¦

এইমাত্র পাওয়া

  • সাঈদীর আপিলের রায়কে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়েন || প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এক ম্যাচে ১৫ উইকেট নিলেন সাকলাইন সজিব
সাগরতলে নগর!

যুগান্তর ডেস্ক | প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪

সমুদ্রমন্থন করে খোঁজ মিলল ইতিহাসের খোয়া যাওয়া আরেকটি পাতার চীনের এক প্রাচীন নগরীর। ভূমধ্যসাগরের তলদেশে ঐতিহাসিক গ্রিক হেরোডোটাস কথিত মিসরের বন্দর নগরী হেরাক্লিয়নের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। সাগরতলে হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন এ শহরের সন্ধান পেয়েছেন ফরাসি পুরাতত্ত্ববিদ ফ্র্যাঙ্ক গড্ডিও। এতদিন পর্যন্ত অসংখ্য প্রাচীন মিথ-পুঁথি ও শিলালিপিতে হেরাক্লিয়ন শহরের উল্লেখ ছিল। কিন্তু ইতিহাসের গোলক ধাঁধায় হারিয়ে যাওয়া হেরাক্লিয়ন নগরীর অস্তিত্ব নিয়ে ঐতিহাসিক মহলে নানা সংশয় ছিল।
ইতিহাস অনুযায়ী, ৩৩১ খ্রিস্টপূর্বে আলেক্সান্দ্রিয়া বন্দর প্রতিষ্ঠার বহু আগে গ্রিস থেকে মিসরে ঢোকার পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর হিসেবে বিখ্যাত হয়ে ওঠে এই শহর। শুধু তাই নয়, প্রাচীন মিসরীয় দেবতা আমুনের মন্দিরের জন্যও বিশ্বব্যাপী খ্যাতি ছিল হেরাক্লিয়নের। ঐতিহাসিকদের মতে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকের কাছাকাছি ভূমধ্যসাগরের তীরে এই বন্দর নগরী গড়ে ওঠে। মিসরীয়রা এই শহরকে ‘থনিস’ নামে চিনতেন। খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকে তার উল্লেখ পাওয়া যায় গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাসের লেখায়। তার মতে, এখানেই প্রথম মিসর রাজ্যে পা রাখেন গ্রিক পৌরাণিক বীর হেরাক্লেস। সাগরপাড়ে আমুনের সুবিশাল মন্দিরের বর্ণনাও মেলে হেরোডোটাসের লেখায়। ট্রয়ের যুদ্ধের আগে প্রেমিক প্যারিসের সঙ্গে এই শহরে এসেছিলেন স্বয়ং ট্রোজান সাম্রাজ্ঞী হেলেন। ফ্র্যাঙ্ক গড্ডিওর হাত ধরে অবশেষে নিজ অস্তিত্ব প্রমাণ করল এক সময়ের সমৃদ্ধির শীর্ষে থাকা বাণিজ্য নগরী থনিস-হেরাক্লিয়ন।
২০০০ সালে ভূমধ্যসাগরের গভীরে অভিযান চালাতে গিয়ে প্রাচীন সভ্যতার কিছু নিদর্শন প্রথম নজরে আসে ড. গড্ডিওর নেতৃত্বে ফ্রান্সের এক পুরাতাত্ত্বিক দলের। আলেক্সান্দ্রিয়ার অদূরে আবুকির উপসাগরে সমুদ্রপৃষ্ঠের ৩০ ফুট গভীরে পাওয়া যায় বেশকিছু অতীত সভ্যতার চিহ্ন।
 

দশ দিগন্ত পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close