jugantor
ফুটবলের জলসায় উৎসবের নগরী রাজশাহী
পরিবার-পরিজন নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা। বাদ যায়নি শিশুরাও

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৮ অক্টোবর ২০১৪, ০০:০০:০০  | 

ক্রীড়াভূমি রাজশাহীতে নেমেছিল ফুটবলপ্রেমীদের ঢল। সোমবার বাংলাদেশ-শ্রীলংকা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে দর্শকের ঢল নামে। দুপুর ১২টায় দর্শকদের জন্য খুলে দেয়া হয় গ্যালারি। ম্যাচ শুরুর আগেই কানায় কানায় ভরে যায়। স্টেডিয়ামের ভেতরে জায়গা না পেয়ে বহু দর্শক আশপাশে বিভিন্ন বাড়ির ছাদে ও গাছে ওঠেন। কয়েকদিন আগে টিকিট বিক্রি শুরু হলেও দর্শকরা চাহিদা মতো টিকিট পাননি। আশপাশে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক দর্শক খেলা দেখেতে আসেন।

১৫ বছর পর রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হওয়ায় দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। খেলার শেষের দিকে স্টেডিয়ামের মূল গেট খুলে দেয়া হয়। ভেতরে দর্শকদের জায়গা না হওয়ায় ফের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। কালেভদ্রে যে দুই-একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার বেশির ভাগই অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। সে দিক থেকে বরাবরই বঞ্চিত হয় রাজধানীর বাইরের শহরগুলো। এবার ঘুচেছে সেই আক্ষেপ। যশোরের পর আন্তর্জাতিক ম্যাচের ছোঁয়া পেল রাজশাহীবাসী। সেই স্পর্শ সুখøাত ১-০ গোলের জয়ে। পরিবার-পরিজন নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা। বাদ যায়নি শিশুরাও।

স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে গালে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা এঁকে নিজেদের রাঙান দর্শকরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগুলো এঁকে দেন। নেয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার তানভীর হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। মাঠে ও গ্যালারিতে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় ছিলেন।’ রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে প্রায় ২২ হাজার দর্শক বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচ উপভোগ করেছেন বলে জানান আয়োজকরা।


 

সাবমিট

ফুটবলের জলসায় উৎসবের নগরী রাজশাহী

পরিবার-পরিজন নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা। বাদ যায়নি শিশুরাও
 রাজশাহী ব্যুরো 
২৮ অক্টোবর ২০১৪, ১২:০০ এএম  | 

ক্রীড়াভূমি রাজশাহীতে নেমেছিল ফুটবলপ্রেমীদের ঢল। সোমবার বাংলাদেশ-শ্রীলংকা প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে দর্শকের ঢল নামে। দুপুর ১২টায় দর্শকদের জন্য খুলে দেয়া হয় গ্যালারি। ম্যাচ শুরুর আগেই কানায় কানায় ভরে যায়। স্টেডিয়ামের ভেতরে জায়গা না পেয়ে বহু দর্শক আশপাশে বিভিন্ন বাড়ির ছাদে ও গাছে ওঠেন। কয়েকদিন আগে টিকিট বিক্রি শুরু হলেও দর্শকরা চাহিদা মতো টিকিট পাননি। আশপাশে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকেও বিপুলসংখ্যক দর্শক খেলা দেখেতে আসেন।

১৫ বছর পর রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ হওয়ায় দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। খেলার শেষের দিকে স্টেডিয়ামের মূল গেট খুলে দেয়া হয়। ভেতরে দর্শকদের জায়গা না হওয়ায় ফের গেট বন্ধ করে দেয়া হয়। কালেভদ্রে যে দুই-একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) তার বেশির ভাগই অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। সে দিক থেকে বরাবরই বঞ্চিত হয় রাজধানীর বাইরের শহরগুলো। এবার ঘুচেছে সেই আক্ষেপ। যশোরের পর আন্তর্জাতিক ম্যাচের ছোঁয়া পেল রাজশাহীবাসী। সেই স্পর্শ সুখøাত ১-০ গোলের জয়ে। পরিবার-পরিজন নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন ফুটবলপ্রেমীরা। বাদ যায়নি শিশুরাও।

স্টেডিয়ামে প্রবেশের আগে গালে লাল-সবুজের জাতীয় পতাকা এঁকে নিজেদের রাঙান দর্শকরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগুলো এঁকে দেন। নেয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার তানভীর হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। মাঠে ও গ্যালারিতে পুলিশ সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় ছিলেন।’ রাজশাহীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে প্রায় ২২ হাজার দর্শক বাংলাদেশ-শ্রীলংকা ম্যাচ উপভোগ করেছেন বলে জানান আয়োজকরা।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র