jugantor
শ্রীপুরে অপারেশনের ৫ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

সিজারিয়ান অপারেশনের ৫ দিন পর এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। প্রসূতির নাম কামরুন্নাহার (২৪)। সে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের গোদারচালা গ্রামের আলমগীরের স্ত্রী। প্রসূতিকে ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার মাওনা চৌরাস্তা নিউ পদ্মা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে অপারেশন করা হয়। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের পিস্তল প্রদর্শন করে হাসপাতালের ভেতর প্রবেশ না করার হুমকি প্রদান করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক পরিচয়দানকারী জানে আলম নামে ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের হুমকি দেয়। নিহত গৃহবধূর স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ৪ ডিসেম্বর নিউ পদ্মা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে প্রসূতিকে ভর্তি করা হয়। ওইদিন দুপুর ১২টায় তাকে অজ্ঞান করে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। এরপর থেকে তার জ্ঞান ফিরেনি। জ্ঞান না ফেরায় ৬ ডিসেম্বর প্রসূতির স্বজনরা প্রসূতিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে ৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার তাকে উত্তরা সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল ১০টার দিকে প্রসূতির মৃত্যু হয়। এনেসথেসিস্ট ডা. ইমরুল কায়সার প্রসূতিকে অজ্ঞান করেন। তিনি ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ইসলাম শাওন প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এরপর থেকে প্রসূতির জ্ঞান ফিরেনি। এনেসথেসিস্ট ডা. ইমরুল কায়সার প্রসূতির জ্ঞান ফিরে না আসার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কেন জ্ঞান ফিরেনি তার ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। হাসপাতালের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, অপারেশনের পর রোগী হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে। এদিকে, স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। সেখানে ডায়াগনস্টিকের পরিচালক পরিচয়দানকারী জানে আলম সাংবাদিকদের প্রবেশে পিস্তল প্রদর্শন করে বাধা দেন।



সাবমিট

শ্রীপুরে অপারেশনের ৫ দিন পর প্রসূতির মৃত্যু

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
সিজারিয়ান অপারেশনের ৫ দিন পর এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। প্রসূতির নাম কামরুন্নাহার (২৪)। সে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের গোদারচালা গ্রামের আলমগীরের স্ত্রী। প্রসূতিকে ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার গাজীপুরের শ্রীপুর পৌর এলাকার মাওনা চৌরাস্তা নিউ পদ্মা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে অপারেশন করা হয়। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের পিস্তল প্রদর্শন করে হাসপাতালের ভেতর প্রবেশ না করার হুমকি প্রদান করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক পরিচয়দানকারী জানে আলম নামে ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের হুমকি দেয়। নিহত গৃহবধূর স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য ৪ ডিসেম্বর নিউ পদ্মা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়গনস্টিক সেন্টারে প্রসূতিকে ভর্তি করা হয়। ওইদিন দুপুর ১২টায় তাকে অজ্ঞান করে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। এরপর থেকে তার জ্ঞান ফিরেনি। জ্ঞান না ফেরায় ৬ ডিসেম্বর প্রসূতির স্বজনরা প্রসূতিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। পরে ৮ ডিসেম্বর মঙ্গলবার তাকে উত্তরা সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল ১০টার দিকে প্রসূতির মৃত্যু হয়। এনেসথেসিস্ট ডা. ইমরুল কায়সার প্রসূতিকে অজ্ঞান করেন। তিনি ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার। ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক ডা. ফারজানা ইসলাম শাওন প্রসূতির সিজারিয়ান অপারেশন করেন। এরপর থেকে প্রসূতির জ্ঞান ফিরেনি। এনেসথেসিস্ট ডা. ইমরুল কায়সার প্রসূতির জ্ঞান ফিরে না আসার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কেন জ্ঞান ফিরেনি তার ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। হাসপাতালের পরিচালক রফিকুল ইসলাম জানান, অপারেশনের পর রোগী হার্ট অ্যাটাকে মারা গেছে। এদিকে, স্থানীয় কয়েকজন সাংবাদিক এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান। সেখানে ডায়াগনস্টিকের পরিচালক পরিচয়দানকারী জানে আলম সাংবাদিকদের প্রবেশে পিস্তল প্রদর্শন করে বাধা দেন।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র