অনলাইন ডেস্ক    |    
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৩:২৮:৩৫ প্রিন্ট
পটুয়াখালিতে বিড়ি শ্রমিকদের কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি
বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা বলেছেন, বৈষম্যমূলক শুল্কনীতির কারণে ধুঁকেধুঁকে মরে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিড়ি শিল্প। একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কারখানাগুলো। বেকার হচ্ছে লাখ লাখ হত দরিদ্র মানুষ। মানুষের কর্মস্থানের ব্যবস্থা করাসহ বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতারা।
 
বুধবার সকালে পটুয়াখালি প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ বিড়ি শিল্প শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত এক মানববন্ধন উত্তর  সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন লক্ষন চন্দ্র দেবনাথ। 
 
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিথ ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এম কে বাঙ্গালী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক হেরিক হোসেন, লোকমান হাকিম, হাবিবুর রহমান, সদস্য আবুল হাসনাত লাবলু ও শামীম হোসেন, হাবিবুর রহমান ও প্রনব দেবনাথ। 
 
মানববন্ধনে বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এমকে বাঙ্গালী বলেন, বিড়ি একটি দেশীয় প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। এখানে লাখ লাখ হত দরিদ্র মানুষ কাজ করে জীবিকা ও জীবন চালায়। বিড়ির যে বিনিয়োগ ও লাভ তা এদেশেই থাকে। অন্যদিকে সিগারেটে মানুষের তেমন প্রয়োজন হয় না। বৃটিশ আমেরিকান কোম্পানী লাখ লাখ টাকা মুনাফা করে বিদেশে পাচার করছে।
 
তিনি আরো বলেন, এনবিআরের কিছু অসৎ কর্মকর্তার কারণে বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি প্রণয়ন করেছে সরকার। এর ফলে সিগারেট এক তরফা সুবিধা পাচ্ছে। এ কারণে বিড়ি শিল্প আজ ধুঁকে ধুঁকে মরছে। বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কারখানা। বেকার হচ্ছেন লাখ লাখ বিড়ি শ্রমিক। তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করাসহ বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি প্রত্যাহার করে বিড়ি শিল্পকে রক্ষার দাবি জানান তিনি। 
 
যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, এনবিআরের কর্মকর্তারা ঘুষ খেয়ে বৃটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানীকে সুবিধা দিচ্ছে। আজ আমরা ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে পৌছেছি। এ ভাবে আর চলতে দেয়া হবে না। বিড়ি শিল্প ধ্বংস ও সিগারেটের বাজার সম্প্র্রসারণে এনবিআরের নীতিকে অবশ্যই প্রত্যাহার করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা কঠিন আন্দোলনে যাবো। প্রয়োজনে আমরণ অনশন করে বিড়ি শিল্পকে রক্ষা করবো।  
 
এর আগে হাজার হাজার শ্রমিক রোড শো করে বিড়ি শিল্প রক্ষায় রাস্তায় জড়ো হতে থাকে। তারা বৈষম্যমূলক শুল্ক নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন শ্লোগান দেন। প্রেসক্লাবের সামনে হাজার হাজার শ্রমিক মানববন্ধনে অংশ নেন। 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত