jugantor
রোনাল্ডোর রেকর্ডে আড়ালে বেনজেমা

   

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বেচারা করিম বেনজেমা! পাঁচ বছর পর হ্যাটট্রিক করেও আড়ালে থাকতে হল রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ডকে। বেরসিকের মতো একই ম্যাচে চার গোল করে পাদপ্রদীপের পুরো আলো নিজের দিকে টেনে নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। মালমোকে গোল-বন্যায় ভাসিয়ে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন সিআর সেভেন। পরশু বার্নাব্যুতে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের নিয়মরক্ষার ম্যাচে রোনাল্ডো ও বেনজেমার তাণ্ডবে পুঁচকে মালমোকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ছুঁয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড। আর রোনাল্ডো গড়েছেন গ্র“পপর্বে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ১১ গোলের নতুন রেকর্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে গোল-সংক্রান্ত প্রায় সব রেকর্ডই তার দখলে। এমন কথা তাই রোনাল্ডোর মুখেই মানায়, ‘ব্যক্তিগত পর্যায়ে আরেকটি রেকর্ড গড়তে পেরে আমি খুশি। তবে আমি রেকর্ড খুঁজি না, রেকর্ডই আমাকে খোঁজে।’

রোনাল্ডোর মতো জ­াটান ইব্রাহিমোভিচও নিত্যনতুন রেকর্ড গড়াটা অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছেন। আগের ম্যাচে ফরাসি লীগে পিএসজির হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগেও পিএসজির সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন ইব্রা (১৭)। পেছনে ফেললেন লাইবেরিয়ান গ্রেট জর্জ উইয়াহকে (১৬)। পরশু গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে শাখতার দনেৎস্কের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে পিএসজি। ৮৬ মিনিটে রেকর্ডভাঙা গোলটি করেন ইব্রা। ৫৭ মিনিটে লুকাসের দেয়া দলের প্রথম গোলটিও এসেছে সুইডিশ ফরোয়ার্ডের পাস থেকে। শেষ ম্যাচ জিতলেও গ্রুপে

দ্বিতীয় হয়েই নকআউট পর্বে গেছে পিএসজি। এ-গ্রুপের শীর্ষস্থান অগেই নিশ্চিত করে ফেলেছিল রিয়াল।

কোনো চাপ না থাকায় শেষ ম্যাচে উপভোগের ফুটবল খেলেছে রিয়াল। তবে মালমোর জন্য সেটা মোটেও উপভোগ্য ছিল না! সুইডিশ ক্লাবটির ওপর দিয়ে রীতিমতো টর্নেডো বয়ে গেছে। গোল-উৎসবের শুরুটা করেছিলেন বেনজেমা। ২৪ মিনিটের মধ্যেই তার জোড়া গোল। এরপর রোনাল্ডোর ২০ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড মালমো। ৩৯ থেকে ৫৯ মিনিটের মধ্যে টানা চার গোল করেন পর্তুগিজ মহাতারকা। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করতে লেগেছে ১১ মিনিট। ৭৪ মিনিটে বেনজেমাও পেয়ে যান হ্যাটট্রিক

গোল। রিয়ালের অপর গোলটি এসেছে কোভাচিচের পা থেকে।

এর আগে গ্রুপপর্বে সর্বোচ্চ নয় গোলের রেকর্ডে রোনাল্ডোর ভাগিদার ছিলেন লুইজ আদ্রিয়ানো। এবার ১১ গোল করে রেকর্ডটি একান্ত নিজের করে নিলেন সিআর সেভেন। এই ১১ গোল করেছেন মাত্র চার ম্যাচে। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দল কক্ষপথে ফেরায় বেশি খুশি রোনাল্ডো। এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনার কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টানা পাঁচটি ম্যাচ জিতেছে রিয়াল। এ বিষয়টিই বেশি তৃপ্তি দিচ্ছে রোনাল্ডোকে, ‘সমালোচনায় আমরা অভ্যস্ত। তবে আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করছি। দলের অবস্থা এখন আগের চেয়ে ভালো। টানা পাঁচটি জয় প্রমাণ করে আমরা ঠিক পথেই চলছি। সামনে এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।’ উৎসবের রাতে দলবদলের গুঞ্জন উড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি কোচ রাফায়েল বেনিতেজের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন রোনাল্ডো। এএফপি।

এক নজরে ফল

রিয়াল মাদ্রিদ ৮ : ০ মালমো

পিএসজি ২ : ০ শাখতার দনেৎস্ক

উলফসবার্গ ৩ : ২ ম্যানইউ

পিএসভি আইন্ডহোভেন ২ : ১ সিএসকেএ মস্কো

ম্যানসিটি ৪ : ২ গ্লাডবাখ

সেভিয়া ১ : ০ জুভেন্টাস

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ২ : ১ বেনফিকা

গালাতাসারে ১ : ১ আস্তানা


 

সাবমিট

রোনাল্ডোর রেকর্ডে আড়ালে বেনজেমা

  
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

বেচারা করিম বেনজেমা! পাঁচ বছর পর হ্যাটট্রিক করেও আড়ালে থাকতে হল রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ডকে। বেরসিকের মতো একই ম্যাচে চার গোল করে পাদপ্রদীপের পুরো আলো নিজের দিকে টেনে নিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। মালমোকে গোল-বন্যায় ভাসিয়ে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন সিআর সেভেন। পরশু বার্নাব্যুতে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের নিয়মরক্ষার ম্যাচে রোনাল্ডো ও বেনজেমার তাণ্ডবে পুঁচকে মালমোকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ছুঁয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ড। আর রোনাল্ডো গড়েছেন গ্র“পপর্বে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ১১ গোলের নতুন রেকর্ড। চ্যাম্পিয়ন্স লীগে গোল-সংক্রান্ত প্রায় সব রেকর্ডই তার দখলে। এমন কথা তাই রোনাল্ডোর মুখেই মানায়, ‘ব্যক্তিগত পর্যায়ে আরেকটি রেকর্ড গড়তে পেরে আমি খুশি। তবে আমি রেকর্ড খুঁজি না, রেকর্ডই আমাকে খোঁজে।’

রোনাল্ডোর মতো জ­াটান ইব্রাহিমোভিচও নিত্যনতুন রেকর্ড গড়াটা অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছেন। আগের ম্যাচে ফরাসি লীগে পিএসজির হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি নিজের করে নিয়েছেন। এবার চ্যাম্পিয়ন্স লীগেও পিএসজির সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন ইব্রা (১৭)। পেছনে ফেললেন লাইবেরিয়ান গ্রেট জর্জ উইয়াহকে (১৬)। পরশু গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে শাখতার দনেৎস্কের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে পিএসজি। ৮৬ মিনিটে রেকর্ডভাঙা গোলটি করেন ইব্রা। ৫৭ মিনিটে লুকাসের দেয়া দলের প্রথম গোলটিও এসেছে সুইডিশ ফরোয়ার্ডের পাস থেকে। শেষ ম্যাচ জিতলেও গ্রুপে

দ্বিতীয় হয়েই নকআউট পর্বে গেছে পিএসজি। এ-গ্রুপের শীর্ষস্থান অগেই নিশ্চিত করে ফেলেছিল রিয়াল।

কোনো চাপ না থাকায় শেষ ম্যাচে উপভোগের ফুটবল খেলেছে রিয়াল। তবে মালমোর জন্য সেটা মোটেও উপভোগ্য ছিল না! সুইডিশ ক্লাবটির ওপর দিয়ে রীতিমতো টর্নেডো বয়ে গেছে। গোল-উৎসবের শুরুটা করেছিলেন বেনজেমা। ২৪ মিনিটের মধ্যেই তার জোড়া গোল। এরপর রোনাল্ডোর ২০ মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড মালমো। ৩৯ থেকে ৫৯ মিনিটের মধ্যে টানা চার গোল করেন পর্তুগিজ মহাতারকা। হ্যাটট্রিক পূর্ণ করতে লেগেছে ১১ মিনিট। ৭৪ মিনিটে বেনজেমাও পেয়ে যান হ্যাটট্রিক

গোল। রিয়ালের অপর গোলটি এসেছে কোভাচিচের পা থেকে।

এর আগে গ্রুপপর্বে সর্বোচ্চ নয় গোলের রেকর্ডে রোনাল্ডোর ভাগিদার ছিলেন লুইজ আদ্রিয়ানো। এবার ১১ গোল করে রেকর্ডটি একান্ত নিজের করে নিলেন সিআর সেভেন। এই ১১ গোল করেছেন মাত্র চার ম্যাচে। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দল কক্ষপথে ফেরায় বেশি খুশি রোনাল্ডো। এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনার কাছে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টানা পাঁচটি ম্যাচ জিতেছে রিয়াল। এ বিষয়টিই বেশি তৃপ্তি দিচ্ছে রোনাল্ডোকে, ‘সমালোচনায় আমরা অভ্যস্ত। তবে আমরা ধীরে ধীরে উন্নতি করছি। দলের অবস্থা এখন আগের চেয়ে ভালো। টানা পাঁচটি জয় প্রমাণ করে আমরা ঠিক পথেই চলছি। সামনে এভাবেই এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।’ উৎসবের রাতে দলবদলের গুঞ্জন উড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি কোচ রাফায়েল বেনিতেজের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন রোনাল্ডো। এএফপি।

এক নজরে ফল

রিয়াল মাদ্রিদ ৮ : ০ মালমো

পিএসজি ২ : ০ শাখতার দনেৎস্ক

উলফসবার্গ ৩ : ২ ম্যানইউ

পিএসভি আইন্ডহোভেন ২ : ১ সিএসকেএ মস্কো

ম্যানসিটি ৪ : ২ গ্লাডবাখ

সেভিয়া ১ : ০ জুভেন্টাস

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ২ : ১ বেনফিকা

গালাতাসারে ১ : ১ আস্তানা


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র