প্রিন্ট সংস্করণ    |    
প্রকাশ : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ০২:৫৩:৩২ প্রিন্ট
সুচি সরকারের সেরা উপহাস
রোহিঙ্গাশূন্য রাখাইনে এখন বাস্তবায়ন চান কফি আনান কমিশনের সুপারিশ * রিপোর্ট বাস্তবায়নে কমিটি ঘোষণা * ১৭৬ রোহিঙ্গা গ্রাম জনশূন্য : সরকারের তথ্য

রোহিঙ্গা নাগরিকদের ওপর নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ ও মাতৃভূমি থেকে বিতাড়ন পর্ব শেষ করার প্রাক্কালে মিয়ানমার সরকার এখন কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। যা বছরের সেরা উপহাস ছাড়া আর কিছু নয়।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা এমনটিই মনে করছেন। তারা বলেন, এটি হাস্যকর পদক্ষেপ। আর বাস্তবতা হল, তারা কোনোদিন রোহিঙ্গা মুসলমানদের স্বীকৃতি দেবে না। তাদের গত কয়েক বছরের আচরণ বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করেছে। বিশেষ করে এবারের বর্বরোচিত গণহত্যার মধ্য দিয়ে তাদের ঘৃণিত স্বরূপ উন্মোচিত হয়েছে।

যদিও কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন মিয়ানমার নেত্রী অং সান সুচি। নিরপরাধ রোহিঙ্গাদের ওপর নজিরবিহীন হত্যাযজ্ঞ চাপিয়ে দেয়ায় নড়েচড়ে বসেছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, যেটা হয়তো সুচি সরকারের হিসাবের মধ্যে ছিল না। তবে পরিস্থিতি সামলাতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুখ লুকিয়ে রাখার নীতি আর নিজ দেশে গণমাধ্যমকে মিথ্যা প্রচারণায় ব্যবহার করেও সুচি সরকারের শেষরক্ষা হচ্ছে না।

অনেকটা চাপের মুখে মিয়ানমার সরকার এখন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের সুপারিশ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে, ঘোষণা করেছে নতুন বাস্তবায়ন কমিটি। কিন্তু বাস্তব অবস্থা বিশ্লেষণে এতে রোহিঙ্গাদের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে কিনা তা নিয়ে ঘোর সংশয় রয়েছে। সরকারের ঘোষণা এমন সময় এসেছে যখন রাখাইন কার্যত রোহিঙ্গাশূন্য হতে চলেছে। সরকারের পক্ষ থেকেই বুধবার স্বীকার করা হয়েছে যে মিয়ানমারের তিনটি এলাকায় ৪৭১টি রোহিঙ্গা গ্রামের ১৭৬টিতে একজনও রোহিঙ্গা নেই। তবে বাস্তব অবস্থা হয়তো আরও করুণ।

আন্তর্জাতিক নিন্দার মধ্যে অবশেষে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে মিয়ানমার। প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে মঙ্গলবার এ বিষয়ে কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। এ কমিটি গঠন করা হলেও আশার আলো কম। কারণ, ওই কমিটির মূল সুপারিশের প্রতি কোনো ভ্রূক্ষেপ করবে না নতুন কমিটির সদস্যরা। তারা সেই ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনের অধীনেই প্রক্রিয়া চালাবে, যে আইনে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব পাওয়া প্রায় অসম্ভব।

নতুন কমিটির ঘোষণায় সরকার দাবি করেছে, রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিরাপত্তা ও জীবন-জীবিকার মান উন্নত করতে ওই কমিশন যেসব সুপারিশ উত্থাপন করেছিল তা বাস্তবায়নই হবে সরকার গঠিত কমিটির কাজ।

জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনান নেতৃত্বাধীন একটি কমিশন গত মাসে ৬৩ পৃষ্ঠার রিপোর্ট প্রকাশ করে। তাতে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। বলা হয়, রোহিঙ্গারা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়ে বিপন্ন হয়ে পড়েছেন। তাদের ওপর দীর্ঘ সংঘাত, রাষ্ট্রহীনতা ও বৈষম্য তাদের আরও বিপন্ন করে তুলেছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বে রাষ্ট্রহীন যত মানুষ আছেন তাদের শতকরা প্রায় ১০ ভাগের বসবাস মিয়ানমারে। রাষ্ট্রহীন একটি একক গোষ্ঠী হিসেবে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। মিয়ানমারে ১১ লাখ রোহিঙ্গা বাস করলেও নাগরিকত্ব আছে মাত্র ৪ হাজার জনের।

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, রাখাইনে সংকট তিন মাত্রিক- উন্নয়ন, মানবাধিকার ও নিরাপত্তা। সংখ্যাগরিষ্ঠ আরাকান বৌদ্ধ ও সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের উল্লেখ করে ওই রিপোর্টে বলা হয়, যদি এসব চ্যালেঞ্জ অবিলম্বে মোকাবেলা করা না হয় তাহলে দু’গ্রুপের মধ্যেই আরও উগ্রপন্থা বিস্তারের মতো বিপদ রয়েছে। এতে ৮৮টি সুপারিশ উত্থাপন করা হয়। ওই কমিশন মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়, একটি সুস্পষ্ট স্ট্র্যাটেজি ও টাইমলাইন দিতে, যাতে নাগরিকত্বের প্রক্রিয়া যাচাই করা যায়। যাদের নাগরিকত্বের আবেদন গ্রহণযোগ্য হয়নি তাদের স্ট্যাটাস কি হবে এ বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে সরকারকে।

১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনকে সংশোধনের আহ্বান জানানো হয়। কারণ, এ আইনের অধীনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মিয়ানমারের নাগরিক বলে স্বীকৃতি দেয়া হয় না। তারা কোনো রকম নাগরিক অধিকার পান না। বসবাস করেন রাষ্ট্রহীন মানুষের মতো।

মঙ্গলবার মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের অফিস থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ইমপ্লিমেন্টেশন কমিটি অব রাখাইন এডভাইজরি কমিটি’ নামে ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা জাতিসংঘ কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবে।

তবে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা এলাকাগুলোতে এ কমিটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক সম্পর্কের বিষয়ে কাজ করবে। পাশাপশি তারা জাতিগত লোকজনের বসবাস যেসব গ্রামে সেখানে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার কাজ করবে। এতে আরও বলা হয়, এ কমিশন রোহিঙ্গাদের দেশের নাগরিকত্ব আইনের অধীনে নাগরিকত্ব দেয়ার বিষয়টি দ্রুতগতিতে যাচাই-বাছাই করবে।

কিন্তু রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেয়ার বিষয়ে এতে স্পষ্ট করে বলা হয়নি। যেমনটা সুপারিশ করেছে কফি আনান কমিশন। ওই আইন সংশোধনের আহ্বান জানিয়েছে কমিশন। সে বিষয়েও কোনো কথা নেই বিবৃতিতে, উল্টো যেটা আছে তা হল- ওই আইনের অধীনেই নাগরিকত্ব দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এ আইনের অধীনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ নেই বললেই চলে। কারণ, সেখানকার নাগরিক হতে হলে সবার আগে মিয়ানমারের সরকারি ভাষায় কথা বলা জানতে হবে, প্রমাণ দেখাতে হবে স্বাধীনতার আগে তাদের পূর্বপুরুষদের বসবাস ছিল মিয়ানমারে। এসব প্রমাণ সংগ্রহ করা রোহিঙ্গাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে ‘যে গুড় সেই বালি’ অবস্থা দাঁড়িয়েছে।

১৭৬ রোহিঙ্গাগ্রাম জনশূন্য : মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জ হে বুধবার জানিয়েছেন, দেশটির তিনটি এলাকায় ৪৭১টি রোহিঙ্গা গ্রাম ছিল। তার মধ্যে ১৭৬টি গ্রাম এখন জনশূন্য। এছাড়া ৩৪টি গ্রামের বহু রোহিঙ্গা ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি বলেন, যারা পালিয়ে গেছেন তাদের সবাইকে ফেরার সুযোগ দেয়া হবে না। যাচাই-বছাই শেষে তাদের গ্রহণ করা হবে। রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার মধ্যে থাকা মিয়ানমার নেত্রী অং সান সুচি চলতি মাসে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না। মিয়ানমার সরকারের মুখপাত্র জ তাই বলেছেন, ‘আমাদের স্টেট কাউন্সিলর গত বছর জাতিসংঘ অধিবেশনে বক্তৃতা করেছিলেন। এবার তিনি যাচ্ছেন না।’ সুচির না যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তার আরেক মুখপাত্র অং শিন বলেছেন, ‘সম্ভবত’ মিয়ানমার নেত্রীর হাতে আরও জরুরি কাজ রয়েছে। সমালোচনার মুখোমুখি হতে বা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে তিনি কখনও ‘ভয় পান না’।

১৯ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন বসছে। সুচি ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংহতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছে সরকারের এক মুখপাত্র।

মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে আগে থেকেই ৪-৫ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ছিলেন। এর মধ্যেই ২৫ আগস্ট রাতে রাখাইনে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার ঘটনার পর দমন-পীড়নের মুখে বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল চলছে। জাতিসংঘ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এরই মধ্যে আরও প্রায় চার লাখ রাহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছেন এবং এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের ওপর চাপ দেয়ার জন্য এ সংকটের কথা জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তুলবেন বলে ইতিমধ্যে জানিয়ে রেখেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সেনাবাহিনী কিভাবে গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে মানুষ মারছে, ঘরের ভেতরে আটকে রেখে কিভাবে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে, কিভাবে গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে, সেই বিবরণ পাওয়া যাচ্ছে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের কথায়। মিয়ানমার তাদের সেনাবাহিনীর এ অভিযানকে বর্ণনা করেছে ‘সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই’ হিসেবে। রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন গ্রামে হামলা ও হত্যার জন্য রোহিঙ্গাদেরই দায়ী করা হচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের নাগরিকের মর্যাদা না দেয়ায় এবং তাদের ওপর নির্যাতন বন্ধের পদক্ষেপ না নেয়ায় মিয়ানমার নেত্রী সুচি বিশ্বব্যাপী সমালোচনায় পড়েছেন। শান্তির জন্য পাওয়া তার নোবেল পুরস্কার কেড়ে নেয়ারও দাবি তুলেছেন কেউ কেউ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার রাখাইনের ঘটনা প্রবাহকে চিহ্নিত করেছেন জাতিগত নির্মূল অভিযানের একটি ‘পাঠ্যবইয়ের উদাহরণ’ হিসেবে। মানবিক এ সংকট নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।

গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ : বছরের পর বছর গৃহবন্দি থাকার সময় সুচি স্বাধীন গণমাধ্যমের ভক্ত ছিলেন। এখন তিনি ক্ষমতায়। অথচ তার সরকার এখন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে মরিয়া, তারা চাচ্ছেন গণমাধ্যম সরকারি ভাষ্যই প্রকাশ করুক। বুধবার এক প্রতিবেদনে দ্য ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর জানায়, দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সুচির ওপর তীব্র আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় চাইছে সুচি সামরিক বাহিনীর নিপীড়নের নিন্দা করুক। কিন্তু তিনি তা করছেন না। উল্টো এখন দেশটির গণমাধ্যমকে সামরিক বাহিনীর প্রপাগান্ডায় ব্যবহার করছেন সুচি। মিয়ানমার সরকার এমন দাবিও করেছে যে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থাগুলো কথিত রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের সহায়তা করছে।

ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর জানায়, সুচি এখন রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সামরিক বাহিনীর সহায়ক লেখা প্রকাশ করতে সাংবাদিকদের চাপ দিচ্ছেন। অথচ তার ১৫ বছরের বন্দি দশার অবসান ঘটাতে বড় ভূমিকা রেখেছিল স্বাধীন গণমাধ্যম। বন্দি দশায় সুচি গণমাধ্যমকে খুবই সমীহ করতেন। এখন তিনি সেনা শাসকদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গণমাধ্যমকে চাপ দিয়ে সরকারের মুখপাত্র বানাচ্ছেন।

মানবাধিকার সংস্থা বার্মা ক্যাম্পেইন ইউকের পরিচালক মার্ক ফার্মানের বলেন, সুচি সরকার গণমাধ্যমগুলোকে সেনাদের সমালোচনা থেকে বিরত রাখছে। সুচি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলছেন। সুচিও সেনাদের এ প্রচারণায় সায় দিচ্ছেন যে, মিয়ানমার বিদেশি সন্ত্রাসীদের ভয়ানক হুমকির মধ্যে রয়েছে। এতে সহিংসতা আরও বাড়বে। সুচি এমন দাবিও করেছেন, স্বাধীন গণমাধ্যম ভুয়া তথ্যের আইসবার্গ। তারা সন্ত্রাসীদের সহায়তা করছে।

সর্বশেষ রোহিঙ্গা সংকটের পর সুচি সরকার রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যমে বিবিসির অনুষ্ঠান প্রচার করার চুক্তি বাতিল করে দিয়েছে। অথচ এক সময় তিনি ছিলেন বিবিসির ভক্ত শ্রোতা।

মিয়ানমারের গণমাধ্যমে শুধু ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের’ কথিত হত্যাযজ্ঞের চিত্র দেখানো হয়। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরতার চিত্র একেবারেই অনুপস্থিত।

মিয়ানমারের নিরপেক্ষ বিশ্লেষক ডেভিড ম্যাথিসন বলছেন, সুচির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ নয় ও স্বাধীন কণ্ঠস্বর হিসেবে দেখতে চায় না, মনে করে দাসানুদাস। তিনি বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ গণতান্ত্রিক উত্তরণে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে। এছাড়া সরকার ও গণমাধ্যমের সবচেয়ে তিক্ত রণক্ষেত্র হচ্ছে রাখাইন রাজ্য।
 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by