বিরোধী দল শুধু সংসদেই হয় না, বাইরেও হয়: খালেদা জিয়া

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৩ জানুয়ারি ২০১৯, ১৪:৫৮ | অনলাইন সংস্করণ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি- যুগান্তর
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি- যুগান্তর

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বলেছেন, বিরোধী দল শুধু সংসদেই হয় না, সংসদের বাইরেও বিরোধী দল হয়।

রোববার দুপুরে নাইকো দুর্নীতি মামলায় শুনানির এক পর্যায়ে তিনি এ কথা বলেন।

ওই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির এক পর্যায়ে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘আজকে আমরা বিরোধী দল, সেজন্য আমাদের এ অবস্থা।’

এ সময় পাশ থেকে আইনজীবী বোরহান উদ্দিন মওদুদকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা কী বিরোধী দলে আছেন?

তখনই আদালতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘বিরোধীদল সরকারেও হয়। সংসদের বাহিরেও হয়। বিরোধীদল সবখানেই হয়। বিএনপি যে অবস্থানেই থাকুক, বিএনপি জনপ্রিয় একটি দল। জনগণের পক্ষে থাকলেই বিরোধী দল হয়।’

এরপর আজকের মতো শুনানি শেষ করার জন্য সময় চেয়ে মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘আজকে আমার হাইকোর্টে ৩৬৫ জন আসামির আগাম জামিন আছে। আমাকে ওইখানে যেতে হবে। আজকের মতো সময় দেওয়া হোক।’ এরপর আদালত পরবর্তী অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২১ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন।

এর আগে নাইকো দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯নং বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে তার মামলার শুনানি শুরু হয়।

শুনানি শেষে এ মামলার অভিযোগ গঠনের পরবর্তী শুনানি ২১ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত।

নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কানাডীয় প্রতিষ্ঠান নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন।

মামলা করার পরের বছর ৫ মে খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশাররফ হোসেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সহকারী সচিব সিএম ইউসুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, বাপেক্সের সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, বাগেরহাটের সাবেক সাংসদ এমএএইচ সেলিম এবং নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

প্রসঙ্গত, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যথাক্রমে ১০ এবং সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন খালেদা জিয়া।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হয়।

ঘটনাপ্রবাহ : কারাগারে খালেদা জিয়া

আরও
আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×