¦
মানুষের জন্য বিজ্ঞাপন

আফজাল হোসেন | প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০১৫

মনে আছে ছোটবেলায় আমাদের গ্রামে বিরাট আকারে ওয়াজ মাহফিল হতো। বছরে একবার হতো বলে সে আয়োজন ছিল খুবই জাঁকজমকপূর্ণ। এও মনে আছে, সে মাহফিলের তারিখ যত কাছে আসত গ্রাম ও গ্রামবাসীর মনে আনন্দ, উদ্দীপনা বাড়তে থাকত, বাড়তেই থাকত।
ওয়াজ মাহফিলের প্রতি আগ্রহ, উৎসাহের কথা জেনে অনেকে কপালে ঘন ভাঁজ আমদানি করতে পারেন। কিন্তু সে সময়টিতে ওয়াজ মাহফিল, ঈদ, পূজা, মেলা, পালাগান, যাত্রা, সার্কাস, সবকিছুতে মানুষের বেহিসাবি আগ্রহ ছিল। সব ধর্মের মানুষের সবকিছুতে আনন্দময় অংশগ্রহণ ছিল। ছিল বলে মানুষ তখন ছিল পরস্পরের জন্য। গ্রামকে বলা হতো ছবির মতো।
সবার এ অংশগ্রহণে সবকিছু সুন্দর সার্থক হয়ে উঠবে, মনে করে সবাইকে দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হতো। সবাইকে জানানোর জন্য তখন দেখেছি, যে কোনো অনুষ্ঠান, আয়োজন সামনে থাকলে গ্রামে গ্রামে রিকশা বা ভ্যানগাড়িতে ঘুরে মাইকিং করে বেড়ানো হতো। হাতে লিখে দেয়ালে দেয়ালে সেঁটে দেয়া হতো পোস্টার। গ্রামের সাপ্তাহিক হাটে ঢেঁড়া পিটিয়ে লোক জানান হতো।
ঢেঁড়া মানে খালি টিনের পাত্র, তাতে কাঠের টুকরা দিয়ে পিটিয়ে জোর শব্দ তুলে করা হতো মনোযোগ আকর্ষণ। তারপর জনতার উদ্দেশে জোর গলায় বলত- ভাইসব, অমুকদিন অমুক জায়গায় অমুুক কারণে আপনার উপস্থিতি কামনা করি।
শুধু যে জীবনের আনন্দদায়ক ঘটনাগুলোর বেলায় বা উৎসব আয়োজন জানান দিতে প্রচার করা হতো তা নয়। মৃত্যু সংবাদও মসজিদের মাইকে বা মাইকিং করে গ্রামে জানিয়ে দেয়ার নিয়ম ছিল।
প্রচার যে জীবনযাপনের অংশ, পেছনের দিনের সেই অজপাড়াগাঁয়ের মানুষের তা মেনে চলতে হয়েছে। একটু মনোযোগী হলে টের পাওয়া যাবে, সে সময়ের প্রচার প্রক্রিয়ায় সচেতনতাও ছিল। দেয়ালের হাতে লেখা তখনকার পোস্টার বিশ্লেষণ করলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে।
পোস্টারের সব বাক্য একই মাপে লেখা হতো না। গুরুত্ব দেয়ার মতো অংশটুকুতে হয় রং পাল্টে লেখা হতো অথবা আকৃতিতে হতো বড়, যেন বিশেষভাবে চোখে পড়ে। মানুষ তো জেনে-বুঝে এ চর্চা করেছে।
সে সময়ে গ্রামের হাট-বাজারের অনেক স্মৃতি অনেকের মনে থাকার কথা। ওষুধের ফেরিওয়ালারা সাধারণ গলায় কথা বলত না। কোনো অস্বাভাবিকতাকে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য বেছে নেয়া ছিল খুবই স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
ছিল বলছি কিন্তু এখনও অভিনব কণ্ঠস্বরে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা অনেক জায়গাতেই দেখা যায়। এখনও বহাল তবিয়তে টিকে আছে তা। সময়ের সঙ্গে হয়তো কিছু পরিবর্তন চোখে পড়ে। আগে খই ফোটার মতো ফেরিওয়ালাকে মুখে অনর্গল কথা ফোটাতে হতো, এখন সে কাজটা যন্ত্রে করে। কিন্তু এমন ঘটনাতেও বিশ্লেষণ করার মতো বিষয় রয়েছে। টেপ রেকর্ডারে রেকর্ড করা কথা বাজতে থাকলেও কোনো ফেরিওয়ালাকে বেকার হয়ে পড়া চেহারায় দেখি না। ক্রেতাকে আকর্ষণ করার চেষ্টা তাকে করতেই হয়।
সময় বদলেছে কারিগরি সহায়তার সহজপ্রাপ্যতায় এসব সাধারণ মানুষের কিছুটা উপকারও হয়েছে। কিন্তু তার পণ্যের আকর্ষণ বৃদ্ধির জন্য নিজেকে নতুন করে আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা হারিয়ে যায়নি। দেখতে পাই মানুষটা কথা বলছে না কিন্তু মুকাভিনয় করছে। মুখে কথা নেই কিন্তু বর্ণনার সঙ্গে চলছে অভিনয়।
বিজ্ঞাপন প্রচারের গুরুত্ব মানুষ আগেও বুঝেছে এখনও বোঝে। মানুষ বোঝে প্রচার, প্রসারে আকর্ষণ সৃষ্টি খুবই জরুরি একটা বিষয়। সময়ের সঙ্গে এ আকর্ষণ সৃষ্টির ধরন পাল্টায়। নতুনের প্রতি বাড়তি খানিকটা আগ্রহ চিরাচরিত বলে মানুষ নিত্য নতুন করে ভাবেও।
ব্যাংককের পতায়া শহরে প্রতিবছর বড়সড় আকারে বিজ্ঞাপন উৎসব হয়ে থাকে। সে উৎসবের উদ্দেশ্য পৃথিবীর সমকালীন বিজ্ঞাপন সম্পর্কে ভাবনা বিনিময়। সে উৎসবে বহুবার যুক্ত হয়ে জানার চেষ্টা করেছি, এ বিষয়ে মানুষের চিন্তা-চেতনা কতখানি প্রতিনিয়ত বদলে যাচ্ছে। প্রতিবছর যে বদলের চিত্র দেখা হয়েছে তা বিস্ময়কর।
এ দেশে পণ্যের প্রচার-প্রসারের জন্য এক এক মাধ্যমে এক এক রকম গুরুত্ব দেয়া হয়। কোনো কোনো মাধ্যমকে তো অধিক গুরুত্বপূর্ণও বিবেচনা করা হয়। কিন্তু পৃথিবীর ভাবনা নিয়মিত বদলে যাচ্ছে। মানুষ যে পরিবর্তনশীলতা পছন্দ করে সেটা মাথায় রেখে নানা নতুন ভাবনা, ভাবনার প্রয়োগ বিজ্ঞাপনে যুক্ত হচ্ছে। বিজ্ঞাপন এককভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রক্রিয়া যার কার্যকারিতার জন্য প্রতিষ্ঠিত মাধ্যমের সাহায্য না পেলেও চলে।
নতুন ধারণা নতুন উপস্থাপনায় মানুষের সামনে উপস্থাপিত হলে মানুষ কীভাবে তা গ্রহণ করে তার একটা উদাহরণ এখানে দেয়া যাক। ঘটনাটা শ্রীলংকার। আবাসিক এলাকার নির্দিষ্ট একটি অংশের অধিবাসীরা খুবই যাতনায় ছিলেন। তিন রাস্তার সংযোগস্থলে একটা ময়লা ফেলার জায়গায় ময়লা ফেলা নিয়ে সংকট। মিউনিসিপালিটি কর্তৃপক্ষের রাখা বিশেষ পাত্রে সবার ময়লা ফেলার কথা কিন্তু দেখা যায় পাত্রে যতখানি ময়লা ফেলা হয় তার তিনগুণ আশপাশে পড়ে থাকে। সে দুর্গন্ধে চলাফেরা দায়। সচেতন করার অনেক চেষ্টা বৃথা গেছে। জায়গাটা পরিষ্কার করে ময়লা ফেলার পাত্রটি সরিয়ে নিয়েও ফল লাভ হয়নি। পাত্র সরিয়ে রেখে ময়লার পরিমাণ কমেছে কিন্তু বন্ধ হয়নি। কর্তৃপক্ষ উপায় না দেখে বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের স্মরণাপন্ন হলেন।
যারা দায়িত্বটা পেলেন তাদের জন্য এ এক নতুন চ্যালেঞ্জ। জনগণ জানে জায়গাটাতে ময়লা ফেললে দুর্গন্ধ ছড়ায়, অসুন্দর দেখায়। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর, বাসিন্দাদের জন্য তা অস্বস্তিকর ও অস্বাস্থ্যকর। সব জানার পরও মানুষ যে কাজটা করে তা থেকে বিরত রাখা কঠিনতম চ্যালেঞ্জ।
বিজ্ঞাপন মানে অধিকাংশেরই ধারণা প্রচার। পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধির প্রক্রিয়া। বিজ্ঞাপন তারও চেয়ে অধিক কিছু। ভেবে দেখার প্রয়োজন হয় না বলে আমরা ভেবে দেখি না। বিজ্ঞাপন এক ধরনের সংক্রমণ প্রক্রিয়া। মানুষের চিন্তা-চেতনার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে। প্রচলিতকে পাল্টে দেয় অনায়াসে। বিজ্ঞাপন বা প্রচার অস্থিরকে দেয় সুস্থিরতা। বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট শ্রেণী বিন্যাস আছে কিন্তু একথাও সত্যি কোনো পক্ষের অবস্থান সংকটাপন্ন করে তোলে না। সবার পৃথক মর্যাদা অটুট রাখার বিষয়ে সচেতনতা থাকে। বিজ্ঞাপন শুধু বিপণনের জন্য নয় আজকের যুগে তা সুস্পষ্ট। যে উদাহরণের কথা বলছিলাম তা পুরোটা বলা যাক।
শ্রীলংকার সেই আবাসিক এলাকায় ময়লা ফেলা নিয়ে যে সংকটের সৃষ্টি তা থেকে কীভাবে রেহাই মিলেছিল, জানলে অবাক লাগে এবং তা আনন্দদায়কও। সমস্যা জটিল। মানুষ জেনেশুনে, বুঝে যে অন্যায় করেছে। পরামর্শ, উপদেশ, কাঁড়িকাঁড়ি টাকা ব্যয় তা করে থামানো যায়নি কিন্তু জাদুর মতো সৃজনশীল ভাবনা দিয়ে সে সমস্যার সমাধান হয়েছিল।
জায়গাটা পরিষ্কার করে রাখলেও মানুষ ময়লা ফেলছে, এ স্বভাবকে একটু খুটিয়ে দেখতে চেয়েছিল দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান। তারা ওই এলাকায় অনেক গোপন ক্যামেরা বসাল। তা দিয়ে দেখতে বা বুঝতে চাইল পরিচ্ছন্ন জায়গাটায় ময়লার প্যাকেট ছুড়ে ফেলার সময় মানুষেরা কেমন আচরণ করে। ময়লা ফেলতে আসা মানুষজন পরিচ্ছন্ন জায়গাটার তোয়াক্কা করে না, তাদের মনে দ্বিধা থাকে, নাকি পুরো বিষয়টিতে তাদের এক ধরনের নির্বিকারত্ব রয়েছে। এ মনস্তত্ব বুঝতে চেয়েছিল তারা।
ক্যামেরায় যে চিত্র ধারণ করা হয়, তা দেখে বুঝে ফেলা সম্ভব হয় সহজে। দেখা যায়, ময়লার প্যাকেট হাতে মানুষেরা আসে, ময়লা ফেলার জায়গাটা পরিষ্কার করা হয়েছে দেখে হাতের ময়লা ছুড়ে ফেলতে গিয়ে মন থেকে বাধা পায়। ইতস্তত করে। তারপর প্রায় সবাই এদিক-ওদিক দেখে নিয়ে ময়লা ছুড়ে ফেলে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
সমাধানের পথ পাওয়া গেল। সেই ভিডিও চিত্র পর্যবেক্ষণ করে বোঝা গেল, পরিষ্কার জায়গায় মানুষ ময়লা ফেলে তবে ফেলতে ইতস্ততও করে। এদিক-ওদিক তাকিয়ে ময়লা ফেলে সবার দ্রুত পলায়ন দেখে সুন্দর জায়গাকে অসুন্দর করে তোলা যে অন্যায়, এ অপরাধবোধ সবার মনে রয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়।
বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠানটি ঠিক করল মানুষের সুন্দরের প্রতি সমীহ আছে এতএব সুন্দরকে আরও শক্তিশালী করে তুললে ফললাভ হবে। রাতারাতি ওই জায়গার দেয়ালে উজ্জ্বল রঙে চমৎকার ছবি আঁকা হল। পরদিন ধারণ করা চিত্রে দেখা গেল, সবাই ময়লা নিয়ে এসেছে, ছুড়ে ফেলতে গিয়ে চমৎকার ছবি দেখে ছুড়ে দেয়া থেকে বিরত থাকছে। সবার মুখে বিস্ময়, আনন্দ, কৌতুকও। দেখা গেছে ছবিটা মনোযোগ দিয়ে দেখে, হাতের ময়লা না ফেলে হাতে নিয়ে সবাই সে স্থান ত্যাগ করছে। সম্যসার সমাধান হল। প্রচলিত ধারণায় নয় অভিনব কায়দায়।
আমাদের দেশে বিজ্ঞাপনের রূপ বদল হচ্ছে। তবে তার ভূমিকা প্রচারেই প্রধান। বাণিজ্যিক স্বার্থেই তার ব্যবহার সীমাবদ্ধ।
আমরা দেখি, বিজ্ঞাপনের জন্য এখানে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ঠিক করা থাকে। ধরে নেয়া হয় টেলিভিশন, খবরের কাগজ, রেডিও আর বিলবোর্ড, এসবের সঙ্গেই মানুষের বিজ্ঞাপন জীবনের সম্পর্ক। এ মাধ্যমগুলোয় যুক্ত থাকতে পারলে মানুষের সঙ্গে সার্থকভাবে যুক্ত থাকা যায়।
বাংলাদেশে এইডস প্রতিরোধে যে সচেতনতার কার্যক্রম তা সর্বস্তরে যেন পৌঁছাতে পারে তার জন্য প্রচলিত মাধ্যমগুলোর ব্যবহার ছাড়াও প্রচলিত কিছু পুরনো কায়দা অনুসরণ করা হয়েছে। দেখা গেছে তার কার্যকারিতা বেশ প্রবল। সিনেমা চালিয়ে গ্রামে গ্রামে দেখান, গানের তালে, সুরের ভেতর দিয়ে মানুষকে তথ্য জানান। পাড়া মহল্লায় নাটকের দল নাটক অভিনয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জানানোর সুযোগ করে দেয়া করণীয়।
বিজ্ঞাপনে বদল এসেছে। চিন্তায়-চেতনায় আরও বদল দরকার। কারও পকেটে অনেক টাকা তারা অনেক বিজ্ঞাপন প্রচারে সমর্থ। যার অর্থবল কম, তাকে সে অনুযায়ী সীমিত প্রচার অভিযানে নামতে হয়। এ প্রবল ও দুর্বলের সহবস্থান হয়তো জগতে সবস্থানে রয়েছে। তবে আমাদের দেশের দাপুটেদের দাপট প্রকটভাবে দৃশ্যমান। প্রত্যহের বিজ্ঞাপন কার্যক্রম মনোযোগ দিয়ে দেখলে দাপটের আকার প্রকার বোঝা সম্ভব হবে।
জোর রয়েছে বলে বিশালাকার বিলবোর্ডে বিনিয়োগ হল, বড় দৈর্ঘ্যরে বিজ্ঞাপন চিত্র নির্মিত হল। সব চ্যানেলে সর্বাধিকবার প্রচার যেন হয় তা নিশ্চিত হল। অর্থের অভাব নেই বলে যেমন খুশি খরচ করে গ্রাম-গঞ্জে, নদীতে খালে বিলে ঘরের দেয়ালে উঠানে পণ্যের নাম ছড়িয়ে দেয়া হলে, তা দাপট। এসব দাপট বাড়াবাড়িই।
বিজ্ঞাপন বা প্রচারে অর্থের সম্পর্ক রয়েছে তবে সৃজনশীলতার ওপর ভরসা না রেখে অর্থের জোরে পার পেয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকলে তা শুভ নয়। নিশ্চিত করে বলা যায় অর্থই অনর্থ সৃষ্টি করে।
বড় আকারে বিজ্ঞাপন প্রচার করে বড় আকারে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার চেষ্টা খুবই সাধারণ চিন্তা। বিজ্ঞাপন অতি সৃজনশীল মাধ্যম। সৃজনশীলতা সবচেয়ে বড় শক্তি। যে শক্তি ব্যবহরের চেষ্টা আমাদের বিজ্ঞাপনে রয়েছে। সেটা আশার কথা। তবে অর্থবলের দাপট বা অসম প্রচার প্রতিযোগিতা পাশাপাশি প্রকটভাবে রয়েছে তাও অস্বীকার করা যাবে না।
বিজ্ঞাপনের দশা কি রকম। এ রকম প্রশ্ন মাথায় এলে উত্তরের আগে ভাবতে হবে দেশের ও দশের দশা কি রকম। মানুষ সময়কে অতিক্রম করে। বিজ্ঞাপনকেও করতে হয়। এ সমাজের জোরওয়ালা দাপুটে মানুষেরা যদি তার নিয়ন্তা হয় সে স্বেচ্ছাচারিতা বেচারা বিজ্ঞাপনকে টু শব্দ না করে মেনে নিতে হয়। মেনে নিতে হচ্ছে নিরীহ সাধারণ মানুষকেও।
 

বর্ষপূর্তি সংখ্যা পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close