সীমারেখা মেনে কূটনীতিকদের বক্তব্য দিতে হাছান মাহমুদের আহ্বান
jugantor
সীমারেখা মেনে কূটনীতিকদের বক্তব্য দিতে হাছান মাহমুদের আহ্বান

  যুগান্তর রিপো‌র্ট  

১০ অক্টোবর ২০১৯, ১৯:২৪:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা আশা করব বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সীমারেখা মেনেই ভবিষ্যতে বক্তব্য রাখবেন। কূটনৈতিক শিষ্টাচার যেন লঙ্ঘন না হয়, এ বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের বক্তব্য দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের কথা বলার কোনো অধিকার নেই।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের ঢাকা শাখার দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে কয়েকটি বিদেশি মিশন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এদের মধ্যে যুক্তরাজ্য অন্যতম। আমার প্রশ্ন, যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর স্কুলে গুলিবিদ্ধ হয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী মারা যায়, পাকিস্তানে শিয়া মসজিদে হামলা হয়, অতীতেও বাংলাদেশে অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে, তখন তো তারা উদ্বেগ প্রকাশ করতে আসেননি। আমরা আশা করব বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সীমারেখা মেনেই ভবিষ্যতে বক্তব্য রাখবেন।

তথ্যমন্ত্রী ব‌লেন, বু‌য়েট শিক্ষাথী স‌নি হত্যাসহ চট্টগ্রাম বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ে শিক্ষার্থী হত্যায় জ‌ড়িত ছাত্রদল নেতাদের কি গ্রেফতার করা হয়েছে বিচার করা হয়েছে। বিএনপি তাদের সন্ত্রাসীদের বাঁ‌চি‌য়েছেন। কোনো বিচার ক‌রেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা অন্যায়কারী, অপরাধকারী কাউকে ছাড় দেননি। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই অপরাধীদের দ্রুত সম‌য়ের ম‌ধ্যে গ্রেফতার করে ‌বিচার করছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা দীর্ঘ ১১ বছর ক্ষমতায় আছি। আমরা জানি আমাদের সংগঠনের মধ্যেই কিছুটা আবর্জনা হয়েছে। তা যেমন পরিষ্কার করেছি, তা অব্যাহত আছে, এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, যে দলেরই হোক না কেন তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না।

এ ছাড়াও সম্প্রতি ভারতে গ্যাস রফতানি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ত্রিপুরায় এলপিজি গ্যাস রফতানি করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। তরল গ্যাস আমদানির পর নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে তারপর আমরা রফতানি করব। এটি দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই। এ ছাড়া ভারত বাংলাদেশকে যে ২০টি বর্ডার গ্রান্ট দিচ্ছে তা এককালীন এবং আমাদের সম্পত্তি। এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

সীমারেখা মেনে কূটনীতিকদের বক্তব্য দিতে হাছান মাহমুদের আহ্বান

 যুগান্তর রিপো‌র্ট 
১০ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:২৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ
তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

বিদেশি কূটনীতিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা আশা করব বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সীমারেখা মেনেই ভবিষ্যতে বক্তব্য রাখবেন। কূটনৈতিক শিষ্টাচার যেন লঙ্ঘন না হয়, এ বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের বক্তব্য দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। 

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের কথা বলার কোনো অধিকার নেই। 

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে চট্টগ্রাম বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের ঢাকা শাখার দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। 

হাছান মাহমুদ বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে কয়েকটি বিদেশি মিশন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এদের মধ্যে যুক্তরাজ্য অন্যতম। আমার প্রশ্ন, যুক্তরাজ্যে প্রতিবছর স্কুলে গুলিবিদ্ধ হয়ে অসংখ্য শিক্ষার্থী মারা যায়, পাকিস্তানে শিয়া মসজিদে হামলা হয়, অতীতেও বাংলাদেশে অসংখ্য ঘটনা ঘটেছে, তখন তো তারা উদ্বেগ প্রকাশ করতে আসেননি। আমরা আশা করব বিদেশি কূটনীতিকরা তাদের সীমারেখা মেনেই ভবিষ্যতে বক্তব্য রাখবেন।

তথ্যমন্ত্রী ব‌লেন, বু‌য়েট শিক্ষাথী স‌নি হত্যাসহ চট্টগ্রাম বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ে শিক্ষার্থী হত্যায় জ‌ড়িত ছাত্রদল নেতাদের কি গ্রেফতার করা হয়েছে বিচার করা হয়েছে। বিএনপি তাদের সন্ত্রাসীদের বাঁ‌চি‌য়েছেন। কোনো বিচার ক‌রেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা অন্যায়কারী, অপরাধকারী কাউকে ছাড় দেননি। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই অপরাধীদের দ্রুত সম‌য়ের ম‌ধ্যে গ্রেফতার করে ‌বিচার করছে। 

হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা দীর্ঘ ১১ বছর ক্ষমতায় আছি। আমরা জানি আমাদের সংগঠনের মধ্যেই কিছুটা আবর্জনা হয়েছে। তা যেমন পরিষ্কার করেছি, তা অব্যাহত আছে, এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, যে দলেরই হোক না কেন তাদেরকে ছাড় দেয়া হবে না।

এ ছাড়াও সম্প্রতি ভারতে গ্যাস রফতানি বিষয়ক সমঝোতা স্মারক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমরা শুধু ত্রিপুরায় এলপিজি গ্যাস রফতানি করতে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছি। তরল গ্যাস আমদানির পর নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে তারপর আমরা রফতানি করব। এটি দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই। এ ছাড়া ভারত বাংলাদেশকে যে ২০টি বর্ডার গ্রান্ট দিচ্ছে তা এককালীন এবং আমাদের সম্পত্তি। এ নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বুয়েট ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০