রংপুর ব্যুরো    |    
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ২২:০০:৩৮ প্রিন্ট
রামু-নাসিরনগর-ঠাকুরপাড়ার ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জান খান কামাল বলেছেন, রামু, নাসিরনগর ও পাগলাপীরের ঠাকুরপাড়ার ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। একটি মহল ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে দেশের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের পাঁয়তারা করছে।

মঙ্গলবার রংপুরের পাগলাপীরের ঠাকুরপাড়ার ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মহলটি রংপুরের ধর্মপ্রাণ মানুষের আবেগকে পুঁজি করে এই তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে। তারা সফল হতে পারেনি। রংপুরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনসহ এলাকার সব সম্প্রদায়ের মানুষের সাহসী উদ্যোগের কারণে ওই অপশক্তির পরাজয় হয়েছে।

তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিজ বসতভিটায় ফিরে এসেছে। তারা দ্রুত পোড়া ভিটেমাটিতে ঘরবাড়ি তৈরি করে সংসার পেতেছে। সেখানে নতুন করে জীবনের স্পন্দন শুরু হয়েছে।

এলাকার সব সম্প্রদায়ের মানুষজনকে নিজ নিজ বাড়িতে থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বাইরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাধারণ মানুষকে হয়রানি করবে না।

তিনি এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

গত ১০ নভেম্বর রংপুরের ঠাকুরপাড়ায় দৃর্বৃত্তের হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের পর গতকাল মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ সময় তার সঙ্গে যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার, স্বরাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি টিপু মুন্সি, পুলিশের আইজিপি একেএম শহিদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্টমন্ত্রীসহ তার সফরসঙ্গীরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন। তাদের আশ্বস্ত করেন। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে কী পরিমাণ সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয় তারও খোঁজখবর নেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ নভেম্বর ফেসবুকের একটি ধর্মীয় অবমাননার ছবি ও বক্তব্য প্রচার করার জেরে রংপুরের পাগলাপীরের হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত ঠাকুরপাড়ায় একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। ওই ঘটনায় সেখানে প্রায় ১৫টি হিন্দু বাড়িতে আগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও হামলার ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় ২৫ জন আহত ও একজন নিহত হন।


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত