jugantor
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ শুরু আজ
ব্যবহারে সংযমী হতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

তিনদিনব্যাপী জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ আজ শুরু হচ্ছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দেশের জনগণকে অবহিত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংযমী ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টিই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সবাইকে সংযমী ও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০২১ সালে ২৪ হাজার মেগাওয়াটে দাঁড়াবে। ২০৩০ সালে উৎপাদন হবে ৪০ হাজার মেগাওয়াট। এ খাতে আরও উন্নয়নে ব্যাপক অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন। বাণীতে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৯৬-এর সরকারের সময় পাওয়ার সেল গঠন এবং বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন নীতিমালা প্রণয়নসহ এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমরাই বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করি। গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা নানামুখী পদক্ষেপ নিই। ৩টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করি। কিন্তু পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত জোট উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা আর ধরে রাখেনি বরং আমাদের রেখে যাওয়া ৪৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে ৩২০০ মেগাওয়াটে নিয়ে আসে।’

বিদ্যুৎ-জ্বালানিকে উন্নয়নের চালিকা শক্তি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭২ সালের ১ মে প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার (পিও-৫৯) জারির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৭০০ মেগাওয়াট থেকে ১৪৬০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়। পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট শেল অয়েল কোম্পানির মালিকানাধীন তিতাস, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলা, রশিদপুর ও বাখরাবাদ গ্যাস ক্ষেত্র মাত্র ১ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকায় ক্রয় করেন- যা ছিল এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৫ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।



সাবমিট
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ শুরু আজ

ব্যবহারে সংযমী হতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
তিনদিনব্যাপী জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ আজ শুরু হচ্ছে। এ খাতের উন্নয়নে সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দেশের জনগণকে অবহিত করা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সংযমী ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টিই এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সবাইকে সংযমী ও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সবার দায়িত্ব। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০২১ সালে ২৪ হাজার মেগাওয়াটে দাঁড়াবে। ২০৩০ সালে উৎপাদন হবে ৪০ হাজার মেগাওয়াট। এ খাতে আরও উন্নয়নে ব্যাপক অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন। বাণীতে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের গ্রাহক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৯৬-এর সরকারের সময় পাওয়ার সেল গঠন এবং বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন নীতিমালা প্রণয়নসহ এ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হয়। আমরাই বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪৩০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করি। গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে আমরা নানামুখী পদক্ষেপ নিই। ৩টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করি। কিন্তু পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত জোট উন্নয়নের এ ধারাবাহিকতা আর ধরে রাখেনি বরং আমাদের রেখে যাওয়া ৪৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে ৩২০০ মেগাওয়াটে নিয়ে আসে।’

বিদ্যুৎ-জ্বালানিকে উন্নয়নের চালিকা শক্তি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭২ সালের ১ মে প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার (পিও-৫৯) জারির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরে বিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা ৭০০ মেগাওয়াট থেকে ১৪৬০ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়। পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের ৯ আগস্ট শেল অয়েল কোম্পানির মালিকানাধীন তিতাস, হবিগঞ্জ, কৈলাসটিলা, রশিদপুর ও বাখরাবাদ গ্যাস ক্ষেত্র মাত্র ১ হাজার ৭৮৬ কোটি টাকায় ক্রয় করেন- যা ছিল এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সপ্তাহ-২০১৫ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র