¦
উশু অ্যাসোসিয়েশনে পদত্যাগ-নাটক!

স্পোর্টস রিপোর্টার | প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৫

আগের দিন কোষাধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুস পদত্যাগ করেছেন। এবার সাধারণ সম্পাদক দিল মোহাম্মদ রুস্তম ওরফে ডিএম রুস্তম পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। বিশৃংখল অবস্থা বাংলাদেশ উশু অ্যাসোসিয়েশনে। গত বছরের এপ্রিলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ শামীম খান টিটুকে সভাপতি ও ডিএম রুস্তমকে সাধারণ সম্পাদক করে উশু অ্যাসোসিয়েশনের ২১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করে। কমিটি গঠনের পর রুস্তমের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। দেশের স্বীকৃত উশু সংগঠকরা নিজেদের গুটিয়ে রাখেন। অ্যাডহক কমিটির অধীনে প্রায় এক বছর ভালোই চলছিল উশুর কার্যক্রম। হঠাৎ করেই অশান্ত হয়ে ওঠে সংগঠনটি। কর্মকর্তাদের মধ্যে বিভেদের কারণে উশু অ্যাসোসিয়েশনে এই অশান্ত পরিবেশ। যার জের ধরে বৃহস্পতিবার অনিয়মের অভিযোগ তুলে পদত্যাগ করেন কোষাধ্যক্ষ আবদুল কুদ্দুস।
শুক্রবার জানা গেল, সাধারণ সম্পাদকও পদত্যাগপত্র হাতে নিয়ে ঘুরছেন। সভাপতি ঢাকায় না থাকায় তা জমা দিতে পারছেন না রুস্তম। এ বিষয়ে শামীম খান টিটু মুঠোফোনে বলেন, এখন পর্যন্ত আমি কারও পদত্যাগপত্র হাতে পাইনি। তাই বলতে পারছি না কারা কারা পদত্যাগ করতে চাইছেন। তবে এটুকু বলতে পারি, উশুর অশান্ত পরিবেশ সম্পর্কে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার অবহিত হয়েছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে অ্যাসোসিয়েশনকে ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছেন। ধারণা করছি, শিগগিরই উশুতে নতুন কমিটি আসবে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সাধারণ সম্পাদকের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না অ্যাডহক কমিটির কর্মকর্তারা। তারা নতুন সাধারণ সম্পাদকের খোঁজে রয়েছেন। এই পদে তাদের পছন্দ আলমগীর শাহকে। সূত্র জানায়, ১৯৯৮ ও ৯৯ সালে রাজধানীর উত্তর শাহজাহানপুরে পীর পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ আলমগীর শাহর। ওই সময় তিনি সাধারণ মানুষকে পানি পড়া, তাবিজ ইত্যাদি দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেন- যা পরে দেশের বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশ পায়।
এদিকে অপর একটি সূত্রে জানা যায়, আলমগীর শাহ ছাড়াও উশু
অ্যাসোসিয়েশনের নতুন সাধারণ সম্পাদক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ২০১০ ঢাকা এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী খেলোয়াড় ও বর্তমানে কোচ মেজবাহ উদ্দিনের। যদিও ওই গেমসে তার পদকজয় বিতর্কিত ছিল বলেই অনেকে মনে করেন। সাধারণ সম্পাদক ডিএম রুস্তমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান পরিবেশ কাজের অনুকূল নয়। তাই আমার মতো সাংগঠনিক একজন লোকের এখানে থাকা সম্ভব নয়। আমি চাই কাজ। কাজই যদি না থাকে তাহলে সাধারণ সম্পাদক হয়ে লাভ কি? তিনি বলেন, সভাপতি ঢাকায় নেই। তিনি এলে আমি আমার সিদ্ধান্ত তাকে জানাব।
খেলা পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close