jugantor
ম্যাচ-ফিক্সিং তদন্ত বিপিএল বন্ধ করার ষড়যন্ত্র’

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

২৭ মে ২০১৩, ০০:০০:০০  | 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের সঙ্গে অনেক ক্রিকেটার জড়িত বলে প্রশ্ন উঠছে। আইসিসি’র দুর্নীতি দমন কমিশন আকসু ঢাকায় আসার পর থেকে বিপিএলে ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মোহাম্মদ আশরাফুলের নাম। কারণ ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের যে দুটি ম্যাচে-ফিক্সিংয়ের সন্দেহ করা হচ্ছে ওই দুটি ম্যাচেই অধিনায়ক ছিলেন আশরাফুল। আইসিসি’র রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত আপাতত ফিক্সিংয়ের বিষয় কিছু নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। তবে ফিক্সিংয়ের অভিযোগকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মনে করছেন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মালিক সেলিম চৌধুরী। রোববার তিনি বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার তিন মাস পর হঠাৎ করে কেন এর তদন্ত হচ্ছে? বিষয়টি আমি বুঝে উঠতে পারছি না। তাছাড়া এবার তো বিপিএলের শুরু থেকেই আকসুর কর্মকর্তারা প্রতিটি ম্যাচেই ছিলেন। তখন তারা এ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তোলেননি। কিন্তু কয়েক দিন আগে আইপিএলের ম্যাচ-ফিক্সিং নিয়ে সমালোচনা শুরুর পর এটা নিয়ে কথা উঠছে। আমার মনে হচ্ছে, এটা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। যাতে বিপিএলের আসরটা বন্ধ হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকার ক্রিকেটকেও বন্ধ করার গভীর ষড়যন্ত্র।’ ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মালিকের কথার সঙ্গে একমত চিটাগাং কিংসের মালিক সামির কাদের চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিপিএলের প্রথম আসরে এক বুকিকে গ্রেফতারের পর এ নিয়ে আমাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এবার তাই আমরা সবাইকেই আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলেছিলাম। হঠাৎ করে এই তদন্তের পেছনে বাইরের হাত রয়েছে কিনা, এই বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকেই (বিসিবি) খতিয়ে দেখতে হবে।’

এদিকে বিপিএলে ম্যাচ-ফিক্সিং নজরদারিতে দুই কোটি টাকায় নিয়োগ দেয়া হয়েছিল আকসুকে। টুর্নামেন্ট শেষে তাদের দেয়া প্রতিবেদনে বিপিএলের কোন ম্যাচ নিয়েই ওই সময় সন্দেহ প্রকাশ করা হয়নি। অথচ ২ ফেব্র“য়ারি ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স-চিটাগাং কিংস এবং ১২ ফেব্র“য়ারি ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স-বরিশাল বার্নার্স ম্যাচ নিয়ে গত দুই মাস ধরেই তদন্ত করে চলেছে আকসু। যদিও বিষয়টি এতদিন নিজেদের মাঝেই চেপে রেখেছিলেন সন্দেহভাজন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও চিটাগাং কিংসের ক্রিকেটার-কোচ-কর্মকর্তারা। বিসিবিও চেপে গিয়েছিল।

সাবমিট

ম্যাচ-ফিক্সিং তদন্ত বিপিএল বন্ধ করার ষড়যন্ত্র’

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
২৭ মে ২০১৩, ১২:০০ এএম  | 
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের সঙ্গে অনেক ক্রিকেটার জড়িত বলে প্রশ্ন উঠছে। আইসিসি’র দুর্নীতি দমন কমিশন আকসু ঢাকায় আসার পর থেকে বিপিএলে ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের ঘটনা নতুন মোড় নিয়েছে। ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত আছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শোনা যাচ্ছে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মোহাম্মদ আশরাফুলের নাম। কারণ ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের যে দুটি ম্যাচে-ফিক্সিংয়ের সন্দেহ করা হচ্ছে ওই দুটি ম্যাচেই অধিনায়ক ছিলেন আশরাফুল। আইসিসি’র রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত আপাতত ফিক্সিংয়ের বিষয় কিছু নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। তবে ফিক্সিংয়ের অভিযোগকে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মনে করছেন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মালিক সেলিম চৌধুরী। রোববার তিনি বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার তিন মাস পর হঠাৎ করে কেন এর তদন্ত হচ্ছে? বিষয়টি আমি বুঝে উঠতে পারছি না। তাছাড়া এবার তো বিপিএলের শুরু থেকেই আকসুর কর্মকর্তারা প্রতিটি ম্যাচেই ছিলেন। তখন তারা এ সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তোলেননি। কিন্তু কয়েক দিন আগে আইপিএলের ম্যাচ-ফিক্সিং নিয়ে সমালোচনা শুরুর পর এটা নিয়ে কথা উঠছে। আমার মনে হচ্ছে, এটা আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। যাতে বিপিএলের আসরটা বন্ধ হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকার ক্রিকেটকেও বন্ধ করার গভীর ষড়যন্ত্র।’ ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের মালিকের কথার সঙ্গে একমত চিটাগাং কিংসের মালিক সামির কাদের চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বিপিএলের প্রথম আসরে এক বুকিকে গ্রেফতারের পর এ নিয়ে আমাকে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এবার তাই আমরা সবাইকেই আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলেছিলাম। হঠাৎ করে এই তদন্তের পেছনে বাইরের হাত রয়েছে কিনা, এই বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকেই (বিসিবি) খতিয়ে দেখতে হবে।’

এদিকে বিপিএলে ম্যাচ-ফিক্সিং নজরদারিতে দুই কোটি টাকায় নিয়োগ দেয়া হয়েছিল আকসুকে। টুর্নামেন্ট শেষে তাদের দেয়া প্রতিবেদনে বিপিএলের কোন ম্যাচ নিয়েই ওই সময় সন্দেহ প্রকাশ করা হয়নি। অথচ ২ ফেব্র“য়ারি ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স-চিটাগাং কিংস এবং ১২ ফেব্র“য়ারি ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স-বরিশাল বার্নার্স ম্যাচ নিয়ে গত দুই মাস ধরেই তদন্ত করে চলেছে আকসু। যদিও বিষয়টি এতদিন নিজেদের মাঝেই চেপে রেখেছিলেন সন্দেহভাজন ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স ও চিটাগাং কিংসের ক্রিকেটার-কোচ-কর্মকর্তারা। বিসিবিও চেপে গিয়েছিল।

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র