¦
আন্তর্জাতিক খেলাধুলা এবং জাতীয়তার উচ্ছ্বাস

পবিত্র সরকার | প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৫

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সঙ্গে বাংলাদেশের একদিনের ক্রিকেটের সাম্প্রতিক সিরিজে বাংলাদেশের গৌরবপূর্ণ জয়ের জন্য দল ও দেশবাসীকে অভিনন্দন জানাই। আমি জানি পাকিস্তান দল আপাতত দুর্বল; কিন্তু এমন দুর্বল নয় যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের অবস্থান একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। তাই এ জয়ে বাংলাদেশের কৃতিত্ব এতটুকু খাটো করে দেখা সম্ভব নয়। পাকিস্তানের ক্রীড়ামন্ত্রী সঙ্গতভাবেই খেলার সর্বক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বাঙ্গীণ আধিপত্যের কথা বলে দলটির প্রশংসা করেছেন। পাকিস্তানের সংসদে দেশের দলের এ পরাজয় নিয়ে যত তোলপাড়ই হোক, বাংলাদেশ যে ধারাবাহিকভাবে ভালো ক্রিকেট খেলছে এবং নিজেকে একটা সমীহ করার অবস্থানে নিয়ে গিয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন খুব ভালো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টিমও- অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা বা ভারত বাংলাদেশের ক্রিকেট দলকে অবহেলার চোখে দেখতে পারে না। এ কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ এমন একটা পরিণত আত্মবিশ্বাসের জায়গায় নিজেকে তুলে আনতে পেরেছে।
আমরা ভাবার চেষ্টা করি, এটা মুক্তিযুদ্ধের জয়েরই একটা বিস্তার। আমি ক্রিকেট বা খেলাধুলা কিছুই তেমন বুঝি না; কিন্তু বুঝি যে, স্বাধীনতার অর্থ শুধু রাষ্ট্রনৈতিক স্বাধীনতা নয়। স্বাধীনতার অর্থ দেশের সব মানুষের জন্য আরও বেশি বেশি সুযোগ। আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক মানুষ জানেই না এবং আমরা বুদ্ধিজীবীরা অনেক সময় তাদের এসব বোঝানোর জন্য এগিয়ে আসিনি যে, একজন মানুষের ন্যূনতম কী কী অধিকার তার রাষ্ট্রের কাছে, সমাজের কছে, জীবনের কাছে দাবি করা এবং আদায় করা দরকার। আবার শুধু ‘মানুষ’ কথাটা বলেও ছেড়ে দেয়া যায় না, সেটাও একটা সরলীকরণ। মানুষের মধ্যে মানুষের অধিকার পুরুষেরা যতটা পায় নারীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ততটা পায় না বা পাওয়ার কথা ভাবে না, নগরবাসী যতটা পায় গ্রামের মানুষ ততটা পায় না, সাধারণ নাগরিক যতটা পায় দূর প্রত্যন্ত বা বনাঞ্চলের আদিবাসীরা ততটা পায় না। অধিকার যেটুকু আছে তা বণ্টনের এই অসাম্য সব দেশেই আছে, আমাদের দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে আরও বেশি করে আছে। যে সুযোগগুলো সব মানুষের পাওয়া দরকার তাতে অবশ্যই খাদ্য, পানীয় জল, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, যাতায়াতের সুযোগ, অবকাঠামো নির্মাণ ইত্যাদি অগ্রাধিকার পাবে এবং যে কোনো গণতান্ত্রিক সরকার সবার আগে এসব ব্যবস্থাপনা করতে এগিয়ে আসতে বাধ্য। কিন্তু সেই সঙ্গে সবার জন্য অঢেল সুস্থ বিনোদনের সুযোগ তৈরিও স্বাধীনতারই এক প্রকল্প- তার মধ্যে সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্য, নাটক, চলচ্চিত্র ইত্যাদি যেমন পড়ে, তেমনি খেলাধুলাও পড়ে। খেলাধুলাও সংস্কৃতির বাইরে নয়। জনমুখী রাষ্ট্রকে প্রজাসমাজের সহযোগিতা নিয়ে এ সংকল্প নিতে হয় যে, স্বাধীনতার স্বাদ জীবন ও সংস্কৃতির সব স্তরে ছড়িয়ে পড়ুক। লোকজীবন ও নগরজীবন- উভয়েই নিজের নিজের সংস্কৃতি নিয়ে সমৃদ্ধ হোক। খেলাধুলা এ সংস্কৃতিরই এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।
খেলায় কোন দলকে সমর্থন করব তা যেমন আমরা অনেক সময় উত্তরাধিকারসূত্রে ঠিক করে নিই এবং একবার সমর্থক হয়ে উঠলে তার জয়-পরাজয় নিয়ে নানা রকম উন্মত্ততা প্রকাশ করি- এমন দৃষ্টান্ত সারা পৃথিবীতেই আছে। ব্রজিল বা জার্মানিতে ফুটবল রায়ট হয়ে কত লোক প্রাণ হারিয়েছে, তা খুব প্রাচীন ইতিহাস নয়। আমার বালককালে নিছক পূর্ববঙ্গ থেকে এসেছিলাম বলেই আমরা ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের সমর্থক হয়ে গিয়েছিলাম এবং লাখ লাখ কলোনিবাসী উদ্বাস্তুও তাই হয়েছিলেন লক্ষ করেছি। পশ্চিমবঙ্গবাসী ‘ঘটি’রা ইস্টবেঙ্গলকে যেমন বলতেন ‘জার্মানদের দল’, তেমনই কলকাতার ঢাকুরিয়া থেকে গড়িয়া, বাঁশদ্রোণি, টালিগঞ্জ পর্যন্ত বিশাল উদ্বাস্তু অধ্যুষিত অঞ্চলকে বলতেন ‘জার্মান এরিয়া’। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান সম্বন্ধে সংবাদপত্র ‘চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী’ কথাটা নিয়মিত ব্যবহার করত এবং এ দুটি দলের খেলা উপলক্ষে সমর্থকদের উন্মত্ততা নানাভাবেই প্রকাশ পেত। যখন ছাত্রজীবনে হস্টেলে ছিলাম তখন দেখেছি এ দুটি দলের আবাসিক সমর্থকরা তাদের প্রিয় দল হারলে রাতের খাওয়াই বন্ধ করে দিত। কী করে জানি না, দলীয় প্রতীক যাই হোক, মোহনবাগানের সঙ্গে চিংড়ি মাছ এবং ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ইলিশ মাছের অনুষঙ্গ জড়িয়ে গিয়েছিল। তাই মোহনবাগান জিতলে তার সমর্থকরা গলদা চিংড়ির মালা গলায় পরেছে, আর ইস্টবেঙ্গল জিতলে ইস্টবেঙ্গলের সমর্থককে আমি গলায় দড়ির হারে লকেটের মতো করে ইলিশ ঝুলিয়ে মিনিবাসে বাড়ি ফিরতে দেখেছি। আশা করি শুধু অলংকরণের মধ্যেই এ দুটি মাছের উপযোগিতা শেষ হয়ে যায়নি, তাদের প্রধান ব্যবহার যা- খাদ্য হিসেবে- সে পর্যন্ত তারা পৌঁছেছে। কারণ দুটিই বাঙালির শ্রেষ্ঠ স্বাদু মাছ। চিংড়ির গরিমা তো বিশ্ববিখ্যাত, আর বিদেশী ট্রাউট, স্যামন, শ্যাড বা সিলভার ফিশকে ইলিশও বলতে পারে ‘যত সব ফালতু!’ বুড়ো বয়সে আমার সকালে হাঁটার দলের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান দু’দলের সমর্থকই ছিলেন, চ্যাম্পিয়ন হলে দু’দলই খাওয়াতেন, ফলে দুয়েরই স্বাদ উপভোগ করতে আমাদের বাধা হয়নি।
দল দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী- কাজেই তাদের সমর্থকরাও পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হবে- এ যেন এক সহজ লজিক, এ না হয়েই যায় না, না হলেই যেন বিশ্রী নিয়মভঙ্গ হতো। তাই দু’দলের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি বিরল ছিল না। বলা বাহুল্য, এ শুধু ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের বেলায় নয়, সবাই জানেন, দূর দূর গ্রামের আঞ্চলিক টুর্নামেন্টেও এ একই ঘটনা ঘটেছে। আমার দল জিতল তো আমার গ্রাম জিতল, হারল তো আমার গ্রাম হারল। তা কি সহজে মেনে নেয়া যায়? তখন হারের বদলা অন্য জয় দিয়ে ক্ষতিপূরণ করার চেষ্টা। সেটা ভাষিক হিংস্রতা বা ভাষা-সন্ত্রাস হতে পারে, অর্থাৎ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই এবং গালাগাল- সেও এক রকমের প্রতিযোগিতা। এটার বহুবার সাক্ষী হয়েছি, এসব শুনে আমার ছোটদের মধ্যে অহমিকার লড়াইয়ের কথা মনে পড়ে যায়- ‘আমার বাবার অ্যাত্ত বড় গাড়ি আছে।’ আরেকজন বলল, ‘তোর বাবার গাড়ি আর এমনকি বড়, আমার বাবার গাড়িটা বাসের চেয়েও বড়।’ তখন প্রথমজন জোর দিয়ে বলল, ‘ধুস, আমার বাবার গাড়িটা রেলগাড়ির চেয়েও বড়!’ তার ওপর তাসের তুরুপ মেরে হয়তো দ্বিতীয়জন বলল, ‘আর আমার বাবার গাড়িটা, জানিস- সেটা, সেটা আকাশের চেয়েও বড়!’
অবশ্যই কথার এই প্রতিযোগিতা শুধু কথায় থেমে থাকে না, কথা ক্রমে গরম হতে হতে আরও হিংস কথাবার্তা এবং শেষ পর্যন্ত হয়তো মারধরে গিয়ে পৌঁছায়- যেটা ছেলেবেলায় গ্রামে দেখেছি, পরে শহরেও দেখেছি। খবরের কাগজে পড়েছি, এখন তো টেলিভিশনও দেখিয়ে দেয়, যদিও টেলিভিশন বেশি দেখি না বলে এ ধরনের অনেক দৃশ্য থেকে রেহাই পাই।
এ কথাগুলো মনে এলো সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা উপলক্ষে ফেসবুকের কয়েকটি তর্কাতর্কি দেখে। না, শুধু ক্রিকেট উপলক্ষে নয়। এর আগে অভিজিৎ রায়ের বীভৎস হত্যায় একজন পশ্চিমবঙ্গের কবি (ভালো করি) খুব বিচলিত হয়ে ফেসবুকে লিখেছিলেন এ রকম কিছু কথা- ‘বাংলাদেশ কি স্বাধীনতার যোগ্য হওয়ার আগেই স্বাধীনতা পেয়ে গেছে? তাই এমন ঘটনা ঘটতে পারল?’ আমি জানি, এ কথা অত্যন্ত অন্যায় এবং নির্বোধ অবিবেচনাপ্রসূত। এবং এর মধ্যে এমন একটি অহমিকা আছে, নিজেদের পিঠ চাপড়ানো আছে, যেটা অন্যদের অপমান করে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা সম্বন্ধে অকুণ্ঠ স্বীকৃতি দিতে বাংলাদেশের সচেতন মানুষ কখনও দ্বিধাগ্রস্ত নন; কিন্তু ভারতের একটা ‘বড়দাসুলভ বাহাদুরি’র দৃষ্টিভঙ্গি সম্বন্ধে বাংলাদেশের মানুষ অতি সচেতন এবং তা যে কোনো কোনো ভারতীয়ের মধ্যে কখনও কখনও প্রকাশ পায়, কবির ওই কথাগুলো তার প্রমাণ। আমি ফেসবুকে এ কথার নিন্দা করেছি এবং সে কবিও, যতদূর জানি, কথাটা বলে ফেলার জন্য পরে
লজ্জিত হয়েছেন।
স্বাধীনতা যখন আসে তখনই স্বাধীনতা অর্জিত হয়। কোন দেশের স্বাধীনতা যথাসময়ের আগে অর্জিত হয়েছে? ভারতেরই কি হয়েছে? তাহলে ভারতে এখনও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি নিরক্ষর কেন, হাজারে হাজারে কৃষক আত্মহত্যা করে কেন, গণতন্ত্র কোথাও কোথাও প্রহসনে পরিণত হয় কেন, কেন আরেক ধরনের ধর্মীয় মৌলবাদ হুমকি দিতে থাকে, মহারাষ্ট্রে গোমাংস বিক্রি নিষিদ্ধ হয়? স্বাধীনতা বিদেশী শাসকের দেশের সীমানাত্যাগ মাত্র নয়, স্বাধীনতা দেশকে নিজের ভেতর থেকে ক্রমশ নির্মাণ করতে হয়। বাংলাদেশ প্রাণপণে সেই চেষ্টা করে চলেছে, ভারতের চেয়ে অনেক বেশি সমস্যা নিয়ে। এবং অনেক ক্ষেত্রেই ভারতের চেয়ে তার অর্জন অনেক বেশি উল্লেখযোগ্য। এখানে তার বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ নেই।
বাংলাদেশের মানুষ ওই কবির কথার যাথাযোগ্য উত্তর ফেসবুকে দিয়েছেন। কিন্তু লক্ষ করি, এর ফলে আরেক ধরনের, আমি বলব অসুস্থ, ফেসবুক-তর্কাতর্কি শুরু হয়েছে, যা এ দুই দেশের মানুষের স্বাভাবিক অস্তিত্বের পক্ষে ভালো নয়। এমন হতেই পারে যে, আমি বিষয়টিকে বাড়িয়ে দেখছি- ফেসবুকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে এসব খুনসুটির কোনো বিশেষ প্রভাব নেই, দু’দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে তা বিচলিত করবে না। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত ও বাংলাদেশ গভীর বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ থাকবে, পরস্পরকে সাহায্য ও সহযোগিতা করে এগিয়ে যাবে- এ রকম একটি ভবিতব্যে আস্থাবান বলেই আমি এ কথাগুলো লিখছি।
যেমন বাংলাদেশের কোনো কোনো বন্ধু মুক্তিযুদ্ধের পর ভারতীয় সেনারা মিরপুরে কী নাকি লুটপাট করেছিল, সেই খবর লিখে ভারতের সাহায্য যে নিষ্কলুষ ছিল না, তার ইঙ্গিত দেয়ার চেষ্টা করেছেন। আবার কেউ সম্প্রতি বাংলাদেশের একটি রমণীর ভারতে ধর্ষিত ও মৃত হওয়ার খবর দিয়েছেন। তার জবাবে এখানকার ফেসবুকধারীরা বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নানারকম অত্যাচারের প্রসঙ্গ মনে করিয়ে দিচ্ছেন। এ খবরগুলো মিথ্যা তেমন দাবি করার মতো তথ্যপ্রমাণ আমার হাতে নেই; কিন্তু কথাগুলো আসছে অন্য কিছুর ছুতো ধরে- অভিজৎ বা ওয়াশিকুরের কুৎসিত হত্যা কিংবা ক্রিকেট খেলায় ভারত আর বাংলাদেশের তুলনাÍক সার্থকতা-ব্যর্থতার কথা থেকে। এভাবে একটি উষ্ণ বিতর্কের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে ফেসবুকে, যা ফেসবুকের বিজ্ঞাপিত ‘বন্ধু’দের মধ্যেও তিক্ততা তৈরি করছে।
আমি মনে করি, দুই দেশের নাগরিকের মধ্যে যদি ভুল-বোঝাবুঝি হয়, তা দুই দেশের বন্ধুত্বকে তলায় তলায় দুর্বল করে। এর মধ্যে কারও কোনো ষড়যন্ত্র আছে একমনটা এখনও নাও হতে পারে; কিন্তু এসব ব্যক্তিগত ভুল-বোঝাবুঝির পরিসর তৈরি করে কার লাভ হবে? খেলা নিয়ে আড়াআড়ির বিষয়টাও আমার হাস্যকর লাগে। ক্রিকেট খেলোয়াড়দের দেশপ্রেমে আমার কোনো সন্দেহ নেই, তাদের আমরা বীর হিসেবে পূজা করি, কখনও (হেরে গেল) বীভৎস গালাগাল দিতেও কসুর করি না; কিন্তু আমাদের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে তাদের কতটা যোগ? আমার সুখ-দুঃখের তারা কতটা অংশীদার? ভারতে শচীন টেন্ডুলকার একজ সফল ও মহাপ্রাণ ক্রিকেটার; কিন্তু যখন শুনি, তার অনেক গাড়ির মধ্যে একটির দাম ১৬ কোটি টাকা, তখন ভাবি, আমার জীবনের বাস্তবতার সঙ্গে তার জীবনের বাস্তবতার কি কোনো যোগ আছে? এসব খেলোয়াড় দেশের জন্য কতটা খেলেন, কতটা তাদের সংক্ষিপ্ত সময়ের জীবিকায় যথাসম্ভব টাকা রোজগারের জন্য- তা নিয়ে ভাবতে আমার ইচ্ছে হয় না। তবে এটুকু এখন বুঝি, এদের জয়-পরাজয় নিয়ে আমার বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া বা মারধর করার কোনো অর্থ হয় না।
ওই একই কথা বন্ধু দেশের ব্যাপারেও। ফেসবুকে যা চলে, তা এক ধরনের অদ্ভুত ছেলেমানুষি। কিন্তু এ ছেলেমানুষির ফল বন্ধুকে যদি অবন্ধু করে তোলে তা দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে বৈ কি।
পবিত্র সরকার : সাবেক উপাচার্য, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা; লেখক
 

উপসম্পাদকীয় পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close