খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত
jugantor
স্থায়ী কমিটির বৈঠক
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ জুন ২০১৯, ১৪:১৭:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত

দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। বিভাগীয় পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে শহরগুলোতে এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

কি ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে জানতে চাইলে মহাসচিব বলেন, মিছিল-সমাবেশ জাতীয় কর্মসূচি পালন করা হবে।

মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভা নিয়মিত চলবে এবং আগামী শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা আবারও বসবে।

একটি সূত্রে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির রুদ্ধদ্বর বৈঠকের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ প্রশ্নে বাদানুবাদের জড়ান স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য। পরদিন বিভিন্ন দৈনিকে তাদের এই কথাকাটাকাটির বিষয়ে সংবাদ হয়। শনিবার স্থায়ী কমিটির মুলতবি বৈঠক শুরু হলে একপর্যায়ে এ বিষয়ে কথা তোলেন মির্জা ফখরুল। তিনি প্রশ্ন করেন, আমাদের ‘ক্লোজড ডোর’ বৈঠকের তথ্য কীভাবে প্রচার হলো?

বৈঠকে তারেক রহমানও স্কাইপে যুক্ত হন। তিনি বিভিন্ন দলের বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

এই বৈঠকে প্রথমবারের মতো অংশ নেন স্থায়ী কমিটির নতুন দুই সদস্য সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৈঠকের শুরুতে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়। তারাও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মাহবুবুর রহমান, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

স্থায়ী কমিটির বৈঠক

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ জুন ২০১৯, ০২:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত
বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

দুই মামলায় ১৭ বছর দণ্ডিত হয়ে কারাবন্দি দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি দেয়ার সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। বিভাগীয় পর্যায়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানে দলটির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে শহরগুলোতে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। 

কি ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে জানতে চাইলে মহাসচিব বলেন, মিছিল-সমাবেশ জাতীয় কর্মসূচি পালন করা হবে।
 
মহাসচিব আরও বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সভা নিয়মিত চলবে এবং আগামী শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভা আবারও বসবে।
 
একটি সূত্রে জানা গেছে, স্থায়ী কমিটির রুদ্ধদ্বর বৈঠকের তথ্য প্রকাশ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জুন স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় সংসদ সদস্যদের শপথগ্রহণ প্রশ্নে বাদানুবাদের জড়ান স্থায়ী কমিটির দুই সদস্য। পরদিন বিভিন্ন দৈনিকে তাদের এই কথাকাটাকাটির বিষয়ে সংবাদ হয়। শনিবার স্থায়ী কমিটির মুলতবি বৈঠক শুরু হলে একপর্যায়ে এ বিষয়ে কথা তোলেন মির্জা ফখরুল। তিনি প্রশ্ন করেন, আমাদের ‘ক্লোজড ডোর’ বৈঠকের তথ্য কীভাবে প্রচার হলো?

বৈঠকে তারেক রহমানও স্কাইপে যুক্ত হন। তিনি বিভিন্ন দলের বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

এই বৈঠকে প্রথমবারের মতো অংশ নেন স্থায়ী কমিটির নতুন দুই সদস্য সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। বৈঠকের শুরুতে তাদের অভিনন্দন জানানো হয়। তারাও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অন্যদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, লেফটেন্যান্ট জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত মাহবুবুর রহমান, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।