jugantor
মুখ খুললেন ম্যাককালাম

   

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

অবশেষে মুখ খুললেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। সংবাদপত্রে নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার ক্রিস কেয়ার্নস ম্যাককালামকে উদ্দেশ্য করে রীতিমতো কলামই লিখেছেন। যার শিরোনাম- ‘ব্যাখ্যা দাও কেন সাক্ষী হলে’। ফিক্সিং-কাণ্ডের মামলায় ইংল্যান্ডের আদালত কেয়ার্নসকে নির্দোষ হিসেবেই রায় দিয়েছেন। ওই মামলায় কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিলেন ম্যাককালাম। এখন কেয়ার্নস তাই ম্যাককালামের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন, ‘কেন তাহলে আমাকে দোষী প্রমাণ করতে সাক্ষ্য দিলে আদালতে?’ এ কলামের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের দাবি, লন্ডনের আদালতে কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে যে প্রমাণাদি হাজির করেছিলেন, তা ঠিকই ছিল। তিনি কেন সাক্ষ্য দিয়েছেন, সেটি তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেয়ার্নসকে এর ব্যাখ্যা তিনি দিতে যাবেন না। কিছুদিন আগে ম্যাচ ফিক্সিং ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে চলা মামলায় লন্ডনের আদালত মুক্তি দিয়েছেন কেয়ার্নসকে। ম্যাককালাম সেই আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে কেয়ার্নসের জড়িত থাকার বিষয়ে কিছু প্রমাণ পেশ করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেই সাক্ষ্যের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন ম্যাককালাম, ‘কে দোষী সাব্যস্ত হল আর কে হল না, এটা আমার দেখার কথা নয়। আমার কর্তব্য ছিল, আমার কাছে যে প্রমাণ আছে সেগুলো দিয়ে বিচার কাজে সহায়তা করা। ওই সময় সত্যি কথা বলতে কি, আমি নিজেকে আবেগের ঊর্ধ্বেই রেখেছিলাম।’ একজনের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রমাণ তুলে ধরলেন আদালতে, কিন্তু আদালত তার কোনো অপরাধের অস্তিত্ব খুঁজে পেল না- এমন অবস্থায় নিজের সুনামকে কি একটু প্রশ্নের মুখে ফেললেন? ম্যাককালাম তা মনে করেন না, ‘আমি মনে করি না সাক্ষ্য দেয়ায় আমার সুনাম প্রশ্নের মুখে পড়েছে। আমি এই বিচারপ্রক্রিয়ার একজন সাক্ষীই শুধু ছিলাম।’ কেয়ার্নসের ‘ব্যাখ্যা দাও কেন সাক্ষী হলে’র দাবিতে সাড়া দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন না জানিয়ে ম্যাককালাম বলেন, ‘আমার মনে হয় না, আমার এটা করা উচিত হবে।’ ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মামলা থেকে কেয়ার্নস মুক্তি পেলেও সাবেক আইপিএল চেয়ারম্যান লোলিত মোদি আরও একটি ‘প্রতারণা’ মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। এবারও কি সাক্ষ্য দেবেন ম্যাককালাম? এ নিয়ে নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের মন্তব্য, ‘এটা এখন পর্যন্ত জল্পনা-কল্পনার মধ্যে। ভবিষ্যতে কী হয়, সেটা ভবিষ্যতেই বলা যাবে, তবে এটা আদালতের বিষয় নিয়ে আলোচনার জায়গা নয় বলে মনে করি আমি। ওয়েবসাইট।



সাবমিট

মুখ খুললেন ম্যাককালাম

  
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
অবশেষে মুখ খুললেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। সংবাদপত্রে নিউজিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার ক্রিস কেয়ার্নস ম্যাককালামকে উদ্দেশ্য করে রীতিমতো কলামই লিখেছেন। যার শিরোনাম- ‘ব্যাখ্যা দাও কেন সাক্ষী হলে’। ফিক্সিং-কাণ্ডের মামলায় ইংল্যান্ডের আদালত কেয়ার্নসকে নির্দোষ হিসেবেই রায় দিয়েছেন। ওই মামলায় কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিয়েছিলেন ম্যাককালাম। এখন কেয়ার্নস তাই ম্যাককালামের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন, ‘কেন তাহলে আমাকে দোষী প্রমাণ করতে সাক্ষ্য দিলে আদালতে?’ এ কলামের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের দাবি, লন্ডনের আদালতে কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়ে যে প্রমাণাদি হাজির করেছিলেন, তা ঠিকই ছিল। তিনি কেন সাক্ষ্য দিয়েছেন, সেটি তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কেয়ার্নসকে এর ব্যাখ্যা তিনি দিতে যাবেন না। কিছুদিন আগে ম্যাচ ফিক্সিং ও আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার অভিযোগে চলা মামলায় লন্ডনের আদালত মুক্তি দিয়েছেন কেয়ার্নসকে। ম্যাককালাম সেই আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে কেয়ার্নসের জড়িত থাকার বিষয়ে কিছু প্রমাণ পেশ করেছিলেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেই সাক্ষ্যের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছেন ম্যাককালাম, ‘কে দোষী সাব্যস্ত হল আর কে হল না, এটা আমার দেখার কথা নয়। আমার কর্তব্য ছিল, আমার কাছে যে প্রমাণ আছে সেগুলো দিয়ে বিচার কাজে সহায়তা করা। ওই সময় সত্যি কথা বলতে কি, আমি নিজেকে আবেগের ঊর্ধ্বেই রেখেছিলাম।’ একজনের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রমাণ তুলে ধরলেন আদালতে, কিন্তু আদালত তার কোনো অপরাধের অস্তিত্ব খুঁজে পেল না- এমন অবস্থায় নিজের সুনামকে কি একটু প্রশ্নের মুখে ফেললেন? ম্যাককালাম তা মনে করেন না, ‘আমি মনে করি না সাক্ষ্য দেয়ায় আমার সুনাম প্রশ্নের মুখে পড়েছে। আমি এই বিচারপ্রক্রিয়ার একজন সাক্ষীই শুধু ছিলাম।’ কেয়ার্নসের ‘ব্যাখ্যা দাও কেন সাক্ষী হলে’র দাবিতে সাড়া দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন না জানিয়ে ম্যাককালাম বলেন, ‘আমার মনে হয় না, আমার এটা করা উচিত হবে।’ ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মামলা থেকে কেয়ার্নস মুক্তি পেলেও সাবেক আইপিএল চেয়ারম্যান লোলিত মোদি আরও একটি ‘প্রতারণা’ মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। এবারও কি সাক্ষ্য দেবেন ম্যাককালাম? এ নিয়ে নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের মন্তব্য, ‘এটা এখন পর্যন্ত জল্পনা-কল্পনার মধ্যে। ভবিষ্যতে কী হয়, সেটা ভবিষ্যতেই বলা যাবে, তবে এটা আদালতের বিষয় নিয়ে আলোচনার জায়গা নয় বলে মনে করি আমি। ওয়েবসাইট।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র