৭ মিনিটের লেজার শোতে পদ্মা সেতু নির্মাণের গল্প
jugantor
৭ মিনিটের লেজার শোতে পদ্মা সেতু নির্মাণের গল্প

  খোন্দকার রুহুল আমিন, টেকেরহাট (মাদারীপুর)  

২৮ জুন ২০২২, ১২:৪১:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরে ৭ মিনিটের লেজার শোতে দেখানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু নির্মাণের গল্প। এ ছাড়া বিনোদনের জন্য ছিল আতশবাজি ফোটানোর উৎসব। পরে দেশসেরা জনপ্রিয় শিল্পীদের পরিবেশনে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে সংগীতানুষ্ঠান, যা দেখতে ভিড় করেন হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা।

ছয় দিনের জমকালো এই আয়োজন বাস্তবায়ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে মাদারীপুর জেলা প্রশাসনকে এক কোটি ৩৯ লাখ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

সরেজমিন দেখা যায়, সব বাধা পেরিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু নির্মাণের এই অপরূপ দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয় লেজার শোতে। পুরো ৭ মিনিটের লেজার শো শেষে আকাশে ফোটানো হয় রঙ-বেরঙের আতশবাজি। পরে সংগীত পরিবেশন করেন দিলশাদ নাহার কনা, মাহমুদুল হক ইমরানসহ খ্যাতিমান শিল্পীরা।

মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজারঘাট এলাকার এমন আয়োজন ছিল পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় (রোববার) ও তৃতীয় (সোমবার) দিনের। সন্ধ্যার পর শুরু হয় এসব ব্যতিক্রমী আয়োজন। এরসঙ্গে নৃত্য, নাটক ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পীরা। সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এই আয়োজন দেখতে ভিড় করেন শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষ।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে পদ্মারপারের এ অনুষ্ঠান। এতে শামিল হন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা।

গান শুনতে আসা দর্শক পারভীন জাহান বলেন, প্রথমবারের মতো এত সুন্দর আয়োজন উপভোগ করছি। পরিবারের সবাই একত্রে এই অনুষ্ঠান দেখতে পেরে আনন্দ লাগছে।

হৃদয় কাজী নামে এক দর্শক বলেন, বড় বড় এমন শিল্পীকে সামনাসামনি দেখে তাদের গান শুনতে পেরে ভালো লাগছে। বন্ধুদের সঙ্গে মধ্যরাত পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান উপভোগ করছি।

কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা বলেন, প্রথমবারের মতো পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে এমন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে গর্বিত। একই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন, পরে সেই মঞ্চে গান পরিবেশন করছি— এটি সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।

বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম বলেন, পদ্মা সেতু দেশের গর্ব। সেই সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান গাইতে পেরে ভালো লাগছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন, তাকে এ জন্য ধন্যবাদ এবং পাশাপাশি তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, পদ্মাপারের মানুষকে আনন্দ দিতে এ আয়োজন। দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে ছয় দিনের অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠছেন খ্যাতিমান ও গুণী শিল্পীরা।

৭ মিনিটের লেজার শোতে পদ্মা সেতু নির্মাণের গল্প

 খোন্দকার রুহুল আমিন, টেকেরহাট (মাদারীপুর) 
২৮ জুন ২০২২, ১২:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুরে ৭ মিনিটের লেজার শোতে দেখানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু নির্মাণের গল্প। এ ছাড়া বিনোদনের জন্য ছিল আতশবাজি ফোটানোর উৎসব। পরে দেশসেরা জনপ্রিয় শিল্পীদের পরিবেশনে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে সংগীতানুষ্ঠান, যা দেখতে ভিড় করেন হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা। 

ছয় দিনের জমকালো এই আয়োজন বাস্তবায়ন করতে সরকারের পক্ষ থেকে মাদারীপুর জেলা প্রশাসনকে এক কোটি ৩৯ লাখ বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠান চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।

সরেজমিন দেখা যায়, সব বাধা পেরিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পদ্মা সেতু নির্মাণের এই অপরূপ দৃশ্য ফুটিয়ে তোলা হয় লেজার শোতে।  পুরো ৭ মিনিটের লেজার শো শেষে আকাশে ফোটানো হয় রঙ-বেরঙের আতশবাজি। পরে সংগীত পরিবেশন করেন দিলশাদ নাহার কনা, মাহমুদুল হক ইমরানসহ খ্যাতিমান শিল্পীরা। 

মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজারঘাট এলাকার এমন আয়োজন ছিল পদ্মা সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় (রোববার) ও তৃতীয় (সোমবার) দিনের। সন্ধ্যার পর শুরু হয় এসব ব্যতিক্রমী আয়োজন। এরসঙ্গে নৃত্য, নাটক ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পীরা। সেতু উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের এই আয়োজন দেখতে ভিড় করেন শিশু-কিশোরসহ সব বয়সের মানুষ।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে পদ্মারপারের এ অনুষ্ঠান। এতে শামিল হন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি হাজার হাজার দর্শক-শ্রোতা।

গান শুনতে আসা দর্শক পারভীন জাহান বলেন, প্রথমবারের মতো এত সুন্দর আয়োজন উপভোগ করছি। পরিবারের সবাই একত্রে এই অনুষ্ঠান দেখতে পেরে আনন্দ লাগছে।

হৃদয় কাজী নামে এক দর্শক বলেন, বড় বড় এমন শিল্পীকে সামনাসামনি দেখে তাদের গান শুনতে পেরে ভালো লাগছে। বন্ধুদের সঙ্গে মধ্যরাত পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান উপভোগ করছি।

কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা বলেন, প্রথমবারের মতো পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে এমন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে গর্বিত। একই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দিয়েছেন, পরে সেই মঞ্চে গান পরিবেশন করছি— এটি সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার।

বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী খুরশীদ আলম বলেন, পদ্মা সেতু দেশের গর্ব। সেই সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান গাইতে পেরে ভালো লাগছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ নিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন, তাকে এ জন্য ধন্যবাদ এবং পাশাপাশি তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন জানান, পদ্মাপারের মানুষকে আনন্দ দিতে এ আয়োজন। দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে ছয় দিনের অনুষ্ঠানে মঞ্চে উঠছেন খ্যাতিমান ও গুণী শিল্পীরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পদ্মা সেতু নির্মাণ