পটুয়াখালী প্রতিনিধি    |    
প্রকাশ : ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৭:২৭:২৩ | অাপডেট: ১৭ জুলাই, ২০১৭ ১৭:৩২:৩৮ প্রিন্ট
শিশু আদুরির নির্যাতন মামলার রায় ১৮ জুলাই
বর্তমানে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া আদুরি

রাজধানীর পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ডাস্টবিন থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অাট বছরের শিশু আদুরির নির্যাতনের মামলার রায় আগামী ১৮ জুলাই ঘোষণা করা হবে।

সোমবার ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩  আদালতের বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার রায়ের জন্য ওই দিন ধার্য করে দিয়েছেন।

২০১৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ডাস্টবিন থেকে অর্ধমৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়।

সে পটুয়াখালী সদর উপজেলার জৈনকাঠির কৌরাখালি গ্রামের মৃত খালেক মৃধার ছোট মেয়ে। আদুরি এখন একটি মাদ্রাসায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে।

জানা গেছে, রাজধানীর পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের ২৯/১, সুলতানা প্যালেসের দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা গৃহকর্ত্রী নওরীন জাহান নদীর বাসায় কাজ করত সে। এ সময় তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালান গৃহকর্ত্রী নদী ও তার মা ইসরাত জাহান।

খুন্তি, গরম ইস্ত্রির ছ্যাঁকা ছাড়াও চাকু ও ব্লেড দিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।
 
শিশু আদুরিকে নির্যাতনের এক পর্যায়ে গৃহকর্ত্রী নদী ও তার মা রাজধানীর পল্লবীর ডিওএইচএস এলাকার একটি ডাস্টবিনে ফেলে দেন।

২০১৩ সালের  ২৩ সেপ্টেম্বর অর্ধমৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় আদুরিকে। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

দেড়মাস চিকিৎসার পর সুস্থ হলে ৩ নভেম্বর পরিবারের কাছে আদুরিকে হস্তান্তর করা হয়।

এদিকে ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর আদুরির মামা মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে নদীও তার মাকে আসামি করে নির্যাতনের ঘটনায় রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

২৬ সেপ্টেম্বর গৃহকর্ত্রী নদীকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করে।  

২০১৩ সালে ডাস্টবিন থেকে উদ্ধার হওয়া শিশু আদুরিফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে গৃহকর্ত্রী নদী ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নির্যাতনের কথা স্বীকার করেন।

একই আদালতে আদুরিও তার ওপর নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে জবানবন্দি দেয়।

এদিকে ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর গৃহকর্ত্রী নদীর মাকে অভিযুক্ত করে পুলিশের নারী সহায়তা অফিসার এসআই ও ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুরিন আক্তার আদালতে চার্জশিট দেন।

এরপর নদী ও তার মা ইশরাত জাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর শুরু হয় বিচার। নদী কারাগারে থাকলেও তার মা জামিনে মুক্ত আছেন।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by