বিএনপি জোটের যেসব নেতা একাধিক আসনে লড়তে চান

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ১২:০৯ | অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি জোটের যেসব নেতা একাধিক আসনে লড়তে চান
সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের শীর্ষ নেতারা। ছবি: যুগান্তর

চলমান আন্দোলন কর্মসূচির অংশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ২০-দলীয় জোট (সম্প্রসারিত ২৩ দল)।

আর ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে’ ও ‘জগণের কাছে রাষ্ট্রক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে’ ভোটে নামার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

এ দুটি বৃহৎ রাজনৈতিক মোর্চার প্রধান শরিক দল রাজপথের বিরোধী দল বিএনপি। এক দশক ধরে নির্বাচনী রাজনীতির বাইরে থাকা দলটি এবার ভোটের লড়াইয়ে শামিল হয়েছে, দুই জোটকে সঙ্গী করে।

জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রির কাজ প্রায় শেষ। চলছে জমা নেয়ার কাজ।

দুটি জোটই নিজ নিজ দলের প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। এক-দুদিনের মধ্যে সব দলের প্রার্থী তালিকা জোটের প্রধান শরিক দল বিএনপির হাতে পৌঁছবে।

বিএনপি ছাড়াও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে রয়েছে গণফোরাম, জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ। দুটি জোটে ২৭ দল রয়েছে।

জোটসঙ্গীদের কতটি আসন দিয়ে সন্তুষ্ট রাখা যায় এ নিয়ে বিএনপিতে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলের প্রধান শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ একাধিক আসনে নির্বাচন করতে চান। তাদের মধ্যে কয়েকজন একাধিক আসনে নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করেছেন।

রাজনীতির নানামুখী হিসাব-নিকাশের কারণেই তারা একাদশ সংসদ নির্বাচনে একাধিক আসন নিজের দখলে রাখতে চাইছেন।

এসব হেভিওয়েট নেতা নিজ নির্বাচনী আসন, আশপাশের আসন ও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন আসন থেকে লড়তে পারেন।

অনেক ক্ষেত্রে যোগ্য প্রার্থী সংকট, জোটের শরিক হিসেবে খুশি রাখাসহ নানা বিবেচনায় দুটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন বিএনপি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের এসব শীর্ষ নেতা।

কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি দল ও জোটের স্থানীয় নেতারাও দুটি আসন থেকে নির্বাচন করতে শীর্ষ নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।

বিএনপির এক শীর্ষ নেতা বলেন, প্রতিটি নির্বাচনেই দলীয় মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে নানা ধরনের হিসাব-নিকাশ করতে হয়। এবার তারা আওয়ামী লীগ জোটকে মোকাবেলা করতে সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নেবেন।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ধীরেসুস্থে ও বুঝেশুনে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

বিএনপিও জোটের শরিকদের আসন বণ্টনের বিষয়ে বেশ সতর্ক। তারা সর্বোচ্চ ছাড় দিতে প্রস্তুত। উইনেবল প্রার্থী হলে যে দলেরই হোক না কেন জোট শরিকদের ছাড় দেবে বিএনপি।

সূত্র জানায়, চেয়ারপারসনের নির্দেশনা অনুযায়ী মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিএনপি নিজ দল, ঐক্যফ্রন্ট বা ২০-দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ ও যোগ্য নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন করবে। বিশেষ করে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০-দলীয় জোটের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের দলকে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়ে সম্মানিত করে মূল্যায়ন করতে চায় বিএনপি।

যেসব আসনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী রয়েছেন, সেই আসন জোটের তুলনামূলক জুনিয়র নেতার জন্য শরিক দল দাবি করলে হেভিওয়েট নেতাকেই মনোনয়ন দেয়ার কৌশল নেয়া হতে পারে। জোটের শীর্ষ নেতাদের কেউ কেউ দুটি আসন পেয়ে যেতে পারেন। এতে জোটের আসন সংখ্যাও বাড়তে পারে, আবার আসনটি হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কাও কিছুটা কমবে বলে মনে করেন বিএনপির নীতিনির্ধারকরা।

২০ দলের শীর্ষ নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া তিনটি আসনে নির্বাচন করতে চান। তার জন্য ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া), বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৭ (গাবতলী) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম কেনা হয়েছে। তবে দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হওয়ায় খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে পারবেন কিনা সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।

খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে না পারলে ওই সব আসনে জিয়া পরিবারের কেউ নির্বাচন করতে পারেন। আবার শোনা যাচ্ছে- খালেদা জিয়ার আসনে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনকে দিয়েও নির্বাচন করাতে চাইছেন ফ্রন্টের নেতারা। যদিও ড. কামাল নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী নন।

ড. কামাল নির্বাচন না করলে খালেদা জিয়ার আসনে তার পুত্রবধূ ডা. জোবাইদা রহমান নির্বাচন করতে পারেন।

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের শরিক দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের বাড়ি চট্টগ্রামে। তিনি সেখানকার দুটি আসনে নির্বাচন করতে চান।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার একাংশ) ও চট্টগ্রাম-১৩ (সাতকানিয়া ও লোহাগড়া) আসন থেকে ভোট করতে চান তিনি। ২০০১ সালে দুই আসন থেকে নির্বাচন করে একটিতে বিজয়ী হন।

তবে অলি আহমেদের একটি আসনে জোটের শরিক জামায়াতেরও হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন। এ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম শীর্ষ নেতা জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) ১৩০ আসনে দলীয় প্রার্থী ঠিক করে রেখেছে। এ নিয়ে তিনি শিগগিরই জোটের শরিকদের সঙ্গে দরকষাকষি করতে বসবেন।

জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি) আসন ও ঢাকার একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে আগ্রহী। বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে ঢাকায় আসন দেয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তবে তিনি রামগতির ওপর জোর দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি লক্ষ্মীপুর-৪ থেকেই নির্বাচন করতে পারেন।

কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল ও সখীপুর) আসন এবং টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। তিনি দুটি আসন থেকে লড়তে চান। দুটিতে তাকে দেয়া না হলে একটিতে তার ছোট ভাই নির্বাচন করতে পারেন।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের গুরুত্বপূর্ণ নেতা বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন দুটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। তিনি নিজ নির্বাচনী আসন কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) ও কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনে নির্বাচন করতে পারেন। দলীয় মনোনয়নের জন্য দুই আসন থেকেই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তিনি। এর মধ্যে কুমিল্লা-২ আসনটি দলের সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম এমকে আনোয়ারের ছিল।

জোট যদি এ দুই আসনে মোশাররফকে মনোনয়ন না দেয়, তবে একটি আসনে তার ছেলে খন্দকার মারুফ হোসেনকে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ নোয়াখালী-৫ (কবিরহাট-কোম্পানীগঞ্জ) এবং ফেনী-১ (ফুলগাজী, পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া) থেকে নির্বাচন করতে পারেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচন করতে না পারলে এবং জিয়া পরিবারের কেউ নির্বাচন না করলে তিনি নোয়াখালীর পাশাপাশি ফেনী-১ আসন থেকেও নির্বাচন করতে পারেন।

ঐক্যফ্রন্ট্রের অন্যতম শীর্ষ নেতা নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসন থেকে নির্বাচন করবেন এটি মোটামুটি নিশ্চিত। তবে তার সমর্থকদের চাওয়া ঢাকার একটি আসনেও তিনি যেন নির্বাচন করেন।

গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ) এবং ঢাকা-৩ (কেরানীগঞ্জের একাংশ, কামরাঙ্গীরচর ও সাভারের একাংশ) অথবা ঢাকার অন্য আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন। তবে এ দুই আসনে বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছে। একটিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর রায় অন্যটিকে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান মনোনয়নপ্রত্যাশী।

২০ দলের শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ ভোলা-১ আসন ও ঢাকার একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে চান। তবে ভোলা-১ আসনে তার নমিনেশন নিশ্চিত।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার পঞ্চগড় ও ঢাকার একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

দলের স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য ও ঢাকার প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাস ঢাকা-৮ (খিলগাঁও-সবুজবাগ) ও ঢাকা-৯ (মতিঝিল-পল্টন) থেকে ভোট করতে চান। তবে ঢাকা-৮ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন দলের যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল।

সূত্র জানায়, ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন নিজে নির্বাচন করতে আগ্রহী নন। তবে তাকেও দুটি আসন থেকে নির্বাচনে চান নিজ দল ও জোটের শরিকরা। শেষ পর্যন্ত ড. কামাল নির্বাচন করতে রাজি হলে তাকে ঢাকা-১০ বা ঢাকা-১৪ এবং ঢাকা-১২ আসনের যে কোনো দুটিতে জোটগত মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোরের দুটি আসন থেকে নির্বাচন করতে চান।

আর গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী অলি আহমেদ যে আসন থেকে প্রার্থী ওই আসনসহ ঢাকার একটি আসন থেকে নির্বাচন করতে চান।

জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন কুমিল্লা–৪ থেকে ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়নপ্রত্যাশী। ১৯৯১ থেকে ২০০১ পর্যন্ত এ আসনটি বিএনপির দখলে ছিল। ওই সময়ে চারবারই বিএনপির প্রার্থী ছিলেন মনজুরুল আহসান মুন্সী।

কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সভাপতি মনজুরুল আহসান আইনি জটিলতার কারণে ২০০৮ সালে নির্বাচন করতে পারেননি। এবারও দলের হয়ে মাঠে আছেন তিনি। স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকেই আবার প্রার্থী হিসেবে চান। তাই ঐক্যফ্রন্টের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি ও জেএসডির মধ্যে সমঝোতা লাগবে।

কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার–২ আসনে এবার ঐক্যফ্রন্টের হয়ে লড়তে পারেন সাবেক ডাকসু ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। এ আসনে আওয়ামী লীগের হয়ে তিনবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একবার এমপি নির্বাচিত হন তিনি।

এ আসনে বিএনপির কখনই ভালো অবস্থান ছিল না। বর্তমানে জাতীয় পার্টির দখলে থাকলেও সুলতান মনসুরের মাধ্যমে এটি দখলের স্বপ্ন দেখছেন বিরোধী দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সুলতান মনসুর বর্তমানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সূত্রে জানা গেছে, ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলো যার যার মতো করে নিজেদের চাহিদার তালিকা তৈরি করছে, যা বিএনপিসংশ্লিষ্ট নেতাদের হাতে দিচ্ছে।

এর মধ্যে শরিক দলগুলোর মধ্যে যোগ্য প্রার্থী কে কোন আসনে আছেন, সে বিষয়ে বিএনপিও খোঁজখবর নিচ্ছেন। দু–এক দিনের মধ্যে এ নিয়ে শরিকদের সঙ্গে বিএনপি আলাদাভাবে বসবে।

গত মঙ্গলবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠক হয়। তাতে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা, বৈঠক শেষে এ নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। জবাবে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এ বিষয়ে আরও পরে আলোচনা হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির জেষ্ঠ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আসন বণ্টন নিয়ে প্রত্যেক দল ও জোটের সঙ্গে বসতে হবে। তারপর আমরা ঠিক করব।

তিনি আরও বলেন, শরিক দলগুলো এখন নিজেরা গোছাচ্ছে। বিএনপিও নিজেদের মধ্যে বসে প্রার্থী বাছাই করবে। যে কোনো দলই যোগ্য বা জেতার মতো প্রার্থী পেলে তাকে মনোনয়ন দিতে চাইবে।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×