খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে জাতিসংঘ বরাবর অনলাইনে পিটিশন

প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১১:২৯ | অনলাইন সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘ বরাবর একটি অনলাইনে পিটিশন চালু হয়েছে৷ ইতোমধ্যে আবেদনটিতে কয়েক হাজার মানুষ স্বাক্ষর করেছেন৷

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড নিয়ে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া। খবর ডয়েচে ভেলের।

তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এই রাজনীতিকের মুক্তির দাবিতে রাজপথে নানা ‘অহিংস' কর্মসূচি পালন করছে তার দল বিএনপি। এর পাশাপাশি অনলাইনেও তৎপরতা চালাচ্ছেন তার সমর্থকরা।

জনপ্রিয় অনলাইন পিটিশন সাইট চেঞ্জ ডটঅর্গে খালেদার মুক্তির দাবিতে জাতিসংঘ বরাবর একটি আবেদন করা হয়েছে৷ 

‘অ্যাডভোকেসি ফর গুড গভর্নেন্স ইন বাংলাদেশের' ব্যানারে করা পিটিশনটিতে দাবি করা হয়েছে- বাংলাদেশের বর্তমান সরকার ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করেছে৷ 

কুয়েতের আমিরের দেয়া অনুদানের যে অর্থ নিয়ে মামলা তা এখন ব্যাংকে জমা আছে এবং বর্তমানে মুনাফাসহ প্রায় তিন গুণ হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে পিটিশনে৷

ফেসবুকে অনেকেই এই পিটিশনটি শেয়ার করেছেন৷ সেখানে উত্তম কুমার নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন-  মাত্র ২ কোটি টাকার মিথ্যা মামলার জন্য যদি ৫ বছর কারাদণ্ড হয়, তা হলে শেয়ারবাজার, হলমার্ক, ডেসটিনি, সোনালি ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, ফারমার্স ব্যাংক, জনতা ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা এবং ৯ বছরে ১৩ লাখ  কোটি টাকা লুটপাটের অপরাধে কত বছরের কারাদণ্ড হওয়া উচিত?

শামস শাহরিয়ার খান নামে আরেক ব্যক্তি লিখেছেন- খালেদা জিয়া কেন জিয়ার নামে আসা বিদেশি অনুদানের টাকা দিয়ে গত ২৮ বছরেও এতিমখানা না করে ওই টাকা নানাজনের নামে ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে রেখে বৃদ্ধি করল, তার জবাব আমি নেয়ার কে? জবাব চাইতে পারে কেবল জিয়ার সৈনিকরা, মানে বিএনপির নেতাকর্মীরা- নাকি?

পিটিশনের শেষে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ সরকারের ওপর চাপ দেয়ার জন্য জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে৷ 

ইতোমধ্যে এ পিটিশনে কয়েক হাজার স্বাক্ষর জমা হয়েছে৷ তবে জাতিসংঘে বিষয়টি উত্থাপনে ঠিক কত হাজার স্বাক্ষর প্রয়োজন বা আদৌ এ ধরনের পিটিশন জাতিসংঘ গ্রহণ করে কিনা তা পিটিশনের কোথাও উল্লেখ করা হয়নি৷ চেঞ্জ ডটঅর্গে জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে এখন পর্যন্ত জমা পড়া পিটিশনের সংখ্যা ৭৭৩টি।