¦
বিদেশী গানে রুনা লায়লা

| প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

তারা ঝিলমিল প্রতিবেদক
শুধু দেশীয় সঙ্গীতের গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। বিদেশী গানেও ছিল তার সফল পদচারণা। ডাকসাইটে পাকিস্তানি গায়ক আহমেদ রুশদীর সঙ্গে পরিচয় ও পরে তার উৎসাহে ষাটের দশকের মাঝামাঝি জুগনু ছবির গানের মাধ্যমে উর্দু সিনেমার গানে সংযোজন ঘটে রুনা লায়লার। রুশদীর সঙ্গে দ্বৈত গানে বেশ শ্রোতাপ্রিয় একটা জুটিও বেঁধে বসেন রুনা। একাত্তরে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে পৃথক হলেও ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানি ছবির প্লেব্যাকে অনিয়মিতভাবে হলেও রুনার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। জুগনুর পর কমাণ্ডার, হাম দোনো, আঞ্জুমান, উমরাও জান আদা, মন কী জিৎ, এহসাস ও সর্বশেষ দিলরুবাসহ বেশকিছু ছবিতে অনবদ্য কিছু গানের সুবাদে বঙ্গললনা রুনা আজও সমাদৃত সঙ্গীতপ্রেমী উর্দু ভাষাভাষীদের কাছে। উর্দু ক্লাসিক্যাল জানেমান ইতনা বাতাদো, আগার ম্যায় বাতাদু, দিল কি ধাড়কান মধ্যম মধ্যম, মেরে হোঠো পে, মিলি গুল কো থেকে শুরু করে সুফি ঘরানার দমাদম মাস্ত কালান্দার গানগুলোর পাশাপাশি ভারতেও কম হয়নি সমাদর। ষাটের দশকের একদম শেষভাগে রুলা লায়লার ডাক পড়ে বলিউডি সিনেমার গানেও। ফির সুবাহ হোগি থেকে শুরু করে ঘর আওন্দা, এক সে বাড়কার এক থেকে শুরু করে আশির দশকের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত প্রায় আট নয়টি হিন্দি সিনেমায় গানের মাধ্যমে প্রশংসিত হন রুনা। অমিতাভ বচ্চন অভিনীত অগ্নীপথ ছবিতে আলী বাবা মিল গ্যায়ে চাল্লিশ চোরো সে গানসহ বহু জনপ্রিয় হিন্দি গানে কণ্ঠ দেন তিনি। বছর দশেকের হিন্দি ছবির প্লেব্যাক ক্যারিয়ারে রুনা লায়লা জয়দেব, আনন্দজি-কল্যাণজি, লক্ষীকান্ত-প্যায়ারেলাল থেকে শুরু করে বাপ্পী লাহিড়ীর ডিস্কো গানেও প্রশংসিত হন। আশির দশকের মাঝামাঝি বাপ্পী লাহিড়ী রুনার ডিস্কো মিউজিকের একটি সংকলনও প্রকাশ করেন রুনা লায়লার নামানুসারে সুপার রুনা নামে।
তারাঝিলমিল পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close