নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান ঘটাতে চায় জনআকাঙ্ক্ষা: মনজু
jugantor
নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান ঘটাতে চায় জনআকাঙ্ক্ষা: মনজু

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ২২:৪৬:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে শনিবার জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মশালা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে শনিবার জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি-যুগান্তর

জনআকাঙ্ক্ষা কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মজিবুর রহমান মনজু বলেছেন, জনআকাঙ্ক্ষা একটি নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান ঘটাতে চায়। যার নাম সার্বজনীন, আদর্শবাদী, গণতান্ত্রিক ধারা। এই ধারা জনগণের অধিকারকে দলের নীতি ও কর্মসূচি বানাবে। জনগণের আগ্রহ ও উপদেশ গ্রহণ করেই এই রাজনৈতিক ধারা তার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের এক কর্মশালায় তিনি এ সব কথা বলেন। 

একটি ইনক্লুসিভ, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি, গঠনতন্ত্র, ইশতেহার কেমন হওয়া উচিত এর ওপর কর্মশালায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের সংগঠকগণ অংশ নেন। 

সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন- সাবেক সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, জনআকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মজিবুর রহমান মনজু ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারী, বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মেজর (অব.) ডা. আব্দুল ওহাব মিনার, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জননেতা মোস্তফা নূর, প্রকৌশলী মো. লোকমান, যুবনেতা সিদ্দিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ব্যাংকার দিদারুল আলম সাজ্জাদ, প্রকৌশলী নাঈম হাসান, সাংবাদিক রিমন বড়ুয়া, তরুণ ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম বাবুল, নারী উন্নয়নকর্মী উজমা বুশরা, যুব উন্নয়নকর্মী আইনুল হক রিপন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোলায়মান চৌধুরী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, এ দেশের সচেয়ে বড় সমস্যা নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার। সংবিধান নাগরিকের যে অধিকার আমাদের দিয়েছে তার সবই আমরা ভুলতে বসেছি। আমাদের যে অধিকার এমনিতে ভোগ করার কথা, দুঃখজনকভাবে তা আমাদের ঘুষ দিয়ে কিংবা মামা-চাচার তদবির দিয়ে অর্জন করতে হয়। এটা আমাদের স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী। 

তিনি বলেন, সাম্য মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ এই তিন মূলনীতির ভিত্তিতে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল যা আমরা ভুলতে বসেছিলাম। এই প্রজন্মকে নতুন করে সে অঙ্গীকারে উদ্বুদ্ধ করতে জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ কাজ করবে।

অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা নতুন করে রাজনীতির পথ নির্মাণ করতে চাই। কারণ আমরা আর বিষাক্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে অপারগ। যানজটে জনজীবন অতিষ্ঠ তারপরও মন্ত্রীরা রাস্তা আটকে দিয়ে চলাচল করেন তা আমরা আর মানতে রাজি নই। 

তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ব বলেই আমরা তৃণমূলের পরামর্শ নিয়ে কর্মসূচি প্রণয়ন করার কাজে হাত দিয়েছি।

কর্মশালায় নতুন উদ্যোগের প্রস্তাবিত নাম, কর্মসূচি, গঠনতন্ত্র ও ইশতেহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতামত পর্যালোচনা করা হয়।

নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান ঘটাতে চায় জনআকাঙ্ক্ষা: মনজু

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে শনিবার জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মশালা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে শনিবার জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ছবি-যুগান্তর

জনআকাঙ্ক্ষা কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মজিবুর রহমান মনজু বলেছেন, জনআকাঙ্ক্ষা একটি নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান ঘটাতে চায়। যার নাম সার্বজনীন, আদর্শবাদী, গণতান্ত্রিক ধারা। এই ধারা জনগণের অধিকারকে দলের নীতি ও কর্মসূচি বানাবে। জনগণের আগ্রহ ও উপদেশ গ্রহণ করেই এই রাজনৈতিক ধারা তার কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

শনিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন মিলনায়তনে জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ চট্টগ্রাম অঞ্চলের এক কর্মশালায় তিনি এ সব কথা বলেন।

একটি ইনক্লুসিভ, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি, গঠনতন্ত্র, ইশতেহার কেমন হওয়া উচিত এর ওপর কর্মশালায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের সংগঠকগণ অংশ নেন।

সাবেক ছাত্রনেতা গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন- সাবেক সচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এএফএম সোলায়মান চৌধুরী, জনআকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মজিবুর রহমান মনজু ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ পাটোয়ারী, বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ মেজর (অব.) ডা. আব্দুল ওহাব মিনার, ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, জননেতা মোস্তফা নূর, প্রকৌশলী মো. লোকমান, যুবনেতা সিদ্দিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবুল কাশেম, ব্যাংকার দিদারুল আলম সাজ্জাদ, প্রকৌশলী নাঈম হাসান, সাংবাদিক রিমন বড়ুয়া, তরুণ ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম বাবুল, নারী উন্নয়নকর্মী উজমা বুশরা, যুব উন্নয়নকর্মী আইনুল হক রিপন প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সোলায়মান চৌধুরী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনকালে তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, এ দেশের সচেয়ে বড় সমস্যা নেতৃত্ব ও ব্যবস্থাপনার। সংবিধান নাগরিকের যে অধিকার আমাদের দিয়েছে তার সবই আমরা ভুলতে বসেছি। আমাদের যে অধিকার এমনিতে ভোগ করার কথা, দুঃখজনকভাবে তা আমাদের ঘুষ দিয়ে কিংবা মামা-চাচার তদবির দিয়ে অর্জন করতে হয়। এটা আমাদের স্বাধীনতার চেতনার পরিপন্থী।

তিনি বলেন, সাম্য মানবিক মর্যাদা ও ইনসাফ এই তিন মূলনীতির ভিত্তিতে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল যা আমরা ভুলতে বসেছিলাম। এই প্রজন্মকে নতুন করে সে অঙ্গীকারে উদ্বুদ্ধ করতে জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ কাজ করবে।

অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, আমরা নতুন করে রাজনীতির পথ নির্মাণ করতে চাই। কারণ আমরা আর বিষাক্ত অক্সিজেন গ্রহণ করতে অপারগ। যানজটে জনজীবন অতিষ্ঠ তারপরও মন্ত্রীরা রাস্তা আটকে দিয়ে চলাচল করেন তা আমরা আর মানতে রাজি নই।

তিনি বলেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ব বলেই আমরা তৃণমূলের পরামর্শ নিয়ে কর্মসূচি প্রণয়ন করার কাজে হাত দিয়েছি।

কর্মশালায় নতুন উদ্যোগের প্রস্তাবিত নাম, কর্মসূচি, গঠনতন্ত্র ও ইশতেহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও মতামত পর্যালোচনা করা হয়।

 
আরও খবর