jugantor
ঢাকা-সিলেটের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

শেষ চারের চতুর্থ দলের দৌড়ে লড়াইটা এখন ঢাকা ডায়নামাইটস ও সিলেট সুপার স্টারসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আজ শেষ ম্যাচে ঢাকার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী বরিশাল বুলস। সিলেটের সাক্ষাৎ হবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঙ্গে। সমীকরণে ঢাকা এখনও অনেকটা এগিয়ে। আজ হারলেও শেষ চারের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। জিতলে আর কোনো সমীকরণের সাহায্য লাগবে না। সিলেট জিতলেও তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে ঢাকার হারের দিকে। গ্র“পপর্বের শেষদিনে তাই হিসাব বলছে, হয় সাঙ্গাকারা, না হয় আফ্রিদি থাকবেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল)। সমান নয় ম্যাচ শেষে ঢাকার ৮ ও সিলেটের পয়েন্ট ৬। ঢাকার আইকন খেলোয়াড় নাসির হোসেন অবশ্য কোনো সমীকরণে যেতে অনিচ্ছুক। জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না ঢাকা।

কাল ম্যাচ শেষে নাসির বলেন, ‘আমি জানি না আগামীকাল অন্য কার খেলা আছে। শুধু জানি, আগামীকাল (আজ) আমাদের খেলা। বরিশালের সঙ্গে। এটুকুই জানি, বরিশালের সঙ্গে জিতলে আমরা কোয়ালিফাই করব। অন্য কে হারছে, কে জিতছে- এসব নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।’ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) রানই হচ্ছে না। ১০০-র নিচে অলআউট হওয়া যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাল ১৫৭ করেও জিততে পারেনি ঢাকা। নাসির বলেন, ‘আজ (কাল) উইকেট ভালো ছিল। আমরাও বুঝেছিলাম, সহজে আমরা জিততে পারব না। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল শুরুটা ভালো করা। খুব একটা ভালো আবার খুব একটা খারাপও করিনি। ৮-১৪ ওভার পর্যন্ত একটু বাজে বোলিং করেছি।’

জয়ের জন্য শেষ ওভারে সিলেটের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। শেষ ওভারটা করেন ফরহাদ রেজা। নাসিরের পরামর্শেই ফরহাদের হাতে বল তুলে দেন সাঙ্গাকারা। নাসির জানান, ‘সাঙ্গাকারা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল ইয়াসির শাহ করবে না ফরহাদ করবে। আমি বলেছি ফরহাদ ভাইয়ের কথা। ইয়াসির শাহকে না করানোর কারণ সোহেল তানভীর ছিল, আফ্রিদি ছিল। আফ্রিদি স্পিন ভালো খেলে। ফরহাদ ভাই শেষ ওভার খারাপ করেনি।’ জাতীয় দলেও নাসিরের জায়গাটা ছয়-সাতে। এ সময়ে দ্রুত রান তুলতে হয়। এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান জানালেন নিজের সীমবদ্ধতার কথা। তিনি বলেন, ‘চেষ্টা করি রান করার জন্য। আমি তো ওইরকম বিগ হিটার না যে, নামব আর ধুমধাম ছয় মারব। আমারও একটু সময় দরকার হয় ব্যাটিংয়ে গিয়ে।’


 

সাবমিট

ঢাকা-সিলেটের ভাগ্য নির্ধারণ আজ

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

শেষ চারের চতুর্থ দলের দৌড়ে লড়াইটা এখন ঢাকা ডায়নামাইটস ও সিলেট সুপার স্টারসের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আজ শেষ ম্যাচে ঢাকার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী বরিশাল বুলস। সিলেটের সাক্ষাৎ হবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঙ্গে। সমীকরণে ঢাকা এখনও অনেকটা এগিয়ে। আজ হারলেও শেষ চারের সম্ভাবনা থাকবে তাদের। জিতলে আর কোনো সমীকরণের সাহায্য লাগবে না। সিলেট জিতলেও তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে ঢাকার হারের দিকে। গ্র“পপর্বের শেষদিনে তাই হিসাব বলছে, হয় সাঙ্গাকারা, না হয় আফ্রিদি থাকবেন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল)। সমান নয় ম্যাচ শেষে ঢাকার ৮ ও সিলেটের পয়েন্ট ৬। ঢাকার আইকন খেলোয়াড় নাসির হোসেন অবশ্য কোনো সমীকরণে যেতে অনিচ্ছুক। জয় ছাড়া অন্য কিছু ভাবছে না ঢাকা।

কাল ম্যাচ শেষে নাসির বলেন, ‘আমি জানি না আগামীকাল অন্য কার খেলা আছে। শুধু জানি, আগামীকাল (আজ) আমাদের খেলা। বরিশালের সঙ্গে। এটুকুই জানি, বরিশালের সঙ্গে জিতলে আমরা কোয়ালিফাই করব। অন্য কে হারছে, কে জিতছে- এসব নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই।’ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) রানই হচ্ছে না। ১০০-র নিচে অলআউট হওয়া যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাল ১৫৭ করেও জিততে পারেনি ঢাকা। নাসির বলেন, ‘আজ (কাল) উইকেট ভালো ছিল। আমরাও বুঝেছিলাম, সহজে আমরা জিততে পারব না। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল শুরুটা ভালো করা। খুব একটা ভালো আবার খুব একটা খারাপও করিনি। ৮-১৪ ওভার পর্যন্ত একটু বাজে বোলিং করেছি।’

জয়ের জন্য শেষ ওভারে সিলেটের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। শেষ ওভারটা করেন ফরহাদ রেজা। নাসিরের পরামর্শেই ফরহাদের হাতে বল তুলে দেন সাঙ্গাকারা। নাসির জানান, ‘সাঙ্গাকারা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল ইয়াসির শাহ করবে না ফরহাদ করবে। আমি বলেছি ফরহাদ ভাইয়ের কথা। ইয়াসির শাহকে না করানোর কারণ সোহেল তানভীর ছিল, আফ্রিদি ছিল। আফ্রিদি স্পিন ভালো খেলে। ফরহাদ ভাই শেষ ওভার খারাপ করেনি।’ জাতীয় দলেও নাসিরের জায়গাটা ছয়-সাতে। এ সময়ে দ্রুত রান তুলতে হয়। এই ডান-হাতি ব্যাটসম্যান জানালেন নিজের সীমবদ্ধতার কথা। তিনি বলেন, ‘চেষ্টা করি রান করার জন্য। আমি তো ওইরকম বিগ হিটার না যে, নামব আর ধুমধাম ছয় মারব। আমারও একটু সময় দরকার হয় ব্যাটিংয়ে গিয়ে।’


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র