ফারুক আহমেদ    |    
প্রকাশ : ১৪ নভেম্বর, ২০১৭ ০৮:২৩:৩৯ প্রিন্ট
সন্তানের ইন্টারনেট অপব্যবহার ঠেকাতে নজর রাখুন
ইন্টারনেট চালানোর ব্যাপারে আমাদের সন্তানদের ওপর নজর রাখা একান্ত জরুরি। তারা ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে, তবে তা শুধু মাত্র একটি পরিণত বয়সে, বিশেষ করে যখন তারা হাইস্কুল, কলেজ এবং ইউনিভার্সিটিতে পড়া শুরু করবে এবং তা শুধু ব্যবহার করতে পারে তাদের পড়াশোনা, গবেষণা এবং জ্ঞান অর্জনের জন্য। আমাদের সন্তানরা ইন্টারনেটের যাতে অপব্যবহার না করে, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্তই জরুরি। বেস্ট অপশন হলো অপরিণতি বয়েসে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগই না দেয়া।
 
গবেষণায় দেখা যায়, যে শিশুরা দীর্ঘসময় ইন্টারনেট বা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করে, তাদের আত্মসম্মান অনেক নিম্ন পর্যায়ে চলে যায়। এছাড়া তাদের ভেতরে সৃজনশীলতা হ্রাস পায় ও আচরণগত সমস্যা দেখা দেয়। এতে সামাজিক উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে।
 
আমাদের জন্য এটা অত্যন্ত জরুরি যে আমাদের সন্তানদের প্রতিদিন মনিটরিং করা, তাদের সঙ্গে প্রতিদিন কথা বলা এবং জিজ্ঞাসা করা তারা আজ কে কী কাজ সম্পন্ন করছে।
 
আমরা যখন প্রতিদিন কৰ্মস্থল থেকে বাসায় ফিরি, তখন প্রথমে সবাইকে হ্যালো বলতে পারি, ছেলেমেয়েসহ পরিবারের সবাইকে এবং জিজ্ঞেস করতে পারি, আজ কে কী কাজ সম্পন্ন করেছে। কোনো ইন্টারেস্টিং বিষয় ছিল কিনা। 
 
সপ্তাহে একদিন ফ্যামিলি মিটিং এবং টি-পার্টি করতে পারি, সেখানে আলোচনা হবে গত সপ্তাহের কে কী করেছে এবং আগামী সপ্তাহে কার কী করার পরিকল্পনা আছে- তা জেনে নিতে পারি, সঙ্গে সঙ্গে দিতে পারি প্রয়োজনীয় পরামর্শ। এতে বেনিফিট হবে (১) ফ্যামিলির প্রতিটি বিষয়এ সবার কাছে আপডেট হওয়া (২) পিতা-মাতার সঙ্গে সন্তানদের সম্পর্ক গভীর হওয়া (৩) এবং বিশেষ করে তা পরিবারের সদস্যের মাঝে যদি কোনো দূরত্ব থাকে তা দূর করতেও সাহায্য করবে।
 
এটি একান্তই জরুরি যে টাইম টু টাইম ছেলেমেয়েদের কাউন্সেলিং করা, তাদের লেখাপড়া এবং তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া এবং কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকলে কালক্ষেপণ না করে তা সমাধানের জন্য সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নেয়া। প্রয়োজনে বাবা-মায়েরা স্কুলের শিক্ষক, সিনিয়র পেরেন্টস বা কাউন্সিলরেরকাছ থেকেও সাহায্য ও পরামর্শ নিতে পারেন। যদি এমন কোনো বিশেষ সমস্যা থাকে যা সমাধান করা একান্তই প্রয়োজন এবং বাবা-মা তা যদি ঠিক করতে না পারেন।
 
 আশা করি, সব পিতা-মাতা তাদের ছেলেমেয়েদের মনিটরিং এবং কাউন্সেলিং করার গুরুত্ব অনুধাবন করবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
 
 
[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক যুগান্তর অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- [email protected]-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।]
 


আরো পড়ুন
  • শীর্ষ খবর
  • সর্বশেষ খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Design and Developed by

© ২০০০-২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত