সংসদ রিপোর্টার    |    
প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ২০:৫৬:০৫ প্রিন্ট
ব্যাংকে পারিবারিক পরিচালক দ্বিগুণ, মেয়াদও হবে ৯ বছর
ফাইল ছবি

একক পরিবারের দুইজনের স্থলে চারজনকে একটি ব্যাংকের পরিচালক হওয়ার সুযোগ করে দিতে বিদ্যমান ব্যাংক-কোম্পানি আইন সংশোধনের আইনি পদক্ষেপ নেয়া হলো।

এ লক্ষে জাতীয় সংসদে ব্যাংক-কোম্পানি (সংশোধনী) বিল- ২০১৭ উত্থাপিত হয়েছে।

বিলটি পাস হলে প্রথম পর্ষদের মেয়াদ এক বছরের বিদ্যমান বিধান এবং প্রতি বছর এক-তৃতীয়াংশ পরিচালকের পদত্যাগের বাধ্যবাধকতাও আর থাকবে না।

প্রস্তাবিত বিলে পরিচালকরা ধারাবাহিকভাবে টানা ৯ বছর পরিচালক পদে থাকতে পারবেন বলে বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিলটি উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

পরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বিলটি অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিলটি আনার উদ্দেশ্য সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, কোনো পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যদি কেউ আলাদাভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং নিজেই করদাতা হন তাহলে তাকে পরিবারের ওপর নির্ভরশীল বলা যায় না। বর্তমান বিধানে একক পরিবার থেকে পরিচালক পদে নিয়োগযোগ্য সদস্যসংখ্যা দুজনে সীমিত থাকায় এর কম সদস্যদের পরিচালক হওয়ার সুযোগ সীমিত।

তিনি জানান, কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর সংশ্লিষ্ট বিধানে পরিচালক পদের মেয়াদের ব্যাপ্তি সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। এছাড়া কোম্পানি আইনের বিধান অনুযায়ী প্রথম পর্ষদের মেয়াদ এক বছর এবং এর পরবর্তীতে প্রতি বছর এক-তৃতীয়াংশ পরিচালকের পদত্যাগের বিধান রয়েছে।

ফলে পরিচালকরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না। নতুন প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকগুলোর সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে সব ক্ষেত্রেই যাতে ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ ৯ বছর পর্যন্ত পরিচালক পদে থাকার সুযোগ সৃষ্টি হয়, সেই লক্ষ্যে সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালকরা সাধারণভাবে বার্ষিক সভায় শেয়ার হোল্ডারদের দ্বারা নির্বাচিত হন কিংবা মধ্যবর্তীকালে শূন্য পদের বিপরীতে পর্ষদ সভায় মনোনীত হয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে কোন পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণ করা হবে- তা স্পষ্টীকরণের স্বার্থে পরিবর্তন আনয়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বিলে বলা হয়েছে, এই বিলটি আইনে কার্যকর হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি কোনো ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালক পদে একাধিকক্রমে ৯ বছরের বেশি থাকতে পারবেন না। মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৩ বছর অতিবাহিত না হলে তিনি ওই ব্যাংক-কোম্পানির পরিচালক পদে পুনঃনিযুক্ত হওয়ার যোগ্য হবেন না।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by