‘বিজয় দিবসে কলঙ্ক লেপন করেছে আওয়ামী লীগ’
jugantor
‘বিজয় দিবসে কলঙ্ক লেপন করেছে আওয়ামী লীগ’

  নরসিংদী প্রতিনিধি  

১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:১০:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। ছবি: যুগান্তর

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের বিএনপি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে বলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। হামলায় বিএনপির ৫০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

রোববার বিকালে নির্বাচনী এলাকা সদর উপজেলার পাঁচদোনা বাসস্ট্যান্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ড. আবদুল মঈন খান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে আওয়ামী লীগ।

হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. আবদুল মঈন খান আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বলেছেন, নির্বাচনে ওয়াক ওভারের রাজনীতির দিন চলে গেছে।

নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন ড. আবদুল মঈন খান জানান, নির্বাচনী এলাকা পাচঁদোনা বাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করতে যান তিনি। তিনি পাঁচদোনা বাসস্ট্যান্ডে পৌছলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। ওই সময় নেতাকর্মীরা মানবপ্রাচীর তৈরি করে তাকে রক্ষা করেন। হামলাকারীদের অস্ত্রের আঘাতে বিএনপির ৫০ নেতা-কর্মী আহত হয়। তাদেরকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ঘটনার সময় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ কি সন্ত্রাসী জনপদে পরিণত হয়েছে? এজন্য কি লাখ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল? আমি সবার কাছে এই প্রশ্ন রাখতে চাই।

তিনি বলেন, এই দেশের বুকে তারা আজকে বিজয় দিবসের দিনে কলঙ্ক লেপন করেছে। সেই কলঙ্ক থেকে বাংলাদেশ কবে বের হবে তা আমাদের জানা নেই।

তিনি আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে যদি উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়ে থাকে, তাহলে তারা বিরোধী দলের প্রার্থীকে মেরে পিঠিয়ে সন্ত্রাস করে নির্বাচন থেকে হটিয়ে দিয়ে জোর করে নির্বাচন জিততে হয় কেন?

বিএনপির এ প্রবীণ নেতা বলেন, আজকে এই দেশকে সন্ত্রাসের জনপদে রূপান্তরিত করেছে আওয়ামী লীগ। তারা ভেবেছিল কি? ভোটার বিহীন নির্বাচন? আগের মতো ওয়াক ওভার দিয়ে এমপি হয়ে যাবেন? কিন্তু বিষয়টি এতো সহজ নয়। ওয়াক ওভারের রাজনীতির দিন চলে গেছে। কোনো অন্যায় করলে আমরা তার প্রতিবাদ করবো। তারা হিংস্রভাবে সন্ত্রাস করবে আর আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে এর প্রতিবাদ করবো।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে পাঁচদোনা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই ইউসুফ আহাম্মেদ বলেন, দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নরসিংদী-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রাথী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ বলেন, ড. মঈন খান সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা আমাদের উপর ৩টি হামলা চালিয়েছে, নির্বাচনী অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ করেছে ভাঙচুর করেছে। তার ভিডিও প্রমাণসহ প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করেছে। তারা পায়ে পা দিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। পরিবেশ ও ভোটার আমাদের পক্ষে থাকায় আমরা শান্ত আছি।

তিনি বলেন, আজ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের বিরুদ্ধে উসকানীমূলক কথা বলায় সাধারণ মানুষ শ্লোগান দিয়েছে, কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে তিনি মিথ্যাচার করছেন।

‘বিজয় দিবসে কলঙ্ক লেপন করেছে আওয়ামী লীগ’

 নরসিংদী প্রতিনিধি 
১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৯:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। ছবি: যুগান্তর

নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনের বিএনপি প্রার্থী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে বলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ। হামলায় বিএনপির ৫০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

রোববার বিকালে নির্বাচনী এলাকা সদর উপজেলার পাঁচদোনা বাসস্ট্যান্ডে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ড. আবদুল মঈন খান। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে আওয়ামী লীগ।

হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ড. আবদুল মঈন খান আওয়ামী লীগের উদ্দেশে বলেছেন, নির্বাচনে ওয়াক ওভারের রাজনীতির দিন চলে গেছে।

নরসিংদী জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন করেন ড. আবদুল মঈন খান জানান, নির্বাচনী এলাকা পাচঁদোনা বাজারে নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ করতে যান তিনি। তিনি পাঁচদোনা বাসস্ট্যান্ডে পৌছলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। ওই সময় নেতাকর্মীরা মানবপ্রাচীর তৈরি করে তাকে রক্ষা করেন। হামলাকারীদের অস্ত্রের আঘাতে বিএনপির ৫০ নেতা-কর্মী আহত হয়। তাদেরকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, ঘটনার সময় পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশ কি সন্ত্রাসী জনপদে পরিণত হয়েছে? এজন্য কি লাখ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন করা হয়েছিল? আমি সবার কাছে এই প্রশ্ন রাখতে চাই।

তিনি বলেন, এই দেশের বুকে তারা আজকে বিজয় দিবসের দিনে কলঙ্ক লেপন করেছে। সেই কলঙ্ক থেকে বাংলাদেশ কবে বের হবে তা আমাদের জানা নেই।

তিনি আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে যদি উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিয়ে থাকে, তাহলে তারা বিরোধী দলের প্রার্থীকে মেরে পিঠিয়ে সন্ত্রাস করে নির্বাচন থেকে হটিয়ে দিয়ে জোর করে নির্বাচন জিততে হয় কেন?

বিএনপির এ প্রবীণ নেতা বলেন, আজকে এই দেশকে সন্ত্রাসের জনপদে রূপান্তরিত করেছে আওয়ামী লীগ। তারা ভেবেছিল কি? ভোটার বিহীন নির্বাচন? আগের মতো ওয়াক ওভার দিয়ে এমপি হয়ে যাবেন? কিন্তু বিষয়টি এতো সহজ নয়। ওয়াক ওভারের রাজনীতির দিন চলে গেছে। কোনো অন্যায় করলে আমরা তার প্রতিবাদ করবো। তারা হিংস্রভাবে সন্ত্রাস করবে আর আমরা শান্তিপূর্ণ উপায়ে এর প্রতিবাদ করবো।

এই ব্যাপারে জানতে চাইলে পাঁচদোনা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই ইউসুফ আহাম্মেদ বলেন, দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নরসিংদী-২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রাথী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ বলেন, ড. মঈন খান সন্ত্রাসের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা আমাদের উপর ৩টি হামলা চালিয়েছে, নির্বাচনী অফিসে ককটেল বিস্ফোরণ করেছে ভাঙচুর করেছে। তার ভিডিও প্রমাণসহ প্রশাসনের নিকট অভিযোগ করেছে। তারা পায়ে পা দিয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে। পরিবেশ ও ভোটার আমাদের পক্ষে থাকায় আমরা শান্ত আছি।

তিনি বলেন, আজ সরকারের বিরুদ্ধে আমাদের বিরুদ্ধে উসকানীমূলক কথা বলায় সাধারণ মানুষ শ্লোগান দিয়েছে, কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য পরিকল্পিতভাবে তিনি মিথ্যাচার করছেন।