jugantor
ভোলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাব ফাইলবন্দি

  অমিতাভ অপু, ভোলা থেকে  

০১ নভেম্বর ২০১৪, ০০:০০:০০  | 

ভোলা জেলা শহরকে তিলোত্তমা শহরে পরিণত করা হচ্ছে। আকৃষ্ট হচ্ছেন পর্যটকরা। এদিকে পৌর মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের আয়োজনে মেয়র ফুটবল লীগ, ক্রিকেট গোল্ডকাপ আলোড়ন তোলে। অথচ গজনবী স্টেডিয়ামে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। আন্তর্জাতিকমানের স্টেডিয়াম গড়ার প্রস্তাবনা ফাইলবন্দি। লালমোহন মেজর হাফিজ স্টেডিয়াম রয়েছে নামে। বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন ও মনপুরায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি থাকলেও স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কোনো উদ্যোগ নেই। জেলার গজনবী স্টেডিয়ামের সংস্কার হয়নি গত ৩০ বছরে। ১৯৬২ সালে প্রথম স্টেডিয়ামের জন্য মাঠ বরাদ্দ দেয়া হয়। আশির দশকে ভোলার সন্তান, জাতীয় দলের সেরা খেলোয়াড় এসএম গজনবীর নামে গড়ে ওঠে স্টেডিয়াম। টানা ১৫ বছর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা ইয়ারুল আলম লিটন জানান, ভোলার ক্রীড়ার মান বাড়ানোর জন্য তারা প্রতিনিয়ত কাজ করলেও আতংকের মধ্যে থাকেন গ্যালারি ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটবে কখন। অথচ এখানে গড়ে উঠতে পারে আন্তর্জাতিকমানের স্টেডিয়াম। দ্বীপ জেলা ভোলায় আন্তর্জাতিক খেলা চালানোর দক্ষতা ও পরিবেশ রয়েছে। প্রয়োজন শুধু আধুনিক স্টেডিয়ামের। ১৮ হাজার দর্শকের জন্য গ্যালারি নির্মাণের প্রস্তাবনা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রতি বছর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপসহ নানা টুর্নামেন্ট ও লীগে দেশ-বিদেশের সেরা খেলোয়াড়রা খেলছেন। এতে স্থানীয় খেলার মান বাড়ছে। তবে পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ক্রীড়া সংস্থাকে আর্থিক সংকটে থাকতে হচ্ছে।

দৌলতখান গজনবী স্টেডিয়াম স্বাধীনতার পর গড়ে উঠলেও সীমানা প্রাচীরের তিন ভাগ ধসে গেছে। কোনো লীগ ও টুর্নামেন্ট হওয়ার খবর কারও জানা নেই। ক্রীড়া সংস্থা আছে নামে। সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হামিদুর রহমান টিপু । লালমোহন মেজর হাফিজ বীর বিক্রম স্টেডিয়ামের জন্য জমি বরাদ্দ নিয়ে প্রথম দিকেই নানা অভিযোগ ওঠে। বিএনপি নেতা মেজর হাফিজের ক্ষমতার আমলে ’৯২-৯৩ সালে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হলেও কয়েক দফা লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও উন্নয়ন হয়নি কিছুই। অবকাঠামো বলতে কিছুই নেই। ওই মাঠে খেলাও হয় না। ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক শাহ মো. জাহিদুল ইসলাম নবীন অবশ্য স্বীকার করেন, মেজর হাফিজ তার ক্ষমতার ২৪ বছরে নিজ নামের ওই স্টেডিয়ামটির জন্য বরাদ্দ নিয়েছেন। কিন্তু কাজ করাননি। বর্তমানে ওই কারণে উন্নয়ন হচ্ছে না। চরফ্যাশন স্টেডিয়ামে খেলার উপযোগী মাঠ রয়েছে। বর্তমান বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব তার বাবার নামে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম গোল্ডকাপ ফুটবল লীগ আয়োজন করেন। ঢাকার খেলোয়াড়রা এখানে খেলতে আসেন। ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক আবুল ফুহাদ আরও গ্যালারি নির্মাণের দাবি জানান। (আগামীকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া)



সাবমিট

ভোলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাব ফাইলবন্দি

 অমিতাভ অপু, ভোলা থেকে 
০১ নভেম্বর ২০১৪, ১২:০০ এএম  | 
ভোলা জেলা শহরকে তিলোত্তমা শহরে পরিণত করা হচ্ছে। আকৃষ্ট হচ্ছেন পর্যটকরা। এদিকে পৌর মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের আয়োজনে মেয়র ফুটবল লীগ, ক্রিকেট গোল্ডকাপ আলোড়ন তোলে। অথচ গজনবী স্টেডিয়ামে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। আন্তর্জাতিকমানের স্টেডিয়াম গড়ার প্রস্তাবনা ফাইলবন্দি। লালমোহন মেজর হাফিজ স্টেডিয়াম রয়েছে নামে। বোরহানউদ্দিন, তজুমদ্দিন ও মনপুরায় ক্রীড়া সংস্থার কমিটি থাকলেও স্টেডিয়াম গড়ে তোলার কোনো উদ্যোগ নেই। জেলার গজনবী স্টেডিয়ামের সংস্কার হয়নি গত ৩০ বছরে। ১৯৬২ সালে প্রথম স্টেডিয়ামের জন্য মাঠ বরাদ্দ দেয়া হয়। আশির দশকে ভোলার সন্তান, জাতীয় দলের সেরা খেলোয়াড় এসএম গজনবীর নামে গড়ে ওঠে স্টেডিয়াম। টানা ১৫ বছর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের দায়িত্বে থাকা ইয়ারুল আলম লিটন জানান, ভোলার ক্রীড়ার মান বাড়ানোর জন্য তারা প্রতিনিয়ত কাজ করলেও আতংকের মধ্যে থাকেন গ্যালারি ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটবে কখন। অথচ এখানে গড়ে উঠতে পারে আন্তর্জাতিকমানের স্টেডিয়াম। দ্বীপ জেলা ভোলায় আন্তর্জাতিক খেলা চালানোর দক্ষতা ও পরিবেশ রয়েছে। প্রয়োজন শুধু আধুনিক স্টেডিয়ামের। ১৮ হাজার দর্শকের জন্য গ্যালারি নির্মাণের প্রস্তাবনা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রতি বছর জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপসহ নানা টুর্নামেন্ট ও লীগে দেশ-বিদেশের সেরা খেলোয়াড়রা খেলছেন। এতে স্থানীয় খেলার মান বাড়ছে। তবে পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ক্রীড়া সংস্থাকে আর্থিক সংকটে থাকতে হচ্ছে।

দৌলতখান গজনবী স্টেডিয়াম স্বাধীনতার পর গড়ে উঠলেও সীমানা প্রাচীরের তিন ভাগ ধসে গেছে। কোনো লীগ ও টুর্নামেন্ট হওয়ার খবর কারও জানা নেই। ক্রীড়া সংস্থা আছে নামে। সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হামিদুর রহমান টিপু । লালমোহন মেজর হাফিজ বীর বিক্রম স্টেডিয়ামের জন্য জমি বরাদ্দ নিয়ে প্রথম দিকেই নানা অভিযোগ ওঠে। বিএনপি নেতা মেজর হাফিজের ক্ষমতার আমলে ’৯২-৯৩ সালে স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ শুরু হলেও কয়েক দফা লাখ লাখ টাকা বরাদ্দ দিলেও উন্নয়ন হয়নি কিছুই। অবকাঠামো বলতে কিছুই নেই। ওই মাঠে খেলাও হয় না। ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক শাহ মো. জাহিদুল ইসলাম নবীন অবশ্য স্বীকার করেন, মেজর হাফিজ তার ক্ষমতার ২৪ বছরে নিজ নামের ওই স্টেডিয়ামটির জন্য বরাদ্দ নিয়েছেন। কিন্তু কাজ করাননি। বর্তমানে ওই কারণে উন্নয়ন হচ্ছে না। চরফ্যাশন স্টেডিয়ামে খেলার উপযোগী মাঠ রয়েছে। বর্তমান বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব তার বাবার নামে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম গোল্ডকাপ ফুটবল লীগ আয়োজন করেন। ঢাকার খেলোয়াড়রা এখানে খেলতে আসেন। ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক আবুল ফুহাদ আরও গ্যালারি নির্মাণের দাবি জানান। (আগামীকাল ব্রাহ্মণবাড়িয়া)



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র