যুগান্তর রিপোর্ট    |    
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ১৯:০০:৪৪ প্রিন্ট
মানবতাবিরোধী অপরাধ
সাবেক পাক সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

মঙ্গলবার চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল ওই চার্জ গঠন করেন।

এদিকে কারাগারে থাকা শহীদুল্লাহকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দিয়েছেন আদালত। বিচার চলাকালে তিনি জামিনে থাকবেন।

শর্তগুলো হল- দুই লাখ টাকা সমমূল্যের জামিননামা (বন্ড) দিতে হবে, পাসপোর্ট থাকলে তা জমা দিতে হবে, ঢাকায় নিকটাত্মীয় ও আইনজীবীর জিম্মায় অবস্থান করতে হবে, গণমাধ্যমে কথা বলা যাবে না এবং আদালতের আদেশে হাজির থাকতে হবে।

আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মাসুদ রানা। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর জেয়াদ আল মালুম ও আবুল কালাম।

২০১০ সালে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরুর পর এই প্রথম কোনো সেনা কর্মকর্তা বিচারের মুখোমুখি হলেন।

কুমিল্লার দাউদকান্দির আমিরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা আসামি শহীদুল্লাহর বয়স ৭৫ বছর।

তার আইনজীবী মাসুদ রানা বলেন, স্বাস্থ্যগত কারণে শর্তসাপেক্ষে আদালত শহীদুল্লাহকে জামিন দিয়েছেন। বিচার চলাকালে তিনি জামিনে থাকবেন।

তিনি বলেন, আগামী ১১ ডিসেম্বর এ মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানির দিন রেখেছেন ট্রাইব্যুনাল।  

এর আগে ৩১ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি ক্যাপ্টেন শহীদুল্লাহর বিরুদ্ধে অপহরণ, আটকে রেখে নির্যাতন, লুটপাট-অগ্নিসংযোগ ও হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধের তিন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে তদন্ত প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ঢাকা সেনানিবাসে পাকিস্তানি দখলদার সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন শহীদুল্লাহ।

পরে তিনি কুমিল্লার সেনানিবাসে যোগ দিয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে দাউদকান্দি সদরে ক্যাম্প স্থাপন করেন।

২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। প্রসিকিউশনের আবেদনে ট্রাইব্যুনাল গত বছর ২ আগস্ট শহীদুল্লার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। ওই দিনই কুমিল্লা জেলা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

পরদিন আসামিকে হাজির করা হলে ট্রাইব্যুনাল তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে মোট ১৯ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এছাড়া জব্দ তালিকার সাক্ষী করা হয়েছে আরও তিনজনকে।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত