আমি মুখ খুলব ৩০ ডিসেম্বরের পর: তৈমুর আলম খন্দকার

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৯ ডিসেম্বর ২০১৮, ১০:৪০ | অনলাইন সংস্করণ

আমি মুখ খুলব ৩০ ডিসেম্বরের পর: তৈমুর আলম খন্দকার

শেষ মুহূর্তে এসে দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, এখন আমি এ নিয়ে কোনো কথাই বলব না।

আমি মুখ খুলব ৩০ ডিসেম্বরের পর। দলের চেয়ারপারসনকে জেল থেকে বের করাই এখন আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

আবারও প্রমাণ হল, দলের জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম কারাবরণ-সব কিছুই মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্যতা নয়।

দলের জন্য যতবার জেলে গেছি, ততবার বিএনপির আর কোনো নেতা কারাবরণ করেছে কিনা তা খুঁজে পাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, মনোনয়নের জন্য আমি লালায়িত নই। এর আগে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট শুরু হওয়ার মাত্র ৮ ঘণ্টা আগে আমাকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলা হল। আমি বিনা বাক্যবেয়ে নির্বাচনের আগের রাত ১২টায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।

আমার কাছে দল বড়। বরাবরই আমি দলের কথা চিন্তা করে সব ধরনের ত্যাগ স্বীকার করে আসছি।

এতকিছুর পরও আমি দলীয় প্রার্থীর পক্ষেই সবাইকে কাজ করতে বলেছি। কারণ আমাদের এখন একমাত্র লক্ষ্য-খালেদা জিয়াকে জেল থেকে বের করে আনা। এ জন্য প্রয়োজন নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীদের বিজয়। তাই তিনি বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে বিনীত অনুরোধ করব-সব কিছু ভুলে গিয়ে একাট্টা হয়ে দলীয় প্রার্থীকে নির্বাচনে জয়ী করে আনা।

উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে কাজী মনিরুজ্জামান মনিরকে শনিবার বিকালে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দেয়ার পর বিক্ষোভে ফেটে পড়েন অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকারের সমর্থকরা।

তার সমর্থকদের দাবি, সারা দেশে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার।

দলের জন্য তিনি বহুবার কারাবরণ করেছেন। তার এক ভাইকে খুন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট শুরু হওয়ার আট ঘণ্টা আগে তাকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে। এর পরও প্রায় ৩০ হাজার ভোট পান তিনি। দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ এ নেতার মনোনয়ন শেষ মুহূর্তে কেড়ে নেয়ায় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িতে হামলা করেছেন মনোনয়নবঞ্চিত প্রার্থীদের সমর্থকরা।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনেও ঘটে একই ঘটনা। প্রথমে বিএনপি নেতা শাহ আলমকে মনোনয়ন দেয়া হলেও শনিবার বিকালে জোটের একটি শরিক দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয়।

এ ব্যাপারে এইচপি ওয়াজিওল্লাহ নামে বিএনপির এক সমর্থক বলেন, হঠাৎ করে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে কাসেমি নামে এক প্রার্থীকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

তাকে এলাকার কেউই চিনে না। এ প্রার্থী দেশের একজন হেভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা একেএম শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কী করে জিতবে?

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×