‘চাঁদাবাজির অভিযোগে পদ হারানো রাব্বানী ডাকসুতে থাকতে পারেন না’
jugantor
‘চাঁদাবাজির অভিযোগে পদ হারানো রাব্বানী ডাকসুতে থাকতে পারেন না’

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৪:২৭:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া গোলাম রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস পদে থাকতে পারেন না দাবি করেছে ছাত্র ইউনিয়ন।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে প্রগতিশীল ছাত্রজোট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতায় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উন্নয়নকাজে দুর্নীতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আন্দোলন চলাবস্থায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রকাশ পায়। একই সঙ্গে জাবি ভিসি ও ছাত্রলীগ নেতাদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

‘একই সঙ্গে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে নিজ সংগঠন থেকে অব্যাহতি পাওয়া কোনো ব্যক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের তথা ডাকসুর কোনো পদে থাকতে পারেন না। বর্তমান বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে ডাকসুর অতীত ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার জন্য অবিলম্বে এই ডাকসু অবৈধ ঘোষণা করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে। সিনিয়র সহসভাপতি আল নাহিয়ান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

‘চাঁদাবাজির অভিযোগে পদ হারানো রাব্বানী ডাকসুতে থাকতে পারেন না’

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০২:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁদাবাজি ও নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বরখাস্ত হওয়া গোলাম রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস পদে থাকতে পারেন না দাবি করেছে ছাত্র ইউনিয়ন।

সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে প্রগতিশীল ছাত্রজোট আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতায় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) উন্নয়নকাজে দুর্নীতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে আন্দোলন চলাবস্থায় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রকাশ পায়। একই সঙ্গে জাবি ভিসি ও ছাত্রলীগ নেতাদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যেই দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

‘একই সঙ্গে দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে চাই, দুর্নীতির অভিযোগ মাথায় নিয়ে নিজ সংগঠন থেকে অব্যাহতি পাওয়া কোনো ব্যক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের তথা ডাকসুর কোনো পদে থাকতে পারেন না। বর্তমান বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে ডাকসুর অতীত ঐতিহ্য সমুন্নত রাখার জন্য অবিলম্বে এই ডাকসু অবৈধ ঘোষণা করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইমরান হাবিব রুমন, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রলীগের শীর্ষ পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে। সিনিয়র সহসভাপতি আল নাহিয়ান জয়কে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। শনিবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।