‘কারচুপির ফল’ বাতিল করে ঢাকায় নতুন নির্বাচন দাবি ফখরুলের
jugantor
‘কারচুপির ফল’ বাতিল করে ঢাকায় নতুন নির্বাচন দাবি ফখরুলের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩:৩১:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ‘ব্যাপক কারচুপির’ অভিযোগ তুলে ফল বাতিল করে নতুন ভোটের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশান ইমানুয়েল কনভেনশন সেন্টারে বিএনপির দুই মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। ঢাকার দুই সিটির ভোট নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আছে। তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। অত্যন্ত সচেতনভাবে জনগণকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেই যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ওপর আস্থা না থাকায় নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় বাকশালের দিকে দেশকে নিয়ে যাচ্ছে। দলটি ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় এখন ভিন্ন কৌশলে ও নতুনরূপে বাকশালী কায়দায় দেশ পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঢাকার দুই সিটিতে ৭ থেকে ৯ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে দাবি করে বিএনপির অন্যতম এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলছি- এই সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের এত আয়োজনের পরও ভোটাররা তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেনি। সে কারণে আমরা দেখতে পেলাম- নির্বাচনে ৭ থেকে ৯ শতাংশের বেশি লোক ভোট দেয়নি।’

তিনি যোগ করেন, ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় যে ভোট হয়ে গেল, সেই নির্বাচনে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটেনি। নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এ কারণে নির্বাচনের ফল বাতিল করে নতুন নির্বাচনের আহ্বান করছি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আরেকটি কথা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বলতে চাই- আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তাই আমরা বারবার দাবি করছি– নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই কেবল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে ভোটের ফল সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেন বিএনপির দুই প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন। তারা নির্বাচনে কেন্দ্রদখল, এজেন্ট বের করে দেয়া এবং ফল কারচুপির অভিযোগ তুলেন।

এ সময় ঢাকার দুই সিটিতে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকতউল্লাহ বুলু, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দফতরপ্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

‘কারচুপির ফল’ বাতিল করে ঢাকায় নতুন নির্বাচন দাবি ফখরুলের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০১:৩১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ‘ব্যাপক কারচুপির’ অভিযোগ তুলে ফল বাতিল করে নতুন ভোটের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশান ইমানুয়েল কনভেনশন সেন্টারে বিএনপির দুই মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ দাবি জানান। ঢাকার দুই সিটির ভোট নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে আছে। তারা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। অত্যন্ত সচেতনভাবে জনগণকে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেই যাচ্ছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ওপর আস্থা না থাকায় নির্বাচন ব্যবস্থাটাকে ধ্বংস করে দিয়ে একদলীয় বাকশালের দিকে দেশকে নিয়ে যাচ্ছে। দলটি ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েমের মধ্য দিয়ে যে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করতে চেয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় এখন ভিন্ন কৌশলে ও নতুনরূপে বাকশালী কায়দায় দেশ পরিচালনা করা হচ্ছে।

ঢাকার দুই সিটিতে ৭ থেকে ৯ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে দাবি করে বিএনপির অন্যতম এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলছি- এই সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের কোনো আস্থা নেই। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের এত আয়োজনের পরও ভোটাররা তাদের ওপর আস্থা রাখতে পারেনি। সে কারণে আমরা দেখতে পেলাম- নির্বাচনে ৭ থেকে ৯ শতাংশের বেশি লোক ভোট দেয়নি।’

তিনি যোগ করেন, ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় যে ভোট হয়ে গেল, সেই নির্বাচনে জনগণের মতামতের প্রতিফলন ঘটেনি। নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারেনি। এ কারণে নির্বাচনের ফল বাতিল করে নতুন নির্বাচনের আহ্বান করছি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আরেকটি কথা অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে বলতে চাই- আওয়ামী লীগের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। তাই আমরা বারবার দাবি করছি– নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই কেবল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনে ভোটের ফল সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেন বিএনপির দুই প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেন। তারা নির্বাচনে কেন্দ্রদখল, এজেন্ট বের করে দেয়া এবং ফল কারচুপির অভিযোগ তুলেন।

এ সময় ঢাকার দুই সিটিতে বিএনপির মেয়রপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকতউল্লাহ বুলু, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দফতরপ্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন-২০২০

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০