jugantor
মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার : মৌটুসী বিশ্বাস
মৌটুসী বিশ্বাস, দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন তিনি। আসছে বিজয় দিবসের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। ইচ্ছা আছে তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রে কাজ করার

   

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

এবারের বিজয় দিবসের নাটকের কাজে অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

এবারের বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি একটি নাটকেই কাজ করেছি। জাহিদ বিপ্লবের পরিচালনায় নাটকের নাম ‘একটি পুরোনো চিঠি’। এতে আমার সহশিল্পী হিসেবে আছেন তৌকীর আহমেদ। গল্প অনুযায়ী ঢাকার বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না বিধায় ঢাকাতেই নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। অভিনেতা হিসেবে তৌকীর ভাইয়ের কথা বেশি কিছু বলব না। এক কথায় অসাধারণ। নাটকের গল্পটিও ছিল বেশ চমৎকার। আশা করছি ভিন্ন কিছু হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের গল্পের নাটকে কাজ করতে কেমন লাগে?

মুক্তিযুদ্ধের গল্পের নাটকে অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে শিল্পী হিসেবে আমি যথেষ্ট সম্মানবোধ করি। মুক্তিযুদ্ধ তো আমাদের ইতিহাস। আমার জন্ম মুক্তিযুদ্ধের পর। তাই বই পড়ে কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেই মূলত যুদ্ধের গল্প শুনেছি। সেই গল্প শুনে কখনও আবেগাপ্লুত হয়েছি। আবার কখনও কান্নায় ভেঙে পড়েছি যে, আমাদের দেশ স্বাধীন করতে গিয়ে কত লাখো শহীদকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তাই তাদের নিয়ে যখন কাজ করি মনের ভেতর আলাদা অনুভূতি কাজ করে। মনে হয় শহীদদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে কাজটি করছি।

শুধু বিশেষ দিবসে কী মুক্তিযুদ্ধের নাটক নির্মাণ করা উচিত বলে মনে করেন?

না, বছরের সবসময়ই যদি রোমান্টিক নাটক, সাংসারিক নাটক নির্মিত হতে পারে তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়েও বছরজুড়ে নাটক নির্মিত হতে পারে। তাতে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে ভালোভাবে জানতে পারবে, বুঝতে পারবে। কারণ মুক্তিযুদ্ধের কারণেই কিন্তু আমরা সুন্দর স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি।

এর আগেও আপনি নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের নাটক করেছেন?

হ্যাঁ, গতবছর রতন রিপনের নির্দেশনায় আমি ‘রতন ডাকাতের দেশটা’ নামক একটি নাটকে অভিনয় করেছিলাম। এটি রচনা করেছিলেন সাগর জাহান। খুব ভালো একটি কাজ ছিল এটি। আমি আসলে ভিন্নধর্মী চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কারণ নিজের অভিনয় দক্ষতাকে প্রমাণের সুযোগ থাকে এখানে।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন : শাহনাজ হেনা, আলোকচিত্রী : মোহসীন আহমেদ কাওছার




 

সাবমিট

মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার : মৌটুসী বিশ্বাস

মৌটুসী বিশ্বাস, দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন তিনি। আসছে বিজয় দিবসের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন। ইচ্ছা আছে তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রে কাজ করার
  
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

এবারের বিজয় দিবসের নাটকের কাজে অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

এবারের বিজয় দিবস উপলক্ষে আমি একটি নাটকেই কাজ করেছি। জাহিদ বিপ্লবের পরিচালনায় নাটকের নাম ‘একটি পুরোনো চিঠি’। এতে আমার সহশিল্পী হিসেবে আছেন তৌকীর আহমেদ। গল্প অনুযায়ী ঢাকার বাইরে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না বিধায় ঢাকাতেই নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। অভিনেতা হিসেবে তৌকীর ভাইয়ের কথা বেশি কিছু বলব না। এক কথায় অসাধারণ। নাটকের গল্পটিও ছিল বেশ চমৎকার। আশা করছি ভিন্ন কিছু হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের গল্পের নাটকে কাজ করতে কেমন লাগে?

মুক্তিযুদ্ধের গল্পের নাটকে অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে শিল্পী হিসেবে আমি যথেষ্ট সম্মানবোধ করি। মুক্তিযুদ্ধ তো আমাদের ইতিহাস। আমার জন্ম মুক্তিযুদ্ধের পর। তাই বই পড়ে কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছেই মূলত যুদ্ধের গল্প শুনেছি। সেই গল্প শুনে কখনও আবেগাপ্লুত হয়েছি। আবার কখনও কান্নায় ভেঙে পড়েছি যে, আমাদের দেশ স্বাধীন করতে গিয়ে কত লাখো শহীদকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তাই তাদের নিয়ে যখন কাজ করি মনের ভেতর আলাদা অনুভূতি কাজ করে। মনে হয় শহীদদের আত্মার শান্তির উদ্দেশ্যে কাজটি করছি।

শুধু বিশেষ দিবসে কী মুক্তিযুদ্ধের নাটক নির্মাণ করা উচিত বলে মনে করেন?

না, বছরের সবসময়ই যদি রোমান্টিক নাটক, সাংসারিক নাটক নির্মিত হতে পারে তবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়েও বছরজুড়ে নাটক নির্মিত হতে পারে। তাতে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে ভালোভাবে জানতে পারবে, বুঝতে পারবে। কারণ মুক্তিযুদ্ধের কারণেই কিন্তু আমরা সুন্দর স্বাধীন সার্বভৌম একটি দেশ পেয়েছি।

এর আগেও আপনি নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধের নাটক করেছেন?

হ্যাঁ, গতবছর রতন রিপনের নির্দেশনায় আমি ‘রতন ডাকাতের দেশটা’ নামক একটি নাটকে অভিনয় করেছিলাম। এটি রচনা করেছিলেন সাগর জাহান। খুব ভালো একটি কাজ ছিল এটি। আমি আসলে ভিন্নধর্মী চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। কারণ নিজের অভিনয় দক্ষতাকে প্রমাণের সুযোগ থাকে এখানে।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন : শাহনাজ হেনা, আলোকচিত্রী : মোহসীন আহমেদ কাওছার




 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র