১২ নারী এজেন্টকে বের করে দেয়ার অভিযোগ
jugantor
১২ নারী এজেন্টকে বের করে দেয়ার অভিযোগ

  পল্লবী প্রতিনিধি  

০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪৩:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

আসমা বিদ্যানিকেতন
আসমা বিদ্যানিকেতন কেন্দ্র। ছবি-যুগান্তর

ঢাকা ‍উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দারুসসালাম থানার ৯নং ওয়ার্ডে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে জাতীয় পার্টির ১২ নারী পোলিং এজেন্টকে বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাঘবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আসমা বিদ্যানিকেতন ও সিদ্ধার্থ হাইস্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। 

এছাড়া ১৬টি কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় পার্টির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলমাস উদ্দীন (ঝুড়ি মার্কা) যুগান্তরকে বলেন, সকাল ৮টায় আমার পোলিং এজেন্টরা বাঘবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আসমা বিদ্যানিকেতন ও সিদ্ধার্থ হাইস্কুল কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। সাড়ে ৮টায় এই তিন কেন্দ্র থেকে আমার ১২ জন নারী পোলিং এজেন্টকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন ধর্ষণের হুমকি দিয়ে কেন্দ্র ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

ধর্ষণের হুমকি পেয়ে আমার নারী এজেন্টরা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসে বলেও জানান তিনি।  

আলমাস উদ্দীন অভিযোগ করেন, ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ও ম্যাজিট্রেটকে অবহিত করলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।

অন্যদিকে বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ভোট শুরুর পর ১৬টি কেন্দ্র থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে কাজপত্র কেড়ে নিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। 

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের লোকজন কেন্দ্র পাহারা দিচ্ছেন। তারা তাদের পরিচিত ও চেনা লোক বাদে অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আসমা বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আবুল খায়ের যুগান্তরকে বলেন, ‘পোলিং এজেন্ট বের করে দেয়া বা কাউকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়ে আমার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি।’ 

 

১২ নারী এজেন্টকে বের করে দেয়ার অভিযোগ

 পল্লবী প্রতিনিধি 
০১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আসমা বিদ্যানিকেতন
আসমা বিদ্যানিকেতন কেন্দ্র। ছবি-যুগান্তর

ঢাকা ‍উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দারুসসালাম থানার ৯নং ওয়ার্ডে ধর্ষণের হুমকি দিয়ে জাতীয় পার্টির ১২ নারী পোলিং এজেন্টকে বেরকরে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় বাঘবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আসমা বিদ্যানিকেতন ও সিদ্ধার্থ হাইস্কুল কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এছাড়া ১৬টি কেন্দ্র থেকে বিএনপির পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় পার্টির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলমাস উদ্দীন (ঝুড়ি মার্কা) যুগান্তরকে বলেন, সকাল ৮টায় আমার পোলিং এজেন্টরা বাঘবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আসমা বিদ্যানিকেতন ও সিদ্ধার্থ হাইস্কুল কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। সাড়ে ৮টায় এই তিন কেন্দ্র থেকে আমার ১২ জন নারী পোলিং এজেন্টকে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন ধর্ষণের হুমকি দিয়ে কেন্দ্র ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

ধর্ষণের হুমকি পেয়ে আমার নারী এজেন্টরা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে আসে বলেও জানান তিনি।

আলমাস উদ্দীন অভিযোগ করেন, ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ও ম্যাজিট্রেটকে অবহিত করলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি।

অন্যদিকে বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সাইদুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ভোট শুরুর পর ১৬টি কেন্দ্র থেকে আমার পোলিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে কাজপত্র কেড়ে নিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের লোকজন কেন্দ্র পাহারা দিচ্ছেন। তারা তাদের পরিচিত ও চেনা লোক বাদে অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলেআসমাবিদ্যানিকেতন কেন্দ্রেরসহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আবুল খায়ের যুগান্তরকে বলেন, ‘পোলিং এজেন্ট বের করে দেয়া বাকাউকে ধর্ষণের হুমকি দেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়েআমার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি।’

 

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-২০২০

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আরও খবর