jugantor
আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ
তিন এমপির দুঃখ প্রকাশ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘনের ঘটনাকে অনিচ্ছাকৃত ভুল আখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন সরকারদলীয় তিন সংসদ সদস্য। নির্বাচন কমিশনের কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এ জবাব দেন। তারা হলেন- ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক, নাটোর-২ আসনের মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল ও বরগুনা-২ আসনের শওকত হাচানুর রহমান রিমন। ভবিষ্যতে আচরণবিধি লংঘন করবেন না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন তারা। কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিত থাকায় আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগে এ তিন সংসদ সদস্যকে শোকজ করা হয়। বুধবার তারা তিনজনই শোকজের জবাব দেন।

নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী আচরণবিধি লংঘনের দায়ে তিন সংসদ সদস্যকে শোকজ করা হয়। ইতিমধ্যে তারা শোকজের জবাবও দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এটা তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল। ভবিষ্যতে আর এমনটা হবে না বলে কমিশনকে তারা প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন।

শোকজের জবাবে নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল বলেন, ৩ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত কাজে নাটোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাই এবং জেলা প্রশাসকের সঙ্গে তার অফিসে অবস্থান করছিলাম। কাজ শেষে জেলা প্রশাসকের কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নাটোর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী উমা চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গেলে দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে ওই প্রার্থীর সঙ্গে মনোনয়নপত্র দাখিল করি, যা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল।

এ ভুলের কারণে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে না থাকার জন্য সচেষ্ট থাকব।

বরগুনা-২ আসনের শওকত হাচানুর রহমান রিমন বুধবার বিকালে কমিশনে শোকজের জবাব জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। হেলিকপ্টার নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় যাওয়া যাবে না তা আমার জানা ছিল না। অনিচ্ছাকৃত এ ভুলের জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করেছি এবং ভবিষ্যতে আর করব না বলে ইসিকে জানিয়েছি। একই ধরনের জবাব দিয়েছেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক।



সাবমিট
আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ

তিন এমপির দুঃখ প্রকাশ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
পৌরসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘনের ঘটনাকে অনিচ্ছাকৃত ভুল আখ্যা দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন সরকারদলীয় তিন সংসদ সদস্য। নির্বাচন কমিশনের কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে তারা এ জবাব দেন। তারা হলেন- ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক, নাটোর-২ আসনের মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল ও বরগুনা-২ আসনের শওকত হাচানুর রহমান রিমন। ভবিষ্যতে আচরণবিধি লংঘন করবেন না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন তারা। কমিশন সচিবালয় জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় নির্বাচনী এলাকায় উপস্থিত থাকায় আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগে এ তিন সংসদ সদস্যকে শোকজ করা হয়। বুধবার তারা তিনজনই শোকজের জবাব দেন।

নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী আচরণবিধি লংঘনের দায়ে তিন সংসদ সদস্যকে শোকজ করা হয়। ইতিমধ্যে তারা শোকজের জবাবও দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এটা তাদের অনিচ্ছাকৃত ভুল। ভবিষ্যতে আর এমনটা হবে না বলে কমিশনকে তারা প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন।

শোকজের জবাবে নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম শিমুল বলেন, ৩ ডিসেম্বর ব্যক্তিগত কাজে নাটোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাই এবং জেলা প্রশাসকের সঙ্গে তার অফিসে অবস্থান করছিলাম। কাজ শেষে জেলা প্রশাসকের কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নাটোর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী উমা চৌধুরী মনোনয়নপত্র দাখিল করতে গেলে দলীয় নেতাকর্মীদের অনুরোধে মনোনয়নপত্র দাখিলের জন্য রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে ওই প্রার্থীর সঙ্গে মনোনয়নপত্র দাখিল করি, যা আমার অনিচ্ছাকৃত ভুল।

এ ভুলের কারণে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে না থাকার জন্য সচেষ্ট থাকব।

বরগুনা-২ আসনের শওকত হাচানুর রহমান রিমন বুধবার বিকালে কমিশনে শোকজের জবাব জমা দেয়ার পর সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত ভুল ছিল। হেলিকপ্টার নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় যাওয়া যাবে না তা আমার জানা ছিল না। অনিচ্ছাকৃত এ ভুলের জন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করেছি এবং ভবিষ্যতে আর করব না বলে ইসিকে জানিয়েছি। একই ধরনের জবাব দিয়েছেন ঢাকা-২০ আসনের সংসদ সদস্য এমএ মালেক।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র