jugantor
চীনের শত্রুদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

  সালমান রিয়াজ  

২০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের সঙ্গে ওই সাগরের দ্বীপাঞ্চলের মালিকানা দাবি নিয়ে চলছে বহুদিন ধরে কয়েকটি দেশের দ্বন্দ্ব ও মনোমালিন্য। তাদের মধ্যে তাইওয়ান, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম অন্যতম। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অংশের ৩৫ লাখ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগরে প্রচুর তেল ও গ্যাস রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ নৌপরিবহন ওই সাগর দিয়েই হয়ে থাকে।

লোভনীয় ওই দ্বীপাঞ্চল নিয়ে সাগরটির তীরবর্তী অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে ৯০ শতাংশের একগুঁয়ে মালিকানা দাবি করছে চীন। শুরু থেকেই শরিক রাষ্ট্রগুলোর দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে দেশটি। বেইজিংয়ের এই একরোখা দাবিকে ঘিরে এশিয়ার আঞ্চলিক শান্তি বলয়ে ক্রমশ যুদ্ধাত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে। আর এর সুযোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এশিয়ায় মোড়লিপনা খাটানোর ক্ষেত্রে ‘পথের কাঁটা’ চীনকে শায়েস্তা করতে বেইজিংয়ের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে ‘সামরিক সাহস’ দেয়ার আশ্বাসে ‘চীনবিরোধী’ উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের হাতের মুঠোয় থাকা দক্ষিণ চীন সাগরে দখলদারিত্ব নিয়েই মূলত চীন-যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ু লড়াই।

কিন্তু কূটনৈতিক শিষ্টাচারের কারণে সরাসরি সামনে আসছে না যুক্তরাষ্ট্র। আর এ কারণেই পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ানোর কৌশল বেছে নিয়েছে ওয়াশিংটন। শত্রুকে শত্রু দিয়ে ঘায়েল করতে দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম দাবিদার তাইওয়ানের কাছে বৃহস্পতিবার ১৮৩ কোটি মার্কিন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর দ্বারা দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে দীর্ঘদিনের শত্র“তায় নতুন করে ঘি ঢালল যুক্তরাষ্ট্র- এমনটাই মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাইওয়ানকে নিজেদেরই অঙ্গরাজ্য মনে করে চীন। দেশটির ধারণা, সাময়িকভাবে তাইওয়ান বিচ্ছিন্ন হলেও একসময় এটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ‘তাইওয়ান রিলেশন অ্যাক্ট’ বাস্তবায়নে ১২শ’ কোটি ডলারের চুক্তির অংশ হিসেবে দুটি ফ্রিগেট, ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, জল ও স্থলে চলাচলযোগ্য সামরিক যানসহ অন্যান্য সমরাস্ত্র দিচ্ছে তারা।

মূলত দক্ষিণ সাগর ইস্যুতে চীনকে রুখতে দেশটির শত্রুরাষ্ট্রগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এই প্রেক্ষাপটে চলতি বছরের ৭ মে মালয়েশিয়াকে ২১ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের এআইএম-১২০সি৭ মিসাইল, এফ/এ-১৮ডি বিমান বিক্রয়সহ প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্রসামগ্রী ও লজিস্টিক সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

১০ আগস্ট জাপানকে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ২টি লকহিড মার্টিন কর্পস, এএন/এসকিউকিউ-৮৯ মডেলের সমুদ্রতল বিমান ও এন্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজের সরঞ্জামাদি সরবরাহ অনুমোদন করে যুক্তরাষ্ট্র।

১৫ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়াকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের উন্নত প্রযুক্তির এফ-১৬ জেট বিমানসহ মিশন কম্পিউটার, রাডার, নৌ-সরঞ্জাম সরবরাহ চুক্তিতে সই করে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া চলতি বছরের শেষ দিকে ১৯ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়াকে ১১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ইউজিএম-৮৪এল সাবমেরিন লাঞ্চ মিসাইল বিক্রয় করে দেশটি।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের হস্তক্ষেপ রুখতে চলতি বছরের ১৭ নভেম্বর ফিলিপিন্সকে ২টি নতুন জলযান দেয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। এর আগে ১ এপ্রিল ১২ ইউনিট এফ১৬-ভি ফাইটিং জেট বিমান নিয়েছে ফিলিপিন্স এবং ২০১৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নেয়া চতুর্থ জেনারেশনের জেট বিমান চালনায় পারদর্শী হবে দেশটি। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার দেশটিকে ১১৪টি যুদ্ধাস্ত্র যান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ব্রুনাইয়ের কাছে ৩৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের লকহিড সি-১৩০জে বিমান ও ৬টি ইঞ্জিন বিক্রয় করে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সিএন২৩৫, সিএন২৯৫, এটিআর৪২, বিচ১৯০০ডি বিমান ও গোলন্দাজ ট্যাঙ্ক বিক্রয় করেছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব অস্ত্র বাণিজ্যের অন্যতম লক্ষ্য চিরশত্রু চীনকে শায়েস্তা করতে তারই শত্রুদের সঙ্গে বন্ধুত্বতা ও অস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধি করা।

প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত কয়েকটি দ্বীপের মালিকানা নিয়ে রয়েছে সাগর তীরবর্তী দেশগুলোর চিরাচরিত দ্বন্দ্ব। দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জ প্রায় ৪ বর্গকিলোমিটার ভূ-বেষ্টিত ৭৫০টি দ্বীপ, উপদ্বীপ, প্রবাল ও ডুবোচর নিয়ে গঠিত। সামুদ্রিক মাছ, পাখি, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য বিখ্যাত এ দ্বীপটি চীনের আওতাধীন হলেও পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশগুলোও তা দাবি করে আসছে।

পারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে ৩০টি ক্ষুদ্র দ্বীপ, প্রবাল দ্বীপ ও বালুতীর নিয়ে গঠিত। কচ্ছপ ও সামুদ্রিক পাখির জন্য বিখ্যাত এ দ্বীপটি চীনের আওতায় থাকলেও তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম অন্যতম দাবিদার।

প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের আরেক নাম দংশা দ্বীপপুঞ্জ। ৪২৯ একর ভূ-এলাকা ও ১৫৮ একর উপহ্রদজুড়ে ৩টি ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে দ্বীপটি গঠিত। এ দ্বীপের মালিকানা আরও পাকাপোক্ত করতে চীন এখানেই স্থাপন করেছে জাতীয় পার্ক।

স্কারবোরাফ শোলের অন্য নাম ডেমোক্র্যাসি রিফ। ১৫০ বর্গকিলোমিটার পানি বিস্তৃত প্রবাল দ্বীপটি সামুদ্রিক নুড়িপাথরের জন্য বিখ্যাত।

এ দ্বীপটি নিয়ে চীন, তাইওয়ান ও ফিলিপিন্সের মধ্যে বিবাদ চলমান।


 

সাবমিট

চীনের শত্রুদের অস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

 সালমান রিয়াজ 
২০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে চীনের সঙ্গে ওই সাগরের দ্বীপাঞ্চলের মালিকানা দাবি নিয়ে চলছে বহুদিন ধরে কয়েকটি দেশের দ্বন্দ্ব ও মনোমালিন্য। তাদের মধ্যে তাইওয়ান, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম অন্যতম। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অংশের ৩৫ লাখ বর্গকিলোমিটার বিস্তৃত খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগরে প্রচুর তেল ও গ্যাস রয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ নৌপরিবহন ওই সাগর দিয়েই হয়ে থাকে।

লোভনীয় ওই দ্বীপাঞ্চল নিয়ে সাগরটির তীরবর্তী অন্যান্য রাষ্ট্রের সঙ্গে ৯০ শতাংশের একগুঁয়ে মালিকানা দাবি করছে চীন। শুরু থেকেই শরিক রাষ্ট্রগুলোর দাবি প্রত্যাখ্যান করে আসছে দেশটি। বেইজিংয়ের এই একরোখা দাবিকে ঘিরে এশিয়ার আঞ্চলিক শান্তি বলয়ে ক্রমশ যুদ্ধাত্তাপ ছড়িয়ে পড়ছে। আর এর সুযোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এশিয়ায় মোড়লিপনা খাটানোর ক্ষেত্রে ‘পথের কাঁটা’ চীনকে শায়েস্তা করতে বেইজিংয়ের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে ‘সামরিক সাহস’ দেয়ার আশ্বাসে ‘চীনবিরোধী’ উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনের হাতের মুঠোয় থাকা দক্ষিণ চীন সাগরে দখলদারিত্ব নিয়েই মূলত চীন-যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ু লড়াই।

কিন্তু কূটনৈতিক শিষ্টাচারের কারণে সরাসরি সামনে আসছে না যুক্তরাষ্ট্র। আর এ কারণেই পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ানোর কৌশল বেছে নিয়েছে ওয়াশিংটন। শত্রুকে শত্রু দিয়ে ঘায়েল করতে দক্ষিণ চীন সাগরের অন্যতম দাবিদার তাইওয়ানের কাছে বৃহস্পতিবার ১৮৩ কোটি মার্কিন ডলারের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর দ্বারা দক্ষিণ চীন সাগর ইস্যুতে দীর্ঘদিনের শত্র“তায় নতুন করে ঘি ঢালল যুক্তরাষ্ট্র- এমনটাই মনে করেন বিশ্লেষকরা। তাইওয়ানকে নিজেদেরই অঙ্গরাজ্য মনে করে চীন। দেশটির ধারণা, সাময়িকভাবে তাইওয়ান বিচ্ছিন্ন হলেও একসময় এটি মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযুক্ত হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ‘তাইওয়ান রিলেশন অ্যাক্ট’ বাস্তবায়নে ১২শ’ কোটি ডলারের চুক্তির অংশ হিসেবে দুটি ফ্রিগেট, ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, জল ও স্থলে চলাচলযোগ্য সামরিক যানসহ অন্যান্য সমরাস্ত্র দিচ্ছে তারা।

মূলত দক্ষিণ সাগর ইস্যুতে চীনকে রুখতে দেশটির শত্রুরাষ্ট্রগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র অস্ত্র সহায়তা দিচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। এই প্রেক্ষাপটে চলতি বছরের ৭ মে মালয়েশিয়াকে ২১ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের এআইএম-১২০সি৭ মিসাইল, এফ/এ-১৮ডি বিমান বিক্রয়সহ প্রয়োজনীয় যুদ্ধাস্ত্রসামগ্রী ও লজিস্টিক সহায়তা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

১০ আগস্ট জাপানকে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ২টি লকহিড মার্টিন কর্পস, এএন/এসকিউকিউ-৮৯ মডেলের সমুদ্রতল বিমান ও এন্টি-সাবমেরিন যুদ্ধজাহাজের সরঞ্জামাদি সরবরাহ অনুমোদন করে যুক্তরাষ্ট্র।

১৫ জুলাই দক্ষিণ কোরিয়াকে ২.৫ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের উন্নত প্রযুক্তির এফ-১৬ জেট বিমানসহ মিশন কম্পিউটার, রাডার, নৌ-সরঞ্জাম সরবরাহ চুক্তিতে সই করে যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া চলতি বছরের শেষ দিকে ১৯ নভেম্বর দক্ষিণ কোরিয়াকে ১১০ বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ইউজিএম-৮৪এল সাবমেরিন লাঞ্চ মিসাইল বিক্রয় করে দেশটি।

দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের হস্তক্ষেপ রুখতে চলতি বছরের ১৭ নভেম্বর ফিলিপিন্সকে ২টি নতুন জলযান দেয়ার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন। এর আগে ১ এপ্রিল ১২ ইউনিট এফ১৬-ভি ফাইটিং জেট বিমান নিয়েছে ফিলিপিন্স এবং ২০১৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নেয়া চতুর্থ জেনারেশনের জেট বিমান চালনায় পারদর্শী হবে দেশটি। এ ছাড়া গত মঙ্গলবার দেশটিকে ১১৪টি যুদ্ধাস্ত্র যান দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

গত বছরের ৭ অক্টোবর ব্রুনাইয়ের কাছে ৩৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের লকহিড সি-১৩০জে বিমান ও ৬টি ইঞ্জিন বিক্রয় করে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে সিএন২৩৫, সিএন২৯৫, এটিআর৪২, বিচ১৯০০ডি বিমান ও গোলন্দাজ ট্যাঙ্ক বিক্রয় করেছে দেশটি।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব অস্ত্র বাণিজ্যের অন্যতম লক্ষ্য চিরশত্রু চীনকে শায়েস্তা করতে তারই শত্রুদের সঙ্গে বন্ধুত্বতা ও অস্ত্র সরবরাহ বৃদ্ধি করা।

প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদসমৃদ্ধ দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত কয়েকটি দ্বীপের মালিকানা নিয়ে রয়েছে সাগর তীরবর্তী দেশগুলোর চিরাচরিত দ্বন্দ্ব। দক্ষিণ চীন সাগরে অবস্থিত স্পার্টলি দ্বীপপুঞ্জ প্রায় ৪ বর্গকিলোমিটার ভূ-বেষ্টিত ৭৫০টি দ্বীপ, উপদ্বীপ, প্রবাল ও ডুবোচর নিয়ে গঠিত। সামুদ্রিক মাছ, পাখি, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য বিখ্যাত এ দ্বীপটি চীনের আওতাধীন হলেও পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশগুলোও তা দাবি করে আসছে।

পারাসেল দ্বীপপুঞ্জ প্রায় ১৫ হাজার বর্গকিলোমিটারজুড়ে ৩০টি ক্ষুদ্র দ্বীপ, প্রবাল দ্বীপ ও বালুতীর নিয়ে গঠিত। কচ্ছপ ও সামুদ্রিক পাখির জন্য বিখ্যাত এ দ্বীপটি চীনের আওতায় থাকলেও তাইওয়ান ও ভিয়েতনাম অন্যতম দাবিদার।

প্রাতাস দ্বীপপুঞ্জের আরেক নাম দংশা দ্বীপপুঞ্জ। ৪২৯ একর ভূ-এলাকা ও ১৫৮ একর উপহ্রদজুড়ে ৩টি ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে দ্বীপটি গঠিত। এ দ্বীপের মালিকানা আরও পাকাপোক্ত করতে চীন এখানেই স্থাপন করেছে জাতীয় পার্ক।

স্কারবোরাফ শোলের অন্য নাম ডেমোক্র্যাসি রিফ। ১৫০ বর্গকিলোমিটার পানি বিস্তৃত প্রবাল দ্বীপটি সামুদ্রিক নুড়িপাথরের জন্য বিখ্যাত।

এ দ্বীপটি নিয়ে চীন, তাইওয়ান ও ফিলিপিন্সের মধ্যে বিবাদ চলমান।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র