এবং আইনে নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে তা নিষ্পত্তিতে বাধ্য করা, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের ২৬ ধারা অনুযায়ী প্রাপ্ত সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত বিধিমালা- ২০১৫ চূড়ান্তকরণের কার্যক্রম অনতিবিলম্বে বাতিল করা, ট্রাইব্যুনালের রায় ও সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে ঢালাও আপিল বন্ধ করা এবং আপিল ট্রাইব্যুনালের রায় ও ডিক্রি দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
দ্বিতীয় সংস্করণ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close