jugantor
ফ্রিডম পার্টির নেতা হত্যা
সাজা কমল ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ জোসেফের কাবিল খালাস

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

নব্বইয়ের দশকের আলোচিত তোফায়েল আহমেদ জোসেফের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ফ্রিডম পার্টির নেতা মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলার আপিলের শুনানি শেষে বুধবার এই রায় দেয়া হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তার আপিলের নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় দেন। এ মামলার আরেক আসামি কাবিল সরকারের আপিল মঞ্জুর করে তাকে খালাস দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

আপিল বিভাগে জোসেফ ও কাবিলের পক্ষে মামলা লড়েন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুব আলী, এএম আমিন উদ্দিন ও এসএম শাহাজান। রায়ের পর জোসেফের আইনজীবী আমিন উদ্দিন বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ড সংশোধন করে যাবজ্জীবন দেয়ায় এই মুহূর্তে তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।’

১৯৯৬ সালের ৭ মে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রাশিদা পারভীন পরদিন ৮ মে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় নিু আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় সে বছরের ৮ অক্টোবর। বিচার শেষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল জোসেফ ও মাসুদ জমাদারকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর আসামি আনিছ আহমেদ ও হারিজ আহমেদ ও কাবিলকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। নিু আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন জোসেফ, মাসুদ জমাদার ও কাবিল সরকার। এরপর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের করা আপিল নিষ্পত্তি করে ২০০৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে জোসেফের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে মাসুদ জমাদারকে খালাস দেয়া হয় এবং কাবিল সরকারের যাবজ্জীবন সাজার আদেশ বহাল রাখা হয়। জোসেফ এবং কাবিল আপিল করলে শুনানি শেষে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন।



সাবমিট
ফ্রিডম পার্টির নেতা হত্যা

সাজা কমল ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ জোসেফের কাবিল খালাস

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
নব্বইয়ের দশকের আলোচিত তোফায়েল আহমেদ জোসেফের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ফ্রিডম পার্টির নেতা মোস্তাফিজুর রহমান হত্যা মামলার আপিলের শুনানি শেষে বুধবার এই রায় দেয়া হয়। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে তার আপিলের নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় দেন। এ মামলার আরেক আসামি কাবিল সরকারের আপিল মঞ্জুর করে তাকে খালাস দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

আপিল বিভাগে জোসেফ ও কাবিলের পক্ষে মামলা লড়েন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, মাহবুব আলী, এএম আমিন উদ্দিন ও এসএম শাহাজান। রায়ের পর জোসেফের আইনজীবী আমিন উদ্দিন বলেন, ‘মৃত্যুদণ্ড সংশোধন করে যাবজ্জীবন দেয়ায় এই মুহূর্তে তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না।’

১৯৯৬ সালের ৭ মে মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রাশিদা পারভীন পরদিন ৮ মে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। এ মামলায় নিু আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় সে বছরের ৮ অক্টোবর। বিচার শেষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০০৪ সালের ২৫ এপ্রিল জোসেফ ও মাসুদ জমাদারকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপর আসামি আনিছ আহমেদ ও হারিজ আহমেদ ও কাবিলকে যাবজ্জীবন সাজা দেন। নিু আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন জোসেফ, মাসুদ জমাদার ও কাবিল সরকার। এরপর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) ও আসামিদের করা আপিল নিষ্পত্তি করে ২০০৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ে জোসেফের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে মাসুদ জমাদারকে খালাস দেয়া হয় এবং কাবিল সরকারের যাবজ্জীবন সাজার আদেশ বহাল রাখা হয়। জোসেফ এবং কাবিল আপিল করলে শুনানি শেষে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রায় ঘোষণা করেন।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র