jugantor
শ্রান্ত শরীর বিশ্রাম চায় ক্লান্ত মাশরাফি!
‘খেলতে হতে পারে পরের ম্যাচ। বুঝতে পারছি না। সত্যি বলতে, মানসিকভাবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে’

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

এ এক নিরন্তর যুদ্ধ। অহর্নিশ নিজের সঙ্গে লড়াই। আর কত! মেঘে মেঘে বেলা কম হল না। পথিক কি ক্লান্ত? নিজের সঙ্গে লড়াইয়ে শ্রান্ত? মাশরাফি মুর্তজার অতুলনীয় মানসিক শক্তি দিনশেষে জানান দেয় যে, তিনি কোনো পরিস্থিতিতেই ভেঙেপড়া যোদ্ধা নন। তবু রক্ত-মাংসে গড়া মানুষ তো! প্রকৃতির নিয়মেই কি গোধূলিলগ্ন দেখতে পাচ্ছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। এখনই হয়তো এ কথা বলার সময় আসেনি। তবু হতাশা ফুটে উঠছে তার কথায়।

নিজের শরীর ও মনের সঙ্গে নিরন্তর যুদ্ধে হাঁপিয়ে উঠেছেন মাশরাফি। ক্লান্তির সঙ্গে আর পেরে উঠছেন না কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক। মঙ্গলবারও চোট নিয়ে খেললেন। দলের প্রয়োজনে শেষদিকে এক ওভার বোলিং করতে বাধ্য হলেন। চোটজর্জর শরীর খানিকটা বিশ্রাম দাবি করছে। দলের চাওয়ার কাছে যে দাবি তুচ্ছ। পেশাদারিত্বের যুগে ক্লান্তির কোনো মূল্য নেই। ভেবেছিলেন দল শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হলে প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচটি খেলবেন না। সেই আশায়ও গুড়ে বালি, রংপুরের কাছে হেরে গেল দল। পরের ম্যাচটি খেলবেন কিনা, গত পরশু ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গ উঠতেই অসহায় শোনাল মাশরাফির কণ্ঠ, ‘খেলতে হতে পারে পরের ম্যাচ। বুঝতে পারছি না। সত্যি বলতে, মানসিকভাবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’ এ বছর একের পর এক সিরিজ খেলা আর নেতৃত্বের চাপ ক্লান্ত করে তুলেছে তাকে। তার ওপর যোগ হয়েছিল ডেঙ্গুর ধকল। ক্লান্তি আর দুর্বল শরীর নিয়েই শুরু করেছিলেন বিপিএল। টুকটাক কিছু চোট সমস্যা মাথাচাড়া দিল আবার, সবশেষ বাঁধালেন হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট। বোলিং করতে পারছেন না, কুমিল্লা তবু শুধু অধিনায়ক হিসেবেই মাঠে চায় মাশরাফিকে। প্রতিদিনই মনকে বুঝিয়ে

শ্রান্ত শরীর নিয়েই নামছেন মাঠে। কিন্তু প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচটিও খেলতে হবে, মনকে আর এটি বোঝাতে পারছেন না মাশরাফি। মনের সঙ্গে যুদ্ধে এবার যেন একটু ম্রিয়মাণ অধিনায়ক।



সাবমিট

শ্রান্ত শরীর বিশ্রাম চায় ক্লান্ত মাশরাফি!

‘খেলতে হতে পারে পরের ম্যাচ। বুঝতে পারছি না। সত্যি বলতে, মানসিকভাবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে’
 স্পোর্টস রিপোর্টার 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
এ এক নিরন্তর যুদ্ধ। অহর্নিশ নিজের সঙ্গে লড়াই। আর কত! মেঘে মেঘে বেলা কম হল না। পথিক কি ক্লান্ত? নিজের সঙ্গে লড়াইয়ে শ্রান্ত? মাশরাফি মুর্তজার অতুলনীয় মানসিক শক্তি দিনশেষে জানান দেয় যে, তিনি কোনো পরিস্থিতিতেই ভেঙেপড়া যোদ্ধা নন। তবু রক্ত-মাংসে গড়া মানুষ তো! প্রকৃতির নিয়মেই কি গোধূলিলগ্ন দেখতে পাচ্ছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। এখনই হয়তো এ কথা বলার সময় আসেনি। তবু হতাশা ফুটে উঠছে তার কথায়।

নিজের শরীর ও মনের সঙ্গে নিরন্তর যুদ্ধে হাঁপিয়ে উঠেছেন মাশরাফি। ক্লান্তির সঙ্গে আর পেরে উঠছেন না কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স অধিনায়ক। মঙ্গলবারও চোট নিয়ে খেললেন। দলের প্রয়োজনে শেষদিকে এক ওভার বোলিং করতে বাধ্য হলেন। চোটজর্জর শরীর খানিকটা বিশ্রাম দাবি করছে। দলের চাওয়ার কাছে যে দাবি তুচ্ছ। পেশাদারিত্বের যুগে ক্লান্তির কোনো মূল্য নেই। ভেবেছিলেন দল শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হলে প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচটি খেলবেন না। সেই আশায়ও গুড়ে বালি, রংপুরের কাছে হেরে গেল দল। পরের ম্যাচটি খেলবেন কিনা, গত পরশু ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গ উঠতেই অসহায় শোনাল মাশরাফির কণ্ঠ, ‘খেলতে হতে পারে পরের ম্যাচ। বুঝতে পারছি না। সত্যি বলতে, মানসিকভাবে টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।’ এ বছর একের পর এক সিরিজ খেলা আর নেতৃত্বের চাপ ক্লান্ত করে তুলেছে তাকে। তার ওপর যোগ হয়েছিল ডেঙ্গুর ধকল। ক্লান্তি আর দুর্বল শরীর নিয়েই শুরু করেছিলেন বিপিএল। টুকটাক কিছু চোট সমস্যা মাথাচাড়া দিল আবার, সবশেষ বাঁধালেন হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট। বোলিং করতে পারছেন না, কুমিল্লা তবু শুধু অধিনায়ক হিসেবেই মাঠে চায় মাশরাফিকে। প্রতিদিনই মনকে বুঝিয়ে

শ্রান্ত শরীর নিয়েই নামছেন মাঠে। কিন্তু প্রাথমিক পর্বের শেষ ম্যাচটিও খেলতে হবে, মনকে আর এটি বোঝাতে পারছেন না মাশরাফি। মনের সঙ্গে যুদ্ধে এবার যেন একটু ম্রিয়মাণ অধিনায়ক।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র