ভাব দেখে মনে হয় মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ঠিকাদারিটা তাদের: মির্জা ফখরুল
jugantor
ভাব দেখে মনে হয় মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ঠিকাদারিটা তাদের: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৩:৫৮:৫৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটি মহল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিতর্কিত করছে। অত্যন্ত কদর্যভাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে চাচ্ছে। তাদের এমন একটা মনোভাব কাজ করে যে, মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ঠিকাদারিটা তাদের। যে স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে কথা বলেন, সেটাকেই বিকৃত করার চেষ্টা করেন তারা।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের যৌথ সভাশেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। 

মির্জা ফখরুল বলেন, যারা বিএনপি করেন, তাদের অধিকাংশই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আমাদের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা ও জেলার নেতারা একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা।

বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ, স্বাধীনতার মূল চেতনা গণতন্ত্র; সেই গণতন্ত্রকে তারা নিজেরা বারবার ধ্বংস করেছে। এ কথা তারা আলোচনায় একবারের জন্যও আনেন না।

মুক্তিযুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘নেত্রী ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি ছিলেন দুটি শিশু সন্তান নিয়ে। পরবর্তীকালে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য ৯ বছর সংগ্রাম করেছেন। এখনও তিনি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সংগ্রাম করে চলেছেন।’

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে যে নাটক করছেন, তা বন্ধ করুন। তার জীবন রক্ষা করার জন্য জামিনে মুক্ত করুন, অন্যথায় এ দেশের মানুষ কখনও ক্ষমা করবে না। তখন আপনারাই ক্ষমার অযোগ্য হবেন। সেই সময় আসার আগেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিবউন নবী খান সোহেল প্রমুখ। 

ভাব দেখে মনে হয় মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ঠিকাদারিটা তাদের: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, একটি মহল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিতর্কিত করছে। অত্যন্ত কদর্যভাবে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে চাচ্ছে। তাদের এমন একটা মনোভাব কাজ করে যে, মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ঠিকাদারিটা তাদের। যে স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে কথা বলেন, সেটাকেই বিকৃত করার চেষ্টা করেন তারা।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের যৌথ সভাশেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, যারা বিএনপি করেন, তাদের অধিকাংশই মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। আমাদের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা ও জেলার নেতারা একাত্তরের রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা।

বিএনপি মহাসচিবের অভিযোগ, স্বাধীনতার মূল চেতনা গণতন্ত্র; সেই গণতন্ত্রকে তারা নিজেরা বারবার ধ্বংস করেছে। এ কথা তারা আলোচনায় একবারের জন্যও আনেন না।

মুক্তিযুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অবস্থানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘নেত্রী ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনীর হাতে বন্দি ছিলেন দুটি শিশু সন্তান নিয়ে। পরবর্তীকালে গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্য ৯ বছর সংগ্রাম করেছেন। এখনও তিনি গণতন্ত্রকে রক্ষা করতে সংগ্রাম করে চলেছেন।’

খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে যে নাটক করছেন, তা বন্ধ করুন। তার জীবন রক্ষা করার জন্য জামিনে মুক্ত করুন, অন্যথায় এ দেশের মানুষ কখনও ক্ষমা করবে না। তখন আপনারাই ক্ষমার অযোগ্য হবেন। সেই সময় আসার আগেই খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব মজিবর রহমান সরোয়ার, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিবউন নবী খান সোহেল প্রমুখ।

 
আরও খবর