jugantor
অবশেষে না’গঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে রাজউক

  নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

অবশেষে নারায়ণগঞ্জে নিজেদের বেদখল হওয়া কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধারে অভিযানে নেমেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। রাজউকের একটি টিম শহরের চাষাঢ়া এলাকার বালুর মাঠে অভিযান চালিয়ে দখলমুক্ত করেছে তাদের মালিকাধীন প্রায় ৩ একর জমি। কয়েক যুগ ধরেই ওই বিশাল জায়গাটিতে গড়ে তোলা হয়েছিল ট্যাক্সিস্ট্যান্ডসহ প্রায় অর্ধশত দোকান-পাট। বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ অভিযানে উচ্ছেদ করা হয়েছে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডসহ অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় অর্ধশত দোকান-পাট। রাজউকের ম্যাজিস্ট্রেট ইখতেখার আহমেদ চৌধুরী ও দক্ষিণ ঢাকা রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী জামাল আক্তারের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানের পর রাজউকের দখলমুক্ত জমিতে কাঁটা তারের বেড়া দেয়া হয়েছে। এদিকে পুনর্বাসন ও ট্যাক্সিস্ট্যান্ডের বিকল্প স্থানের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শত শত ট্যাক্সিচালক। তারা জানান, আমরা জানতাম এ জায়গা সাবেক নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা তথা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের। সিটি কর্পোরেশন টেন্ডার করেই আমাদের স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে দিত। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে বালুর মাঠ ও এর আশপাশে রাজউকের জায়গায় সব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে যান রাজউকের কর্মকর্তারা। এর পরপরই নগরীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে মাইক্রোস্ট্যান্ডের শ্রমিকরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের ট্যাক্সিস্ট্যান্ড রক্ষার্থে প্রয়োজনে অনশন ও ধর্মঘটে যাওয়ারও হুশিয়ারি দেন। এদিকে উচ্ছেদ অভিযানে যাতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য দুই প্লাটুন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুুুল মালেক এ সময় সেখানে উপস্থিত থেকে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে রাজউকের সদস্য যুগ্ম সচিব আবদুুল হাই জানান, নারায়ণগঞ্জে গত ৩ যুগে রাজউকের কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি বেদখল হয়ে গেছে। বিভিন্ন সময় আমরা উচ্ছেদ অভিযান ও দখলমুক্ত করার চেষ্টা করলেও রাজনৈতিক ও আদালতের মামলার কারণে সেটা সফল হয়নি। কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ রয়েছে রাজউকের সব সম্পত্তি উদ্ধার করার ব্যাপারে। বালুমাঠের জায়গাটি নিজস্ব জায়গা হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এটি অবৈধ দখলে ছিল। পূর্বে নারায়ণগঞ্জে রাজউকের কোনো আঞ্চলিক কার্যালয় না থাকায় আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিতে পারিনি। কিন্তু খুব শিগগিরই নারায়ণগঞ্জে রাজউকের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে। সে লক্ষ্যে প্রধান কার্যালয় বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে দেখছেন। রাজউকের অন্য যেসব জায়গা অবৈধ দখলে রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেগুলোও উচ্ছেদ এবং উদ্ধার করা হবে।



সাবমিট

অবশেষে না’গঞ্জে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে রাজউক

 নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
অবশেষে নারায়ণগঞ্জে নিজেদের বেদখল হওয়া কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি উদ্ধারে অভিযানে নেমেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। রাজউকের একটি টিম শহরের চাষাঢ়া এলাকার বালুর মাঠে অভিযান চালিয়ে দখলমুক্ত করেছে তাদের মালিকাধীন প্রায় ৩ একর জমি। কয়েক যুগ ধরেই ওই বিশাল জায়গাটিতে গড়ে তোলা হয়েছিল ট্যাক্সিস্ট্যান্ডসহ প্রায় অর্ধশত দোকান-পাট। বুধবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এ অভিযানে উচ্ছেদ করা হয়েছে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডসহ অবৈধভাবে গড়ে ওঠা প্রায় অর্ধশত দোকান-পাট। রাজউকের ম্যাজিস্ট্রেট ইখতেখার আহমেদ চৌধুরী ও দক্ষিণ ঢাকা রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী জামাল আক্তারের নেতৃত্বে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। উচ্ছেদ অভিযানের পর রাজউকের দখলমুক্ত জমিতে কাঁটা তারের বেড়া দেয়া হয়েছে। এদিকে পুনর্বাসন ও ট্যাক্সিস্ট্যান্ডের বিকল্প স্থানের ব্যবস্থা না করেই উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শত শত ট্যাক্সিচালক। তারা জানান, আমরা জানতাম এ জায়গা সাবেক নারায়ণগঞ্জ পৌরসভা তথা নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের। সিটি কর্পোরেশন টেন্ডার করেই আমাদের স্ট্যান্ড ব্যবহার করতে দিত। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে বালুর মাঠ ও এর আশপাশে রাজউকের জায়গায় সব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে নির্দেশ দিয়ে যান রাজউকের কর্মকর্তারা। এর পরপরই নগরীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে মাইক্রোস্ট্যান্ডের শ্রমিকরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা তাদের ট্যাক্সিস্ট্যান্ড রক্ষার্থে প্রয়োজনে অনশন ও ধর্মঘটে যাওয়ারও হুশিয়ারি দেন। এদিকে উচ্ছেদ অভিযানে যাতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে জন্য দুই প্লাটুন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুুুল মালেক এ সময় সেখানে উপস্থিত থেকে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে রাজউকের সদস্য যুগ্ম সচিব আবদুুল হাই জানান, নারায়ণগঞ্জে গত ৩ যুগে রাজউকের কয়েকশ কোটি টাকার সম্পত্তি বেদখল হয়ে গেছে। বিভিন্ন সময় আমরা উচ্ছেদ অভিযান ও দখলমুক্ত করার চেষ্টা করলেও রাজনৈতিক ও আদালতের মামলার কারণে সেটা সফল হয়নি। কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশ রয়েছে রাজউকের সব সম্পত্তি উদ্ধার করার ব্যাপারে। বালুমাঠের জায়গাটি নিজস্ব জায়গা হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এটি অবৈধ দখলে ছিল। পূর্বে নারায়ণগঞ্জে রাজউকের কোনো আঞ্চলিক কার্যালয় না থাকায় আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিতে পারিনি। কিন্তু খুব শিগগিরই নারায়ণগঞ্জে রাজউকের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করা হবে। সে লক্ষ্যে প্রধান কার্যালয় বিষয়টিকে গুরুত্বসহকারে দেখছেন। রাজউকের অন্য যেসব জায়গা অবৈধ দখলে রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেগুলোও উচ্ছেদ এবং উদ্ধার করা হবে।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র