¦
বিএনপির অভিযোগের সত্যতা পায়নি তদন্ত কমিটি

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০১৫

নোয়াখালীর চাটখিল পৌরসভা নির্বাচনে জোর করে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পায়নি নির্বাচন কমিশন গঠিত তদন্ত কমিটি। কমিশনের আইন শাখার উপসচিব মো. মহসীনুল হকের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থলে গিয়ে সার্বিক বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে এ রিপোর্ট দিয়েছে। জানা গেছে, তদন্তকালে বিএনপির প্রার্থী মোস্তফা কামাল ও প্রার্থীর পক্ষে আমমোক্তার মাহাবুব উদ্দিন খোকন দু’জনের কাউকেই তদন্তের সময় পাওয়া যায়নি। তবে প্রার্থীর ভাই পরিচয়ে একজন এসে তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছেন প্রার্থী নিজেই স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করেছেন। কমিটি অন্যান্য মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে একই ধরনের তথ্য পেয়েছেন। এর আগে জোর করে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা হয়েছে এমন অভিযোগ তুলে ১৪ ডিসেম্বরে বিএনপির প্রার্থী কমিশনে অভিযোগ করেন। পরে ওইদিনই কমিশন এ বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করে দেয়।
দাউদকান্দি পৌরসভার স্বামী-স্ত্রী মেয়র প্রার্থীদের খুঁজছে কমিশন : উচ্চ আদালতে প্রার্থিতা ফেরত পাওয়া দাউদকান্দির দুই স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীকে খুঁজছে নির্বাচন কমিশন। তারা হচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান মিয়া ও তার স্ত্রী নাজমা আক্তার। আদালত অবমাননার দায় এড়াতে কমিশন মনোনয়নপত্র গ্রহণ করার জন্য তাদের খুঁজছে। এদিকে আদালতে রায় পেলেও দল থেকে বহিষ্কারের ভয়ে তারা মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। কমিশন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দলীয় মনোনয়নে ব্যর্থ হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শাহজাহান মিয়া ও তার স্ত্রী নাজমা আক্তার দু’জনই মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন ৩ ডিসেম্বর মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার প্রস্তুতি নেন। তারা দু’জনই ৩ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা ২ মিনিটে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে সময় পার হয়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে রিটার্নিং অফিসার সেটা গ্রহণ করেননি। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর লোকজনের বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দেয়ায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে যেতে পারেননি বলে জানান। এ বিষয়ে তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগও করেন। পরে তারা উচ্চ আদালতে গেলে আদালত তাদের মনোনয়নপত্র গ্রহণের নির্দেশ দেন। আদালত প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনের সচিব, নির্বাচন কমিশনের উপসচিব, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক, দাউদকান্দি উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে এ আদেশ বাস্তবায়নেরও নির্দেশনা দেন। সেই আলোকে কমিশন ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের মনোনয়নপত্র জমা নেয়ার সময় বেঁধে দেয়। তবে এ সময়ের মধ্যে দুই প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি। এদিকে আদালতের রায়ে মনোনয়নপত্র গ্রহণের সময় উল্লেখ না থাকায় কমিশন কতটা সময় দেবে সেটা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তিতে পড়েছে।
দ্বিতীয় সংস্করণ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close