রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ২২:০৪:৫০ প্রিন্ট
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
জালিয়াতি করে ১৬তম, সাক্ষাৎকারে ধরা

এইচএসসি পরীক্ষার মার্কসশিটে ইংরেজি বিষয়ে তিনি সর্বনিম্ন ‘ডি’ গ্রেড পেয়েছেন মো. খলিলুর রহমান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ১০ এর মধ্যে ৭ পেয়ে ১৬তম মেধা স্থান অজর্ন করেন তিনি।

এতে সন্দেহ হয় শিক্ষকদের। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনস কমপ্লেক্সে অনুষদের ভর্তি কমিটির কাছে সাক্ষাৎকার দিতে এসে বিপাকে পড়েন খলিলুর রহমান।

হাতের লেখা ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ভর্তি অযোগ্য ঘোষণা করে ভর্তি কমিটির সদস্যরা। একই সঙ্গে জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

জানা গেছে, খলিলুর যশোর সদর থানার তোফায়েল আহমেদের ছেলে। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নম্বর ছিল ২০০৩২। লিখিত অংশে ইংরেজি বিষয়ে ১০ নম্বরের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭ নম্বর পান। অন্য কোনো পরীক্ষার্থী তার ধারে-কাছেও নেই।

এছাড়া এইচএসসি পরীক্ষার মার্কসশিটে ইংরেজি বিষয়ে তিনি সর্বনিম্ন ‘ডি’ গ্রেড পেয়েছিলেন। এতে সন্দেহ হয় সাক্ষাৎকার নেয়া শিক্ষকদের।

অনুষদের ডিন ও বি ইউনিটের ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক আবু নাসের মো. ওয়াহিদ জানান, গত ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষা নেয়া হয়। উত্তরপত্র মূল্যায়ন শেষে গত ৫ নভেম্বর ২৬৭ জনের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে মো. খলিলুর রহমান ১৬তম স্থান অর্জন করেন। মেধাতালিকাভুক্তদের ১৪ নভেম্বর মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।

সেখানে খলিলুর উপস্থিত হলে, তার হাতের লেখা ও অন্যান্য বিষয় যাচাই-বাছাইয়ের সময় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এসময় খলিলুর শিক্ষকদের জানায়, ভর্তি পরীক্ষার সময় তিনি অর্ধেক এবং অন্য আরেকজন পরীক্ষার্থী তাকে অর্ধেক লিখে দিয়ে সহায়তা করেছিল।

পরে তাকে জালিয়াতির দায়ে প্রক্টর দফতরে হস্তান্তর করা হয়। প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান তাকে পুলিশে সোপর্দ করেন।

রাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ওই ভর্তিচ্ছুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। পরে তাকে জালিয়াতির অভিযোগে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। পুলিশ তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

নগরীর মতিহার থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, ‘তাকে থানায় আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত